FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

কেঁচো সার উৎপাদনে সফল ইহান ভার্মি কম্পোস্ট

কেঁচো সার উৎপাদনে সফল ইহান ভার্মি কম্পোস্ট।

জৈব বস্তুকে বিশেষ প্রজাতির কেঁচোর সাহায্যে খুব অল্প সময়ে জমিতে ব্যবহার উপযোগী জৈব সার তৈরির প্রক্রিয়াকে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার বলা হয়। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাষাবাদে জনপ্রিয় ও প্রয়োজনীয় উপাদান হয়ে উঠেছে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট। ইতিমধ্যে ভার্মি কম্পোস্টের উদ্যোক্তারা বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন এবং অনেকেই নতুনভাবে এই সার উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। পরিবেশবান্ধব এ সার উৎপাদনে প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় গোবর, এছাড়াও ধান বা গমের খড়, মুগ/কলাই/গমের খোসা, তুষ অথবা রান্নার কাজে ব্যবহৃত কিছু নির্দিষ্ট কিছু সবজির খোসা দিয়ে খুব সহজেই বাড়ির আঙিনায় এ সার উৎপাদন করে অল্প সময়েই লাভবান হচ্ছেন উদ্যোক্তারা।ফরিদপুরের ছেলে ইহান এমনি একজন উদ্যোক্তা। ইহান ভার্মি কম্পোস্টের মালিক জনাব ইহান প্রথমে মাত্র ৪ টি রিং স্লাপ দিয়ে শুরু করেছিলেন সার উৎপাদন, যা বর্তমানে চাহিদার প্রেক্ষিতে পরিসর বৃদ্ধির মাধ্যমে ৩০ বাই ৩০ ফিট একটি হাউজ এবং ১০ টি রিং স্লাপে রূপান্তরিত হয়েছে। জনাব ইহান জানান, বর্তমান কৃষক, মাছচাষী এবং বাগানী ভাই-বোনদের ভার্মি কম্পোস্টের চাহিদা সবচেয়ে বেশী। তিনি আরও জানান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের ছাদ বাগানীদের কাছেই সবচেয়ে বেশী বিক্রি করছেন তার উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট এবং খুব শিঘ্রই উৎপাদনের পরিসর বাড়াতে দু’টি বড় বড় হাউজ উদ্বোধন করবেন তিনি। তিনি ইন্ডিয়া থেকে ভার্মি কম্পোস্ট ও বায়োফ্ৰক মাছ চাষের উপর ট্রেনিং এবং বাংলাদেশ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে হাঁস মুরগি, গরু-ছাগল পালন, কৃষি শিক্ষা ও গবাদি পশু চিকিৎসায় ট্রেনিং নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করেন। কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২২ সালে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের পশুপাখি মেলায় হাঁস-মুরগি ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ খামারি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও ২০২৩ সালে ইহান ভার্মি কম্পোস্ট জেলার শ্রেষ্ঠ গুণগত মানের সার উৎপাদনকারী হিসেবে নির্বাচিত হন।কেঁচো সার কেন ব্যাবহার করবেন? 

  • এটি সম্পূর্ন জৈব সার
  • এটি গাছের অত্যাবশ্যকীয় ১৭ টি খাদ্য উপাদানের ৯/১৪ : উপাদান কেঁচো সারে বিদ্যমান।
  • উল্লেখিত পুষ্টি উপাদান ছাড়া ও গাছের প্রয়োজনীয় বেশ
  • কয়েকটি হরমন, এনজাইম পাওয়া যায়, যা গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফলের বর্ণ, স্বাদ ও অন্যান্য গুনগত মান উন্নয়নে সহায়তা করে।
  • কেচোঁ সার ব্যাবহারে জমিতে অনু জৈবিক প্রক্রিয়া তরান্বিত হয়।
  • কেঁচো সার বীজের অংকুরোগমে সহায়ক।
  • গাছ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ।
  • শিকর পচাঁ রোগ হতে রক্ষা করে।
  • গাছের জন্য সুষম খাদ্য দিতে সক্ষম।
  • সেচ ব্যায় সাশ্রয় করে।
  • মাটিতে জৈব পদার্থের উপস্থিতি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ।
  • মা‌টির হিউমাস গঠ‌নে সহায়তা ক‌রে।

0

নিরবের ছাদ বাগান

ছাদবাগান পরিচিতি পর্ব (৪) নিরবের ছাদ বাগান

 নাম: মো: নাফিজুর রহমান নিরব স্হায়ী ঠিকানা, মাদারীপুর সদর।বর্তমান ঠিকানা: খাসকান্দি,কানাইপুর, ফরিদপুর।পেশা : শিক্ষার্থী (এবছর এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে) তার  বাগানের বয়স: আড়াই থেকে ৩ বছর। বাগানের ধরন : আঙিনা ও ছোট ছাদ তার বাগানে যেসব গাছ আছে তার মধ্যে ক্যাকটাস, অর্কিড, জলজ, ফুুল, কাটা মুকুট, বাগান বিলাস, দেশি বিভিন্ন ফুল গাছ,এছাড়া শোভা বর্ধণকারী অর্নামেন্টাল বিভিন্ন গাছের সংগ্রহ আছে। বাগান নিয়ে তেমন সমস্যা হয়না, পরিবার খুবই সাহায্য করে এব্যাপারে । বিগত একটা সময় তার বাগানে একটা সমস্যা হয়েছিল,, কে বা কারা যেনো বাগানের সব গাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছিল!!

নিরবের ছাদ বাগান

বাগান থেকে অতিরিক্ত গাছ বিতরন, বিনিময়, ও অনলাইনে টুকটাক সেলও করেন তিনি।  বাগান নিয়ে তার ভবিষ্যতে অনেক পরিকল্পনা আছেএবং তার ছোট একটা  গার্ডেনিং পেজ আছে, ( নিরবের ছাদবাগান)ভাড়া বাসায় করোনা কালীন সময়ে ছোট বাগান দিয়ে শুরু। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন  একটুকরো সুখের বাগান।  তার বাগানের সবচেয়ে বড় সফলতা ফুলকুড়ি আসর আয়োজিত বাগান তৈরী প্রতিযোগিতা ২০২০এ বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন।  যা তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।  বাড়ির ছাদ হোক বা বেলকনি অথবা বাড়ির আঙিনায় একটি হলেও গাছ লাগান। শিক্ষার মতো সবুজের আলো ঘরে ঘরে জ্বালো। তিনি এই পর্যন্ত ৪৫+ জেলাতে নিজের বাগানের গাছ পৌছাতে পেরেছে এবং ফরিদপুরের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৫০-৩০০ জনকে নিজের বাগানের গাছ পৌছাতে দিয়েছে। মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ,  লালমনিরহাট,ভৈরব, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, লালমনিরহাট, কুষ্টিয়া, পাবনা,  বরগুনা,  গাজীপুর, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর এসব জেলাতে তার বাগানের গাছ পৌছে গেছে। নিরবের বাগান করা দেখে এলাকার লোক এবং বন্ধু, পরিবারের সদস্যরা অনুপ্রাণিত হয়ে বাগান করছে।

0

আবিরের ছাদ বাগান

ছাদ বাগান পরিচিত পর্ব (৩)

নাম: জাওয়াদ আবীরমূল বাড়ি মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ। পড়ালেখার সূত্রে ফরিদপুরে থাকছেন তিনি। H.S.C ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে উত্তির্ণ হয়েছেন বর্তমানে তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র (নিউ) বাংলা বিষয় নিয়ে পড়ছেন। গত ২০১৫ সালে পরিবারসহ ফরিদপুরে আসা। তাই বাগানে বড় ছোট সব গাছই ছিলো। হঠাৎ করে তার বাবা ঢাকা চলে যান কর্মসূত্রে, ভাইও ভিন্ন স্থানে  এজন্য তার মা বাড়িতে চলে যায়। যেহেতু মেসে থাকেন তিনি তাই বাগান করাটা একটু চ্যালেন্জ তার জন্য। তার বাসার বাড়িওয়ালা আন্টি এগুলো একদমই পছন্দ করে না, তাই বড় গাছ আর রাখা হয়না। অল্প হলেও আলহামদুলিল্লাহ তিনি শখ মেটানোর পাশাপাশি বিক্রিও হচ্ছে, তিনি গাছ সংগ্রহ করে এবং পরিচর্যা করেন। তবে সবগাছই এক্সট্রা রাখে এতে করে তার বাগান করার শখটাও মিটে যায়।বাড়িওয়ালা রাখতেই দিতে চায় না, অনেক বুঝিয়ে রেখেছেন তিনি তারপরও মাঝেমাঝেই সেটা নিয়ে কথা শুনতে হয় তাকে। হয়তো খুব শীঘ্রই এখান থেকে শিফট হতে হবে তাকে তার নতুন ঠিকানায়। তিনি জানান তিনি নতুন নতুন বাগানি তৈরি করেছে ফরিদপুর শহরে মিনিমাম ৩০/৪০ জনকে। তার পরিকল্পনা নতুন নতুন বাগানি তৈরি করা, তাই রিজনেবল প্রাইসে শিক্ষার্থীদেরকে গাছ দেয় এটা অব্যাহত থাকবে, তাছাড়া ইচ্ছা আছে ভার্টিক্যাল নার্সারি বা ডিজিটাল নার্সারি করার। কারন ফ্লাটবাসায় চাইলেই বড় গাছ রোপন করা সম্ভব না। ২০১৬ সাল থেকে কাজ শুরু করে তিলে তিলে সাজিয়েছেন  এই ছাদ বাগান । এই বাগান করার সময় তাকে তার সসহপাঠী , বন্ধুবান্ধব সহ সকলেই এ কাজে তাকে সহায়তা করেছেন। তিনি যেখানে যে প্রজাতির গাছ পেয়েছেন তাই সংগ্রহ করেছেন। বিভিন্নস্থানের বন-জঙ্গল থেকে তুলে এনেছে অনেক গাছ। অনেকেই এই  এসব কাজ দেখে প্রথমে হেসেছেন। কিন্তু তিনি  থেমে থাকেনি। সে তার নিজের করেই  কাজ চালিয়ে গেছে। আমরা চাইলে প্রত্যেকেই আমাদের ছাদগুলোকে এভাবে সাজাতে পারি। তাতে প্রাকৃতিকভাবে যেমন আমরা হবো সবল, তেমন অর্থনৈতিকভাবে তৈরি করতে পারি সফলতা। আমার চাইলে আমাদের নিজের বাড়িতে ছোট ছোট করে বাগান তৈরি করতে পারি।

0

ফরিদপুরে প্রান্ত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার

ফরিদপুরের কলেজ ছাত্র প্রান্ত মিত্র হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করেছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ। আজ বুধবার ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শাহজাহান পি পি এম সেবা হত্যাকান্ড নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মূল হত্যাকারী (১)মোঃ সজীব শেখ পিতা মোঃ শাহীন শেখ, সাং গুহলক্ষীপুর,২ ইস্রাফিল  মল্লিক (৩৪) পিতা: মৃত আবু তালেব মল্লিক, সাং মমিন খার হাট, বর্তমান ঠিকানা আলিপুর বাদামতলি সড়ক ৩ মো: সিফাতুল্লাহ বেপারী (১৯) পিতা লিটন বেপারী, সাং টেপাখোলা গোলাপদি মাতুব্বরের ডাঙ্গী, ৪ মোঃ মাসুম শেখ (৩৪) পিতা মৃত শেখ আবদুস সামাদ শেখ সাং গুহ লক্ষীপুর। সকলের বাড়ি ফরিদপুর সদর উপজেলাতেই।

ছবি: মেহেদী হাসান হৃদয়

গত ২৫/০৭/২৩ তারিখে আনুমানিক রাত ২টার সময় প্রান্ত তার বন্ধু হৃদয় এর বোনের ডেলিভারী সংক্রান্ত জটিলতায় সাহায্য করার জন্য নিজ বাড়ি হতে ভাঙ্গা রাস্তার মোড় হতে রিক্সায় করে শিশু হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয় পথে আলিপুর গোরস্থান সংলগ্ন ব্রিজের ঢালুতে নামার সময় ছিনতািই কারিরা তার রিক্সা থামিয়ে তার কাছ থেকে নগদ অর্থ,  একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় প্রান্তর সাথে ছিনতাই কারিদের ধস্তাধস্তি হয়  এক পর্যাযে ছিনতাইকারি প্রান্তোর বুকের বাম পাশে এবং পেটে উপরিভাগে ধারালো অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে পালিয়ে যায়। প্রান্ত ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত অবস্থায় মৃত্যুবরন করে। রাত ৩টা ২০ মিনিটে পুলিশ সংবাদ পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করে।

ছবি মেহেদী হাসান হৃদয়

 

পুলিশ সুত্রে জানা যায় একই রাতে ফরিদপুর শহরে এই চক্রটি একাধিক ছিনতাই এর ঘটনা ঘটায়। আটককৃত আসামীদের কাছ  থেকে ছিনতাই এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করেছে। নিহত প্রান্ত মিত্রের মা হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

0

মরক্কোতে থিয়েটার উৎসবে সেরা অভীনেত্রীর স্বীকৃতি পেলেন মৌসুমী মৌ

মরক্কোয় সেরা মূকাভিনয় শিল্পীর পুরস্কার পেলেন মৌসুমী মৌ

মরোক্কোতে অনুষ্ঠিত ৩৫তম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থিয়েটার উৎসব ২০২৩ এ প্রতিযোগিতা ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার সন্তান মৌসুমী মৌ । ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন (ডুমা) ‘অস্বীকৃতি’ দিয়ে এ সম্মাননা পান মৌ। শাহরিয়ার শাওনের নির্দেশনায় ‘অস্বীকৃতি’ পরিবেশন করে সেরা নারী অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কার পেলেন মৌসুমী মৌ।

সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার  ফরিদপুরবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। মরক্কোর কাসাব্লাংকা শহরে হয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। মরক্কোর প্রাচীন শহর কাসাব্লাংকায় অবস্থিত দ্বিতীয় হাসান ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ৩৫তম নাট্যোৎসব। এতে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, মরক্কো, তিউনিসিয়া ও সৌদি আরবের শিল্পীদের পাশাপাশি অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের শিল্পীরা।

0

একজন হকি পেনাল্টি জাদুকর মামুনুর রহমান চয়ন

 

একজন পেনাল্টি জাদুকর মামুনুর রহমান চয়ন।

আমাদের ফরিদপুর এর গর্ব তথা বাংলাদেশের গর্ব। যিনি ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক হকি থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। বাংলাদেশের হকিতে ফরিদপুরের অবদান অসামান্য। পুরোনো ঢাকার পরই দেশের একসময় সবচেয়ে বেশি হকি খেলোয়াড় উঠে এসেছে আমাদের ফরিদপুর জেলা থেকে,বিশেষ করে ফরিদপুর সদর উপজেলার কমলাপুর এলাকা থেকে। যার সর্বশেষ দুই বড় তারকা ছিলেন ইসা ও মুসা দুই ভাই। তাদের জন্ম ফরিদপুর সদর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে, চয়নও এই কমলাপুরেরই সন্তান। চয়নের বাবা ছিলেন একজন চাকরিজীবি। তবে হকির সাথে পারিবারিক একটা সম্পর্ক ছিলো। চাচা আরিফুর রহমান ঢাকায় হকি খেলতেন। তিনি ওয়ারি ক্লাবেও খেলেছেন। চয়ন, চাচার দেখাদেখি হকি খেলতেন। জাতীয় দলে সহ-অধিনায়ক ছিলেন লম্বা সময়। এরপর বছর তিনেক অধিনায়কত্ব করেছেন চয়ন। এশিয়া কাপ বাছাইপর্ব, এশিয়ান গেমস, বিশ্ব হকি লিগে অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি। এর মধ্যে ৪০ বছর পর দলকে এশিয়ান গেমসে ষষ্ঠ করতে পারাটাই ক্যারিয়ারের সেরা অর্জন বলে মনে করেন তিনি। তিনি চারটি এশিয়ান গেমসে খেলা মামুনুর রহমান চয়ন। ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক হকি থেকে বিদায় নিলেন দেশের হকি অঙ্গনের সিনিয়র পেনাল্টি কর্নার (পিসি) স্পেশালিস্ট। তবে ঘরোয়া হকিতে খেলছেন এখনও।মামুনুর রহমান চয়ন এর জন্য আমরা গর্বিত তবে আজ পর্যন্ত আমরা ফরিদপুর এর পক্ষ থেকে চয়নসহ ফরিদপুর এর অন্যান্য হকি প্লেয়ারদের কোনো সংবর্ধনা দিতে পেরেছি কি না মনে পরে না। তবে তার প্রতি আমাদের যে ভালোবাসা, আশাকরি তার হৃদয় স্পর্শ করবে। সেই সাথে আমাদের কমলাপুর থেকে উঠে আসা অন্যান্য সকল হকি প্লেয়ার যারা আছেন তাদের প্রতিও অকৃত্রিম ভালোবাসা।আমাদের ফরিদপুর জেলা হতে যেসকল হকি প্লেয়ার উঠে এসেছেন তার মধ্যে অধিকাংশই ফরিদপুর সদর উপজেলার কমলাপুরের বাসিন্দা।

যেসকল হকি খেলোয়ার ফরিদপুর থেকে খেলার সুযোগ পেয়েছেন এবং দেশের জাতীয় হকি খেলাকে সমৃদ্ধ করেছে তারা হচ্ছেন তুর্য মাহাবুব হারুন, আরিফুর রহমান,শরাফত,ইয়ামিন ,ইউসুফ, জিহাদ , রুবেল, জাবেদ, সালাম,মোঃএ কে এম খালেদ,ইসা,মুসা, মামুনুর রহমান চয়ন,কৌশিক আহমেদ,হাসান,রুবেল,সাব্বির ইউসুফ,আলমগীর চুন্নু,নান্নু,ফুয়াদ ইউসুফ, বায়েজিদ আহমেদ, কামরুল আহসান, এজাজ,মিরাজুল, গিয়াস উদ্দীন রুবেল, আশিকুর রহমান,হায়দার,ফজলুল কবির চাঁদ ,কাজী শামীম জা‌বেদ,সালাম। এখানে অনেকেই আছে যারা জাতীয় হকি দলে বিশেষ অবদান রেখেছেন, অধিনায়কত্বও করেছেন তাদের সকলের প্রতি জানাচ্ছি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।

0

১৮৯৭ সালের পানি শোধনাগার ফরিদপুর পৌর এলাকার

১৮৯৭ সালে নির্মিত পানি শোধনাগার।ফলকে লেখা আছে DHANMONI CHOWDHRANIS FILTER লেখাটি আজও অক্ষত রয়েছে। ভাবা যায় ১৮৯৭ সালে ফরিদপুর পৌর এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য পানি শোধনাগার ছিলো এবং পাশেই পাম্প হাউজ ছিলো।এটির অবস্থান জুবিলী ট্যাংক এর দক্ষিন প্রান্তে বিদ্যুৎ অফিসের দেয়াল সংলগ্ন। অম্বিকা মেমোরিয়াল হলের পুরাতন ভবন সংলগ্ন কিছু পরিত্যক্ত পানির চৌবাচ্চা (ট্যাংকি) ছিলো যা অনেক আগেই ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিলো নতুন অম্বিকা মেমোরিয়াল হল নির্মাণকালে।তবে কালের সাক্ষি হয়ে টিকে আছে পরিত্যাক্ত এই শোধনাগার দুটি।রানি ভিক্টোরিয়ার ৫০ বর্ষ পূর্তিকালে জুবিলী ট্যাংক খনন করা হয়েছিলো, ধারণা করা হচ্ছে ৬০ বর্ষ পূর্তিতে এই শোধনাগার নির্মাণ করা হয়েছিলো তবে ফলকে যার নাম উল্লেখ রয়েছে তার সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। হতে পারে তিনি অর্থ দিয়ে নির্মাণ কাজে সহায়তা করেছিলো অথবা জমি দান করেছিলো অথবা বিশেষ কোনো ব্যক্তি।আমাদের এই অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে কেউ যদি কোনো তথ্য দিয়ে আমাদের সহায়তা করতে চান তাহলে আনন্দিত হবো।ফরিদপুরকে দেখুন, ফরিদপুরকে জানুন। ১৮৯৭ সালের ২২ জুন ইংল্যান্ডের রাণী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তার রাজত্বের হীরক জয়ন্তি ( Diamond Jubilee) পালন করার সময়ে এই পুকুরটি খনন করা হয় বলে এটার নাম দেয়া হয় জুবলি ট্যান্ক। তখন বৃটিশের রাজত্ব ছিল।এই পুকুরের পানি পরিশোধন করে অভার হেড ট্যাঙ্কে তুলে শহরে খাবার পানি সরবরাহ করা হতো। রাজেন্দ্র কলেজের পাশে নতুন ট্যান্ক করার আগে ১৯৬৫ সাল পর্য্যন্ত তা চালু ছিল। (তথ্য: মোহাম্মদ ইদ্রিস) 

0

পিপরুল জামে মসজিদ

পিপরুল জামে মসজিদ, তালমা ফরিদপুর 

ছবি জনাব Nazmul Kabir কন্ট্রিবিউটর

 Coordinates : 23°29’04.6″N 89°51’30.6″E নইমুদ্দিন খান বাহাদুর চৌধুরী ১৭১৭ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন । মসজিদের গম্বুজের উপরে পিতল দ্বারা আবৃত ছিল তাতে খোদাই করে মসজিদ নির্মাণের সন ১৭১৭ উল্লেখ ছিল। মসজিদের সামনে একটি সীমানা পিলার ছিল তার গায়েও ১৭১৭ লেখা ছিল। উল্লেখ্য মসজিদ সংস্কারের জন্য টাকার প্রয়োজন হলে সেই পিতলের আবরণ খুলে বিক্রি করা হয়। ফরিদপুরকে দেখুন, ফরিদপুরকে জানুন।

0

ঈশান চন্দ্র ঘোষ

ছবি: বিশাল খান

ঈশাণ চান্দ্র ঘোষ এবং ঈশান চন্দ্র স্টেট যা বর্তমানে খরসূতি উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচিতঃপাক ভারত উপমহাদেশে তৎকালীন সময়ে যে সকল মহাপুরুষ ছিলেন তার মধ্যে ঈশানচন্দ্র ঘােষের নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখযােগ্য। ঈশান চন্দ্র ঘােষকে মূলত একজন শিক্ষাবিদহিসেবে মূল্যায়ন করা হয়। কিন্তু এ কথা অনস্বীকার্য যে, এই মনিষীকে শুধু মাত্র শিক্ষাবিদের গন্ডীতে আবদ্ধ রেখে তার বহু মূখী প্রতিভাকে শুধুমাত্র অবমূল্যায়ন করার অপপ্রয়াস চালানো ছাড়া আর কিছু নয়।কেননা বহু ভাষাবিদ ঈশান চন্দ্র ঘােষ শুধুমাত্র শিক্ষাবিদই ছিলেননা, তিনি একাধারে ছিলেন,শিক্ষক, সাহিত্যিক, ঐতিহাসিক দার্শনিক অপর দিকে ছিলেন, ব্যাবসায়ী ও সমাজসংস্কারক।সঙ্গত কারনেই ঈশান চন্দ্র ঘােষকে মূল্যায়ন করতে হয় আমাদের অন্তদৃষ্টি দিয়ে। কেননাতার চিন্তা চেতনা শুধুমাত্র নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ভেরতই সীমাবদ্ধ ছিলাে না, তিনিগঠণমুলক দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে সমাজকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে এগিয়ে গেছেন সমাজের প্রত্যেকশাখায়।জন্ম পরিচয়ঃ ঈশান চন্দ্র ঘােষ ১৮৫৮ সালের মে মাসে (তৎকালীণ যশাের জেলার)বােয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের অন্তর্গত খরসুতি জন্ম গ্রহন করেন। ৮ ভাই-বােনের ভেতর ঈশান চন্দ্রাই ছিলেন জেষ্ঠ্য। পিতা ছিলেন একজন দরিদ্র স্বল্প বেতনেরগােমস্তা। মাত্র দশ বছর বয়সে ঈশান চন্দ্র পিতৃহারা হন এবং মা কালীতারা দেবী কন্যা পুত্রসন্তানদের নিয়ে দারুণ মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকেন।পরিবারিক ইতিহাসঃ ঈশান চন্দ্র ঘােষের পারিবারিক ইতিহাস তেমন কিছু পাওয়া যায় না ।তবে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. সুবােধ চন্দ্র সেনগুপ্ত থেকে জানা যায়, ঈশান চন্দ্রের প্রায় ছয় সাতপুরুষ খরসূতি গ্রামেই বসবাস করতেন।শিক্ষাজীবনঃ ইশান চন্দ্র ঘোেষ ছাত্রজীবনে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসেবে কৃতিত্বের সাক্ষররেখেছেন। গ্রামের পাঠশালায় শিক্ষাবন্ত হলেও পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে তিনি গ্রামছেড়ে একই থানার বঙ্গেশ্বর ফ্রি মাইনর স্কুলে ভর্তি হন এবং পরবর্তী ১৮৭৭ এ ফরিদপুরজেলা স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন। এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। উচ্চ শিক্ষা লাভেরআশায় পরবর্তীকালে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে কোলকাতার মেট্রোপলিটন ইনষ্টিটিউশন থেকেবৃত্তি সহ এফএ এবং জেনারেল ইনষ্টিটিউশন থেকে বিএ পাশ করেন। ১৮৮২ সালেকৃতিত্বের সঙ্গে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ পাশ করে।বিবাহঃ ঈশান চন্দ্র ঘােষ ১৮৭৪ সালে মাত্র পনেরাে বছর বয়সে বিয়ে করেন। বঙ্গেশ্বরদীগ্রামের গঙ্গাধর নাগের প্রথমা কন্যা শশীমুখির সঙ্গে ইশান চন্দ্রের বিয়ে সম্পন্ন হয়।কর্মজীবনঃ ঈশান চন্দ্রের কর্মজীবন সম্পর্কে বলতে গলে তার জীবনকে কয়েকটি ভাগে ভাগ।সাহিত্যিক ঈশান চন্দ্র।করতে হয়, তা হলাে শিক্ষক ইশান চন্দ্র, ব্যবসায়ী ঈশান চন্দ্র অপরদিকে শিক্ষাবিদ,হিসেবে বেছে নিলেন এবং ১৮৮২ সালের প্রথম দিকে নড়াইল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক,ঈশান চন্দ্র ও সমকালীন মূল্যায়নঃ ঈশান চন্দ্র শিক্ষা শেষে প্রথমেই তিনি শিক্ষকতা পেশা।পরবর্তীতে কিছু কাল বােয়ালমারী জজ একাডেমীর প্রধান শিক্ষক হিসেবে যােগদান করলেও কিছুদনি পর তিনি কোলকাতায় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিভাগের ডেপুটি স্কুলে ইন্সপেক্টর পদে চাকরি গ্রহণ করেন। অতঃপর প্রায় ৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর ১৯১৬ সালে ব্রিটিশ সরকারের সিদ্ধান্তে ঈশান চন্দ্র যিনি প্রথম বাঙালি কোলকাতা ডেভিড় হেয়ার স্কুলের প্রধানশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।১৯২১ সাল থেকে ১৯২৫সাল পর্যন্ত ঈশান চন্দ্র নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সভাপতিহিসেবে বিশেষ দায়িত্ব পালন ছাড়াও ফাঁকে ফাঁকে বিভিন্ন সংবাদপত্রে লেকালেখি নিয়েদারুণ ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি সংস্কৃতি, পালি, হিন্দি, ইংরেজী ভাষা ছাড়াও এ সকল ভাষাসাহিত্যের দক্ষতার পরিচয় দেন।অবদানঃ সমাজ ও সাহিত্যে ঈশান চন্দ্র ঘােষের অবদান অপরিসীম। সমাজ উন্নয়নের জন্যেতিনি নানবিধ কাজ করেছেন। সুদূর কোলকাতায় থেকেও তার জন্ম মাটি খরসূতিকেকখনােই তিনি ভুলতে পারেননি। এ গ্রামেই তিনি প্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছেন মায়ের নামকালীতারা দাতব্য চিকিৎসালয়, পিতার নামানুসারে খরসূতি চন্দ্র কিশাের বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়। পানীর জলের জন্য ৪টি দিঘী, বেশ কিছু কালভার্ট, পুর নির্মাণ করেন। শুধুখরসূতিই নয় উপজেলার বঙ্গেশ্বরদীতে স্ত্রীর নামানুসারে শশীমুখি দাতব্য চিকিৎসালয়’স্থাপনসহ নির্মাণ করেন বেশ কিছু রাস্তা। সমাজ উন্নয়নের পাশাপাশি ঈশান চন্দ্র ঘােষ বাংলাসাহিত্যেও বিশেষ অবদান রাখেন। যার মধ্যে রয়েছে নতুন শিশুপাঠ’ ‘হিতােপদেশ’‘ভারতবর্ষের ইতিহাস’ ‘মহাপুরুষ চরিত’ ইত্যাদি। এ সকল গ্রন্থ তৎকালীন সময়ে প্রাথমিকও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগে বিশেষভাবে পাঠ্য ছিলাে। জানা যায়, এ সময় তিনি ইংরেজিতেওবেশ কিছু পাঠ্য পুস্তক রচনা ও সম্পাদনা করেন ।উল্লেখিত গ্রন্থসমূহ ঈশান চন্দ্র ঘােষের মূলকীর্তি নয়; তার মূলকীর্তি হলাে পালি ভাষা থেকে‘জাতক মালার’বঙ্গানুবাদ। জাতক’ আজ বাংলা সাহিত্যের দূর্লভ একটি গ্রন্থ। ঈশান চন্দ্রঘােষ সাহিত্যের পাশাপাশি কাব্য চর্চায় গভীর নিমগ্ন ছিলেন। তাঁর অসংখ্য কবিতা বিভিন্নগ্রন্থে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।মূল্যায়নঃ ঈশান চন্দ্র পাক-ভারত উপমহাদেশে একজন গুণী বুদ্ধিজীবিদের তালিকায় শীর্ষস্থানীয় । তাঁর জীবন পঞ্জিসহ বিভিন্ন লেখকের লেখা থেকে এরূপ প্রমাণ মেলে। নেতাজীসূভাষ চন্দ্র বসু, সুবােধ সেনগুপ্ত , মিঃ জেমসসহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তাঁর হৃদ্যতা ছিলােগভীর।শেষ জীবনঃ দীর্ঘকায়, শীর্ণ শরীরের অধিকারী এই মহান ব্যক্তিত্ব প্রথম জীবনে দারিদ্রতারভেতর থেকে আসলেও শেষ জীবনে অগাধ সম্পদ রেখে মাত্র ৭৭বছর বয়সে ১৯৩৫ সালের২৮ অক্টোবর দেহত্যাগ করেন।উল্লেখ্য, পশ্চিম বাংলার মূখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ঈশান চন্দ্রের পুত্র প্রফুল্ল ঘােষের কন্যা শ্রীমতিবাসন্তি ঘােষকে বিয়ে করেন।লোকেশানঃ খরসূতি চন্দ্রমুখী উচ্চ বিদ্যালয়,বোয়ালমারী, ফরিদপুর।

0

জুবিলী ট্যাংক এর ইতিহাস

জুবিলী ট্যাংক এর ইতিহাস

প্রকৃত পক্ষে জুবিলীর (Jubilee) অর্থ হলো উৎসব মুখর পরিবেশে জন্মতিথি পালন। আর এটাকে বাংলায় বলা হয় জয়ন্তী। ইংল্যান্ড এর রানি ভিক্টোরিয়ার শাসন আমলে ১৮৮৭ সালে ৫০ বছর পূর্তি (গোল্ডেন জুবিলী) বা রজতজয়ন্তী উৎসব পালন করা হয়েছিলো। তবে তার আগে ১৮৬২ সালে ২৫ বর্ষপূর্তিতে সিলভার জুবিলি উৎসবটি পালিত হয়নি। ১৮৬১ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার স্বামী মা*রা গিয়েছিলো।

ছবি মডারেটর তানভীর আহমেদ

 যেহেতু তখন ব্রিটিশ শাসন আমল তাই রানি ভিক্টোরিয়ার শাসন আমলের ৫০ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে ১৮৮৭ সালে গোল্ডেন জুবিলী উৎসবটি মহা-সোমারোহে পালিত হয়েছিলো। বিভিন্ন স্থানে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিলো।যেমন চিকিৎসা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা,কলেজ প্রতিষ্ঠা,মূদ্রা চালু, ইত্যাদি, আমাদের দেশেও তারই ধারাবাহিকতায় পাবনা জেলায় এবং ফরিদপুর সদর উপেজালার চৌরঙ্গিতে পুকুর খনন করা হয় যেহেতু জুবিলী উৎসবকে ঘিরে এই কার্যক্রম তাই নামকরণ করা হয়েছিলো জুবিলী ট্যাংক। জুবিলী উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখতে পাবনাতেও জুবিলী ট্যাংক খনন হয়েছিলো যা আজও আছে। চুয়াডাঙ্গায় ভিক্টোরিয়া জুবিলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় আজও রয়েছে।

ছবি: মডারেটর অভিষেক চৌধুরী

অম্বিকাচরণ মজুমদার ততকালীন সময়ে ফরিদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন জুবিলী উৎসব স্মরনীয় করে রাখতে ফরিদপুর শহরের মধ্যবর্তী স্থানে একটা বড় পুকুর খনন করা হয় জুবিলী উৎসব উপলক্ষে খনন করার কারনে নামকরণ হয়ে যায় জুবিলি ট্যাংক। শুধু তাই নয় এমন আরও ৩টি বড় পুকুর খনন করা হয়েছিলো ততকালীন সময়ে, একটি কাঠপট্টিতে,একটি কোর্ট পারে লাল দিঘী,অন্যটি পুলিশ হাসপাতাল সংলগ্ন পুকুর । এছাড়া ১৮৯৭ সালে ডায়মন্ড জুবিলী বা ৬০বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফরিদপুর পৌরবাসীর কথা বিবেচনা করে সুপেয় পানি সরবারাহের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। কালের সাক্ষী হয়ে ধবংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে সেই পানির ট্যাংক, রয়েছে মটরঘরও। জুবিলী ট্যাংক এর দক্ষিণ পাশে অবস্থিত বিদ্যুৎ অফিসের দেয়াল সংলগ্ন। আজও অক্ষত রয়েছে ট্যাংক এর নাম ফলক তাতে লেখা রয়েছে Dhanomoni Chowdhurani’s filterএই ধনমনী চৌধুরানী ছিলেন রায় সাহেব ঈশান চন্দ্র সরকারের বোন।ফরিদপুরকে দেখুন ফরিদপুরকে জানুন

ছবি মডারেটর অভিষেক চৌধুরী।