হেলিকপ্টার দূর্ঘটনা

আজ থেকে ৫৭ বছর আগে ফরিদপুরের গোয়ালচামট চকে ঘটেছিলো মর্মান্ত্রিক এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা। ২৪ জন যাত্রীর মধ্যে ২৩ জনই মারা যায়, তবে আলৌকিকভাবে বেচে গিয়েছিলেন ১জন ব্যক্তি তিনি আজও বেচে আছেন, জানবো তার পরিচয় ।
পাকিস্তান আমলে ফরিদপুর গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত হেলিপোর্ট এ নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করতো। লোক মুখে শোনা যায় হেলিকপ্টারটি শকুনের পাখার সাথে বারি খেয়েছিলো। ফরেনসিক রিপোর্টেও সে কথার সত্যতা পাওয়া যায়। নিহতদের অনেকের কবর ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিপুর গোরস্থানে এখনও রয়েছে, কবরটিতে নিহতের নাম এবং ঘটনার সাল তারিখ উল্লেখ আছে। হেলিকপ্টার বিধস্ত হবার পর থেকে হেলিপোর্টে আর পরিবহন হেলিকপ্টার ওঠা নামা করেনি। যাত্রীদের থাকার জন্য পাশেই গড়ে উঠেছিলো হোটেল যার নাম ছিলো ‘ প্রান্তিক’ সেখানে থাকার সুবিধাও ছিলো। বর্তমানে সেটি র্যাব ৮ এর ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
হেলিপোর্টটি ৯০ সালের পরে ট্রাক স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হতো বর্তমানে সেখানে আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণ হয়েছে, হেলিপোর্ট এর পাশেই আজও কালের সাক্ষি হয়ে দারিয়ে আছে একটি ওয়্যারলেস, তবে সেটি ঝুকিপূর্ণভাবে রয়েছে।
১৯৬৬ সালের ২রা ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স S-61N মডেলের একটি পরিবহন হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে ক্রুসহ ২৪ জন যাত্রী নিয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়, ১মে ফরিদপুর যাত্রী নামিয়ে তারপর কুষ্টিয়া যাবার কথা ছিলো। ফরিদপুর আসতে হেলিকপ্টারে সময় নিতো ২২ মিনিট। দিনটি ছিলো বুধবার, দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে হেলিকপ্টারটি ফরিদপুর হেলিপোর্ট হতে ৩.৭৫(পৌনে ৪ মাইল) দুরে তুলা গ্রাম নামক এলাকায় এসে শকুনের পাখার সাথে আঘাত লাগে, বিকট শব্দে ভেতরে থাকা যাত্রীরা আতংকিত হয়ে যায়, হেলিকপ্টার টির ইঞ্জিন বিকল হয়ে ঘুরতে ঘুরতে গোয়ালচামট চকে এসে মাটিতে আছড়ে পরে। ঘটনা স্থলেই ২৩ জন মারা যায় এবং অলৌকিকভাবে একজন যাত্রী আহত অবস্থায় হেলিকপ্টার থেকে বেরিয়ে আসেন। তাকে কলই খেতে কর্মরত স্থানীয় কৃষকরা ১মে কবিরপুর অবস্থিত জনাব মোঃ রফিউদ্দিন মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান , প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়ার পরে পরবর্তীতে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। সেই বেচে যাওয়া ব্যক্তির নাম এম এ মান্নান যিনি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য। তৎকালিন সময়ে ফরিদপুরের একজন ঠিকাদার যার নাম ছিলো জামান সাহেব তারও এই হেলিকপ্টারে ফরিদপুর আসার কথা ছিলো তবে কোনও কারনে আসেন নি ফলে তিনিও বেচে যান।
ফরিদপুরকে দেখুন, ফরিদপুরকে জানুন





নবাব আবদুল লতিফ ১৮২৬ সালের মার্চ মাসে ফরিদপুর জেলার রাজাপুর গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন।
, গোল্ডেন লাইন এর ভাড়া এবং যাবতীয় তথ্য জানতে ফোন করুন ইমরান হোসেন রিপন ব্যবস্থাপক (পরিবহন) 0716956340কাউন্টার ফোন নাম্বার গোল্ডেন লাইন ফরিদপুর 01755522200 এছাড়াও বি আর টি সি এসি বাস চলাচল শুরু হয়েছে আজ থেকেই ভাড়া ৩৫০/৪০০ টাকা। বিস্তারিত তথ্য জানতে ফরিদপুর কাউন্টার 01717111568 হাবিব ফরিদপুর কাউন্টার01790111455 (আসলাম ঢাকা কাউন্টার)
“শাহ ফরিদপুর / আপন পরিবহন”


যমুনা ডিলাক্স
আজ ১২ ই জুন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পী ফরিদপুরে জন্ম নেয়া জনাব শুকুর মিয়ার জন্মবার্ষিকী। জনাব শুকুর মিয়ার জন্ম ১৯৫৩ সালে ফরিদপুরে। বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় চলে যান সেখানেই দীর্ঘদিন বসবাস মাঝে মাঝেই প্রাণের টানে ছুটে আসেন নিজ জন্মভূমি ফরিদপুর। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ এর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে তার লাবিটেল-২ ক্যামেরা দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি তুলেছিলেন তিনি। সেই ক্যামেরাটি সংরক্ষিত আছে ঢাকার আগারগাঁও এ নবনির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।শুকুর মিয়া শখ করে লুবিটেল-২ ক্যামেরাটি কিনেছিলেন । ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সেই ক্যামেরা হাতে ছুটে গিয়েছিলেন রেসকোর্স ময়দানে। ক্যামেরাতে মাত্র পাঁচটি ছবি তোলার মতো ফিল্ম ছিলো। সেই ৫টি ফিল্ম কাজে লাগালেন তিনি আর তুলে ফেললেন ঐতিহাসিক ছবি।
সীম ফাউন্ডেশন।
ফতেহাবাদ ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার পূর্বনাম, কিভাবে এই ফতেহাবাদ নামকরণ হয়েছিল চলুন জেনে নেই।









Recent Comments