FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

সূর্যগ্রহণ ২০ এপ্রিল ২০২৩

২০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে পূর্ণ বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে শুরু হয়ে দুপুর ১২টা ৫৯ মিনিটে শেষ হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে গ্রহণটি দেখা যাবে না।

0

ফরিদপুরে বইছে মাঝারি তাপ প্রবাহ

আজ ১৩ই এপ্রিল ২০২৩  সকাল ০৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তথ্যসূত্র বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সিনপটিক অবস্থা: লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

পূর্বাভাস: অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

তাপ প্রবাহ: রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তাপমাত্রা: সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে ।

বেসরকারি তথ্য অনুযায়ি আবহাওয়া পরিস্থিতি:

১২ থেকে ৩০শে এপ্রিল ২০২৩ দেশে বইছে তাপপ্রবাহ যা আরও কিছুদিন চলবে

মৃদু তাপ প্রবাহের মাত্রা ৩৬-৩৮° (ডিগ্রি)সেলসিয়াস পর্যন্ত যেতেপারে।

মাঝারি তাপপ্রবাহ যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠে যেতে পারে, ৩৮-৪০° (ডিগ্রি) সেলসিয়াস পর্যন্ত ভোলা রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম, ফেণী, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার বান্দরবান,বরগুনা, পটুয়াখালী, মাদারীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, , নরসিংদী, শরিয়তপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা, লন্সীপুর, বরিশাল, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, ঝালকাঠি,  কুমিল্লা  ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা।

তীব্র তাপপ্রবাহ যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ৪০- ৪৪° সেলসিয়াস পর্যন্ত যেতে পারে, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রংপুর, ঠাকুরগাঁও মেহেরপুর,  পাবনা, নাটোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, যশোর, নড়াইল, মাগুরা, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, নওগাঁ, জয়পুরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা।

0

পদ্মা সেতুতে উঠলো পরীক্ষামূলক ট্রেন

পদ্মা সেতুতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চললো আজ আর এই বিশেষ  ট্রেনের চালক হয়ে ইতিহাসের অংশ হয়েছেন লোকো মাস্টার রবিউল ইসলাম।যাত্রার উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ভাঙ্গা রেল স্টেশন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে  ট্রেন যাত্রা শুরু করে দুপুর ১টা ২১ মিনিটে। রেলমন্ত্রী জানান সেপ্টেম্বরে মাওয়া থেকে ভাঙ্গা রুটে যাত্রী চলাচল শুরু করবে। 

প্রতিবেদক: তানভির হোসেন।

0

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩ ভূষিত হলেন মরহুম লে: এ. জি. মোহাম্মদ খুরশীদ

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩’  তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ফরিদপুরের কৃতি সন্তান মরহুম লে: এ. জি. মোহাম্মদ খুরশীদ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩এ ভূষিত হলেন। পাকিস্তান আমলে ষাটের দশকে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে  আগর তলা ষড়যন্ত্র মামলা করেছিল, তাতে অন্যতম আসামি হিসেবে তৎকালীন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন লে: এ. জি. মোহাম্মদ খুরশীদও ছিলেন। পরবর্তীতে গণআন্দোলনের তোড়ে পাকিস্তান সরকারের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে গিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে ৯ নম্বর সেক্টরের একটি সাব সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন তিনি। তিনি ১৯৩৯ সালের ফরিদপুরের বর্ত মানের কমলাপুরে সাবের কটেজে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২রা জুলাই ২০২০ সালে ৮৩ বছর বয়সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তৎকালীন পাকিস্তানের নৌবাহিনীর অফিসার পদে নিযুক্ত থাকার সময়ই তিনি বাংলাদেশ স্বাধীকার আন্দোলনের যোগ দেন এবং পাকিস্তানী শাষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গোপনে নৌবাহিনীর সদস্যদের সংগঠিত করার দায়ে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ১৮ নং অভিযুক্ত হিসেবে দুবছর কারাভোগ করেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ক্যাম্প কমান্ডারের দায়িত্ব পান এবং নৌবাহিনীর একটি কমান্ডো ইউনিট গঠন করেন। ১৯৭১ সালের ৯ই ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী কর্তৃক সাব ডিভিশনাল কমান্ডারের দায়িত্ব পান। তার উল্লেখিত প্রকাশিত গবেষনা প্রবন্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার দলীলপত্র, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব, সত্যমালমা আগরতলা উল্লেখযোগ্য। নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মরহুম লে: এ. জি. মোহাম্মদ খুরশীদ এর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো।

0

কাঠের পুল বা চায়না পুল

ঠিক এই স্থানেই ছিলো কাঠের ব্রিজ ১৯৭১ সালের আগে। এখানেই ছিলো ফরিদপুর খাল, বর্তমান হাসিবুল হাসান লাবলু সড়ক যেটি, সেটি ছিলো একটি প্রবাহমান খাল যেটি চুনাঘাটা কুমার নদ হতে এসে পাচতারা হোটেল এর পেছনে কুমার নদের সাথে যুক্ত ছিলো এখনও আছে তবে ড্রেন হিসেবে এখন আর স্বচ্ছ পানির প্রবাহ নেই।

বর্তমান পাচতারা হোটেল পূর্বের লাবনী হোটেল ছিলো যেখানে, ঠিক এই স্থানেই খালের উপরে একটি কাঠের ব্রিজ ছিলো স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত। সেই ব্রিজ দিয়ে গরুর গাড়ি চলাচল করতো অম্বিকাপুর রেলস্টেশন থেকে পণ্য আনা নেয়া করতো সেসব গরুর গাড়িতে করে। বর্তমান বান্ধব পল্লীর সামনে ততকালীন সময়ে গরুর গাড়ির স্ট্যান্ড ছিলো, পাশেই গারোয়ানদের বসবাস ছিলো, এছাড়াও গোয়ালচামট এলাকাতেও অসংখ্য  গোয়ালঘর ছিলো, গরুর গাড়িও ছিলো বর্তমান নতুন বাস স্ট্যান্ড এর সামনে ২নং সড়কের সামনেও গরুর গাড়ির স্ট্যান্ড ছিলো। গোয়ালচামট এলাকাতে ইট ভাটা থাকায় গরুর গাড়িতে করে ইট ভাটা থেকে ইট আনা নেয়া করতো। তখন আলিমুজ্জামান সেতু যাকে আলিপুর ব্রিজ বলে চিনে থাকে সবাই সেই ব্রিজ ছিলো না গোয়ালচামট এলাকাকে যুক্ত করেছিলো বেইলি ব্রিজ যেটি ময়রাপট্টি থেকে শরিয়াতুল্লাহ বাজার পর্যন্ত এখনও চালু আছে তবে আগের বেইলি ব্রিজটি কিন্তু নেই বর্তমান বেইলি ব্রিজের পাশেই পুরাতন বেইলি ব্রিজের অংশ বিশেষ, পিলারগুলো আজও কালের সাক্ষি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

1

ফরিদপুরের রানওয়ে

অনেকেরই অজানা এই বিমান ঘাটির রানওয়ে সম্পর্কে, ফরিদপুর সদর উপজেলার ভাজনডাঙ্গা নামক গ্রামে অবস্থিত, বর্তমানে গুচ্ছগ্রাম নামে পরিচিত স্থানটি। রানওয়েটি পাকিস্তান আমলে প্রশিক্ষণ বিমান উঠানামার কাজে ব্যবহৃত হতো। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিদের সাথে আলাপ করে তার সত্যতাও মিলেছে।  তছিরন্নেছা (বিহারি)  বয়স ৮০ বছর তিনি জানান এখান থেকে ছোট ছোট প্লেন আকাশে উড়ে যেতো আবার নেমে আসতো। বিমান উঠানামা নিয়মিত ছিলো না হঠাৎ আসতো যখন প্রশিক্ষণ সেশন চলতো তখন। সি প্লেনও উঠানামা করতো, এখান থেকে উড়ে যেতো আবার  ভুবনেশ্বর নদে গিয়ে নামতো (বর্তমান টেপাখোলা লেকে)। ভুবনেশ্বর নদের প্রবীণ জেলে বিশ্বনাথ মাঝি জানান তিনি বর্তমান টেপাখোলা লেকে  সি প্লেন নামতে দেখেছেন, তখন ভুবনেশ্বর নদে বড় বড় স্টিমার, ট্রলার, প্যাডেল বোট, আসতো বলেও জানা যায়। ১৯৮৮ সালের দিকে এরশাদ সরকারের আমলে এই পরিত্যক্ত রানওয়েতে নদী ভাঙ্গা অনেক পরিবারকে থাকার ব্যবস্থা করে দেন তিনি ফরিদপুর এসেছিলেন তখন। তারপর থেকেই এই রানওয়ের দুপাশে ঘরবাড়ি গড়ে উঠেছে শুধুমাত্র রানওয়েটি রয়েছে কালের সাক্ষি হয়ে।

যেভাবে যাবেন: ফরিদপুর শহর থেকে প্রথমে আসতে হবে টেপাখোলা বাস স্ট্যান্ড যদিও বাস চলে না তবে নামটি আজও রয়েছে ,বাস স্ট্যান্ড থেকে নদীর তীর ধরে বেরিবাধ সড়ক পথে সোজা চলে আসা যায় গুচ্ছ গ্রামে। আবার টেপাখোলা স্ট্যান্ড থেকে ইজিবাইকে করে ভাজনডাঙ্গা কবরস্থান সংলগ্ন বাজারে নেমে গিয়ে কিছুটা হেটেও যেতে পারবেন এই স্থানে।

গুগল ম্যাপ লিংক https://goo.gl/maps/dh3RWBwKGACiTnCF9

0

চুনাঘাট

ফরিদপুর জজ কোর্ট ভবন নির্মান এর সময় জাহাজে করে চুনাপাথর আনা হতো সেই চুনাপাথর বর্তমান চুনাঘাট ব্রিজের এখানেই জাহাজ নোঙ্গর করতো । তখন কোনও সেতু ছিলো না শুধুমাত্র ঘাট ছিলো।  চুনাপাথর রাখা হতো ঘাটের সন্নিকটে সেখান থেকে ছোট ছোট বাহনে করে পাথর নিয়ে আসা হতো জজ কোর্ট নির্মান কাজে। এভাবেই ‍এই ঘাটে যাওয়া আসা করা বাসীন্দাদের মুখে প্রচলিত হয়ে যায় চুনাঘাট। পরবর্তীতে সেখানে সরু একটি সেতু নির্মান করা হয়েছিলো যেনো একটি গরুর গাড়ি চলাচল করতে পারে। কারন তখন গরুর গাড়ি ঘোরার গাড়িতে করে পণ্য আনা নেয়া করা হতো। সেই সেতু ভেঙ্গে বর্তমানে বড় একটি সেতু নির্মান করা হয়েছে। ‍উন্নত হয়েছে যাতায়াত ব্যবস্থা

0

খান সাহেব ওয়াহিদুন্নবী

খান সাহেব ওয়াহিদুন্নবী :

খান সাহেব ওয়াহিদুন্নবীর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা থানার বুড়াইচ গ্রামে ১৮৭৩ সালে। পিতা নুরুন্নবী। তিনি ছিলেন আন্ডার ম্যাট্রিক। তবে ইংরেজী বলায় ও লেখায় খুবই পারদর্শি ছিলেন। তার ছোট ভাই আই,সি,এস খান বাহাদুর আছাদুজ্জামান। খান সাহেব ওয়াহিদুন্নবী ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার শাহবাগে মুসলিম নেতাদের এক অধিবেশনে যোগদান করেন। এই অধিবেশনে মুসলীগ লীগ গঠিত হয়। সম্মেলনে ফরিদপুর শহরের কৈজুরীর খান সাহেব ওয়াহিদুন্নবী প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ফরিদপুর বরিশাল ও পাবনার জমিদার ছিলেন। খান সাহেব ওয়াহিদুন্নবী ত্রিশ বছর ফরিদপুর কোর্টের অবৈতনিক বিচারক, লোকাল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ও কৈজুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৬৪ সালে মৃত্যুবরন করেন

0

মোতাহার হোসেন

মোতাহার হোসেন :

মোতাহার হোসেন এর জন্ম ১৮৯৮ সালের জানুয়ারী মাসে ফরিদপুর শহরের লক্ষ্মীপুর ইয়াসিন মঞ্জিলে। পিতা ইয়াসিন জমাদার ছিলেন মুসলিম জমিদার ও ব্যবসায়ী। তিনি প্রথম বিভাগে এন্ট্রান্সপাশ করে রাজেন্দ্র কলেজে প্রথম ব্যাচে ভর্তি হন। শিক্ষা শেষে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন। বার্মার সংগে রসুনের ব্যবসা করতেন, ২বার ফরিদপুর পৌরসভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কমিশনার নির্বাচিত হয়েছিলেন। মোতাহার হোসেন ফরিদপুরে আলীপুর গোরস্থানের প্রতিষ্ঠাতা এই জমির দলিল তার নামে ডিড করা। গোরস্থান স্থাপনের সময় হিন্দু জমিদার কর্তৃক বিরোধিতার মুখে পড়েন এবং নানারকম ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন তৎকালীন এসডিও নোমান সাহেবের হস্তক্ষেপে গোরস্থানের বিষয়টি সুরাহা হয়। বৃটিশ শাসনামলে অনারারী পুলিশ অফিসার ও জুরী বোর্ডের সদস্য ছিলেন। ইয়াসিন জামে মসজিদ, ইয়াসিন কলেজসহ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে তাঁর যথেষ্ট অবদান রয়েছে। ফরিদপুরের মুসলিম জমিদার ইয়াসিন জমাদার ও অন্য প্রভাবশালী জমিদার তকি মোল্লা আত্মীয়তা করে ক্ষমতার সমান্তরাল পরিবেশ ফিরিয়ে আনেন, প্রভাব প্রতিপত্তিসহ যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেন। তকি মোল্লার বড় মেয়ে ইয়াসিন জমাদারের বড় ছেলে মোতাহার হোসেনের সহিত বিয়ে হয়। নাজমুল আহসান শাহজাহান উভয় পরিবারের বড় নাতি। তিনিও ফরিদপুর রোটারী ক্লাব, জসীম ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সংগে যুক্ত থেকে সমাজসেবা করে যাচ্ছেন। মোতাহার হোসেন ১৯৯৮ সালে ২৮ জুন ৯৯ বছর ৯মাস বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

0

বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম

 

বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জন্ম ১৮৯০ সালে ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার বিষ্ণুপুর গ্রামে। বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম ১৯১৪ সালে বরিশাল জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন । ম্যাট্রিক পরীক্ষায় দু’টি স্বর্ণপদক পান। ১৯১৬ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এ ও ১৯১৮ সালে একই কলে থেকে ইংরেজীতে বি.এ (অনার্স) পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ পাশ করেন। ১৯২২ সালে ঢাকা ‘ল’ কলেজ থেকে বি.এল পাশ করে প্রথমে ফরিদপুরে পরে ঢাকা বারে আইন ব্যবসায় যোগদান করেন। ১৯৩৯ সালে বিচার বিভাগে চাকরীতে যোগদান করেন। বরিশাল, যশোহর এবং ঢাকা জেলা জজ হিসেবে চাকরীতে থাকাকালীন সময়ে ১৯৫০ সালে ঢাকা হাইকোর্ট বিচারপতি নিযুক্ত হন। শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন চলাকালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান অস্ত্র প্রয়োগের ভয় দেখালে তাঁর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করেন। মোহাম্মদ ইব্রাহিম ছিলেন একজন প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবী। অবসরের পূর্বে ১৯৫৬-৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যালেন্সর নিযুক্ত হন। কিছুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষকতা করেন। তিনি পাকিস্তান সরকারের আইনমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর জামাতা এদেশের একজন প্রখ্যাত আইনজ্ঞ ব্যারিষ্টার ইশতিয়াক আহমেদ এবং কন্যা ডঃ সুফিয়া আহমেদ জাতীয় অধ্যাপক।