FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

 হেলিকপ্টার দূর্ঘটনা

আজ থেকে ৫৭ বছর আগে ফরিদপুরের গোয়ালচামট চকে ঘটেছিলো মর্মান্ত্রিক এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা। ২৪ জন যাত্রীর মধ্যে ২৩ জনই মারা যায়, তবে আলৌকিকভাবে বেচে গিয়েছিলেন ১জন ব্যক্তি তিনি আজও বেচে আছেন, জানবো তার পরিচয় ।

পাকিস্তান আমলে ফরিদপুর গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত হেলিপোর্ট এ নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করতো। লোক মুখে শোনা যায় হেলিকপ্টারটি  শকুনের পাখার সাথে বারি খেয়েছিলো। ফরেনসিক রিপোর্টেও সে কথার সত্যতা পাওয়া যায়। নিহতদের অনেকের কবর ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিপুর গোরস্থানে এখনও রয়েছে, কবরটিতে নিহতের নাম এবং ঘটনার সাল তারিখ উল্লেখ আছে। হেলিকপ্টার বিধস্ত হবার পর থেকে হেলিপোর্টে আর পরিবহন হেলিকপ্টার ওঠা নামা করেনি। যাত্রীদের থাকার জন্য পাশেই গড়ে উঠেছিলো  হোটেল যার নাম ছিলো ‘ প্রান্তিক’ সেখানে থাকার সুবিধাও ছিলো। বর্তমানে সেটি র‍্যাব ৮ এর ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

হেলিপোর্টটি ৯০ সালের পরে ট্রাক স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হতো বর্তমানে সেখানে আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণ হয়েছে, হেলিপোর্ট এর পাশেই আজও কালের সাক্ষি হয়ে দারিয়ে আছে একটি ওয়্যারলেস, তবে সেটি ঝুকিপূর্ণভাবে রয়েছে।

১৯৬৬ সালের ২রা ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স  S-61N মডেলের একটি পরিবহন হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে ক্রুসহ ২৪ জন যাত্রী নিয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়, ১মে ফরিদপুর যাত্রী নামিয়ে তারপর কুষ্টিয়া যাবার কথা ছিলো। ফরিদপুর আসতে হেলিকপ্টারে সময় নিতো ২২ মিনিট। দিনটি ছিলো বুধবার, দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে হেলিকপ্টারটি  ফরিদপুর হেলিপোর্ট হতে ৩.৭৫(পৌনে ৪ মাইল) দুরে তুলা গ্রাম নামক এলাকায় এসে শকুনের পাখার সাথে আঘাত লাগে, বিকট শব্দে ভেতরে থাকা যাত্রীরা আতংকিত হয়ে যায়, হেলিকপ্টার টির  ইঞ্জিন বিকল হয়ে ঘুরতে ঘুরতে গোয়ালচামট চকে এসে মাটিতে আছড়ে পরে। ঘটনা স্থলেই ২৩ জন মারা যায় এবং অলৌকিকভাবে একজন যাত্রী আহত অবস্থায় হেলিকপ্টার থেকে বেরিয়ে আসেন। তাকে কলই খেতে কর্মরত স্থানীয় কৃষকরা ১মে কবিরপুর অবস্থিত জনাব মোঃ রফিউদ্দিন মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান , প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়ার পরে পরবর্তীতে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। সেই বেচে যাওয়া ব্যক্তির নাম এম এ মান্নান   যিনি বর্তমানে  বাংলাদেশ সরকারের  পরিকল্পনা মন্ত্রী ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য। তৎকালিন সময়ে ফরিদপুরের একজন ঠিকাদার যার নাম ছিলো জামান সাহেব তারও এই হেলিকপ্টারে ফরিদপুর আসার কথা ছিলো তবে কোনও কারনে আসেন নি ফলে তিনিও বেচে যান।

ফরিদপুরকে দেখুন, ফরিদপুরকে জানুন 

0

মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ফরিদপুরের কানাইপুরে

আজ বেলা ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ফরিদপুরের কানাইপুর এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

উক্ত দুর্ঘটনায় আহত কমপক্ষে ২০ জন আশংকাজনক অবস্থায় আছে ৫জন তাদেরকে দ্রুত ঢাকায় পাঠাতে হবে উন্নত চিকিৎসার জন্য। জানা গেছে তালুকদার পরিবহন এবং জে আর পরিবহন দুটি কানাইপুর এলাকায় দুর্ঘটনার স্বিকার হয় তালুকদার পরিবহনের মধ্যে পল্লী বিদ্যুতের খুটি ঢুকে গিয়ে বের হয়ে যায় এতে করে মারাত্মভাবে আহত হয় ২০জন যাত্রী । গাড়ির নাম্বার যশোর ব ১১-০০৩০ গাড়িটি যশোর যাচ্ছিলো ঢাকা থেকে,
আরেকটি পরিবহন জে আর পরিবহন সেটিও দুর্ঘটনার শিকার হয় একই সময় সেটি ঢাকা যাচ্ছিলো তবে জে আর পরিবহনের যাত্রিরা কম আহত হয়েছে । জানা গেছে ১২ টা দিকে গঙ্গা বর্দি নামক এলাকায় দুটি বাসের সংর্ঘস হয় কম পক্ষে ২০জন আহত হয়েছে, আহতরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিচ্ছে তবে ৪/৫ এর অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে

দুর্ঘটনায় তালুকদার পরিবহনের যাত্রী নজরুল ইসলাম (৩৮) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা সদরের পূর্ব গঙ্গাবর্দী নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের কুমারভোগ এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

0

চাপাইবিল ফরিদপুর

ফরিদপুর জেলার অন্যতম একটি বিল নাম তার চাপাই বিল, অনেকে আবার চাপার বিলও বলে থাকে।

বর্ষাকালে সেদিন চাপাই বিল ছিলো পানিতে টইটুম্বর, চাপাই  বিলে রয়েছে  বিভিন্ন সাইজের ছোট নৌকা যেমন কোষা নৌকা,ডিঙ্গি নৌকা,গয়না নৌকা, এছাড়াও চোখে পরবে অসংখ্য তালগাছের ডোঙ্গা,  রয়েছে অসংখ্য মাছ ধরার সারি সারি ভ্যাসাল । এই বিলে প্রচুর সাদা শাপলা ফুটে বর্ষাকালে সেই শাপলা স্থানীয় বাজারসহ ফরিদপুরের বাজারেও বিক্রি হয়। চাপাই বিলে পদ্ম ফুলেরও দেখা পাওয়া যায় । পদ্ম বিলে হাজার হাজার দর্শনার্থীতের আগমন ঘটৈ।

নৌকায় করে বিলে ঘুরে বেড়ায় তারা আর পদ্ম বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করে। শিতকালে এই বিলে অতিথি পাখির আগমন ঘটে বিলের মাছ খেয়ে তারা শিতকাল পার করে। বিলের মাছের বেশ চাহিদা রয়েছে সুস্বাদু মাছ কিনতে অনেকেই এই গ্রামে খুব সকালে চলে আসে। বিলে ভ্যাসালের মাছ বিক্রি করেন অনেকেই এবং পরিবারের চাহিদাও পুরন করেন তারা। বিলের পানি শুকিয়ে গেলে এখানে পেয়াজের চাষ হয় কেউ আবার ভিন্ন ফষলও ফলায়। চাপাই বিলের সাথে বহু মানুষের বহুকাল থেকেই সম্পর্ক  তবে বর্তমানে বিলে পানি প্রবেশের পথগুলো সংকির্ণ হওয়ায় বিলে আগের মতো পানি প্রবেশ করতে পারে না যার জন্য বিলের জীব বৈচিত্র হুমকির মুখে পরছে। চাপাইবিল এর জীব বৈচিত্র টিকে থাকুক এটাই প্রত্যাশা আমাদের।

যেভাবে যাবেন:

 map link

https://goo.gl/maps/7F5rN6by5bGNpTN27

রাজবাড়ি রাস্তার মোড় হতে কানাইপুর বাজারে পৌছাতে হবে এরপর সেখান থেকে ইজিবাইকে করে রনকাইল স্কুল হয়ে চলে যেতে পারবেন চাপাই বিলে ।

https://goo.gl/maps/JD13Y9vekWTuHPGg9

0

নবাব আবদুল লতিফ

নবাব আবদুল লতিফ ১৮২৬ সালের মার্চ মাসে ফরিদপুর জেলার রাজাপুর গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন।

পিতার নাম কাজী ফকির মোহাম্মদ। শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক নবাব আবদুল লতিফ কোলকাতা মাদ্রাসা থেকে ইংরেজী আরবী ও ফারসীতে সর্বোচ্চ শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৪৬ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।পরবর্তী সময়ে তিনি কলকাতা মাদরাসার ইংরেজি ও আরবির অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ১৮৮০ সালে বৃটিশ সরকারের নিকট থেকে নবাব এবং ১৮৮৭ সালে নবাব বাহাদুর উপাধি লাভ করেন। বৃটিশ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। ফরিদপুরের কৃতি সন্তান নবাব আবদুল লতিফ মুসলমানদের জন্য আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রসার ঘটিয়েছিলেন। বাঙালী মুসলিম সমাজে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তার ও মুসলমানদের সামাজিক সাংস্কৃতিক জীবনের উৎকর্ষ ও বিকাশের পথ প্রশস্ত করার জন্য ১৯৬৩ সালে মোহামেডান লেটারারী সোসাইটির প্রতিষ্ঠা করেন। 

তিনি অসাম্প্রদায়িক চরিত্রের অধিকারী ছিলেন। তাঁর কর্ম তাকে সু-প্রতিষ্ঠিত করেছে।নবাব আবদুল লতিফের সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য কীর্তি হলাে ১৮৭৩ সনে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা। বাংলার মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষা প্রসারে এ প্রতিষ্ঠান বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। এ সমিতিতে প্রধানত মুসলমানদের সমকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও তার যুগােপযােগী সমাধান সম্পর্কে আলােচনা হতাে এবং প্রগতিশীল ভাবধারার সহিত পাশ্চাত্য সভ্যতার সমন্বয় সাধনের আদর্শে বিশ্বাসী ছিল মুসলমানদের শিক্ষাবিস্তারের জন্য আবদুল লতিফের যথেষ্ট অবদান ছিল এবং তার নেতৃত্বে ১৮৭২ সনে সরকারি সাহায্যে মফস্বলে কয়েকটি মাদ্রাসা স্থাপিত হয়। এ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলােতে ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় সাধনে তিনি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেন।

শিক্ষা বিষয়ে তিনি সরকারি নীতিকে সমর্থন করেন। হিন্দু কলেজের রক্ষণশীলতা এবং জাতিভেদে প্রথা দূর করে এর দ্বারা সকল মানুষের জন্য উন্মুক্ত করবার সরকারি প্রচেষ্টাকে তিনি স্বাগত জানান। রক্ষণশীল হিন্দু কলেজের প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন ১৮৫৩ সালে। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৬৭ খ্রিষ্টাব্দে মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারের আগ্রহ দেখে আবদুল লতিফকে বড়লাট লরেন্স  তাঁকে ইনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা ও স্বর্ণপদক প্রদান করেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষাংশে বাংলার মুসলমানদের পুনর্জাগরণে নবাব আবদুল লতিফ নিঃসন্দেহে একজন অগ্রণী ছিলেন। এই সমাজ হিতৈষী ব্যক্তি ১৮৯৩ সালের ১০ জুলাই কোলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

0

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা টু খুলনা গ্রীনলাইন বাসের সময়সূচী

জেনেন নিন ঢাকা-খুলনা (পদ্মা সেতু হয়ে) ডাবল ডেকার ও বিজনেস ক্লাস বাসের সময়সূচীঃ-
ঢাকা থেকে খুলনার সময়সূচিঃ-
আরামবাগ-৪ কাউন্টার থেকে ঢাকা থেকে খুলনার বাস ছেড়ে যাওয়ার সময়সূচী জেনে নিন –
▪️সকাল ৭ টা (বিজনেস ক্লাস)
▪️সকাল ৮ঃ১৫ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️সকাল ৯ঃ৪৫ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️সকাল ১১ঃ১৫ মিনিট (বিজনেস)
▪️বেলা ১২ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস)
▪️বিকাল ৩ টা (ডাবল ডেকার)
▪️বিকাল ৪ঃ৪৫ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️বিকাল ৫ঃ৪৫ মিনিট (বিজনেস ক্লাস)
▪️সন্ধ্যা ৬ঃ৪৫ মিনিট (বিজনেস)
▪️রাত ১২ঃ২০ মিনিট (বিজনেস ক্লাস)
▪️রাত ১২ঃ৪০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️রাত ১২ঃ৫০ মিনিট (বিজনেস)

◾কলাবাগান ১ কাউন্টার থেকে খুলনার বাস যাওয়ার সময়সূচী জেনে নিন
▪️সকাল ৬ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস)
▪️সকাল ৭ঃ৩০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️সকাল ১১ঃ৪৫ মিনিট (বিজনেস)
▪️রাত ১২ঃ০৫ মিনিট (ডাবল ডেকার)

◾রাজারবাগ কাউন্টার থেকে খুলনার বাস যাওয়ার সময়সূচী জেনে নিন
▪️সকাল ৯ঃ৩০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️সকাল ১১ টা (বিজনেস)
▪️বেলা ১২ঃ১৫ মিনিট (বিজনেস)
▪️দুপুর ২ঃ৩০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️বিকাল ৪ঃ৩০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️বিকাল ৫ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস)
▪️সন্ধ্যা ৬ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস)

খুলনার রয়্যাল চত্বর থেকে ঢাকার বাস যাওয়ার সময়সূচী জেনে নিন
▪️সকাল ৬ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস)
▪️সকাল ৭ঃ৩০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️সকাল ৯ টা (ডাবল ডেকার)
▪️সকাল ১১ টা (বিজনেস)
▪️বেলা ১২ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস)
▪️দুপুর ২ঃ৩০ মিনিট (ডাবল ডেকার)
▪️বিকাল ৩ঃ০৫ মিনিট (বিজনেস ক্লাস)
▪️বিকাল ৪ টা (ডাবল ডেকার)
▪️বিকাল ৫ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস ক্লাস)
▪️সন্ধ্যা ৬ঃ৩০ মিনিট (বিজনেস ক্লাস)
▪️রাত ১১ঃ৫০ মিনিট (বিজনেস)
▪️রাত ১২ঃ১০ মিনিট ডাবল ডেকার

ঢাকা-খুলনা ভাড়াঃ-
▪️বিজনেস ক্লাস ১২০০ টাকা
▪️ডাবল ডেকার ১২০০ টাকা
খুলনা রয়্যাল চত্বরঃ ০১৭৩০০৬০০৩৭
আরামবাগ ৪ কাউন্টারঃ ০১৭৩০০৬০০২৪
কলাবাগান ১ কাউন্টারঃ ০১৭৩০০৬০০০৬
রাজারবাগঃ ০১৭৩০০৬০০৭১-৭৩
অনলাইনে টিকেট পাবেন greenlinebd.com থেকে

0

পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুর টু ঢাকা বাস সার্ভিস চালু

পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুর টু ঢাকা বাস চলাচল শুরুআসুন জেনে নেই বিস্তারিত।ফরিদপুর সদর উপজেলা হতে গোল্ডেন লাইন পরিবহন সকাল ৬টা হতে তাদের ১ম বাস যাত্রা শুরু করবে ভাড়া নন এসি যেমনটি গাবতলিতে আছে তেমনটাই ভাড়া , গোল্ডেন লাইন এর ভাড়া এবং যাবতীয় তথ্য জানতে ফোন করুন ইমরান হোসেন রিপন ব্যবস্থাপক (পরিবহন) 0716956340কাউন্টার ফোন নাম্বার গোল্ডেন লাইন ফরিদপুর 01755522200 এছাড়াও বি আর টি সি এসি বাস চলাচল শুরু হয়েছে আজ থেকেই ভাড়া ৩৫০/৪০০ টাকা। বিস্তারিত তথ্য জানতে ফরিদপুর কাউন্টার 01717111568 হাবিব ফরিদপুর কাউন্টার01790111455 (আসলাম ঢাকা কাউন্টার)

 

“শাহ ফরিদপুর / আপন পরিবহন”

সরাসরি ফরিদপুর ঢাকা ফরিদপুর(ভায়া পদ্মাসেতু)ফরিদপুর কাউন্টারঃপুরাতন বাসস্ট্যান্ড শাহ ফরিদ কাউন্টার।ঢাকা কাউন্টারঃ যাত্রাবাড়ীপরিচালনায়ঃ ফরিদপুর জেলা মিনিবাস মালিক গ্রুপ।সদরপুর টু ঢাকা বাস সার্ভিস তথ্য:আজকে থেকে চালু হলো সদরপুর থেকে ঢাকা বাস সার্ভিস ডি.এম পরিবহন।এই বাস সদরপুর হাসপাতাল মোড় থেকে ঢেউখালী, বালিয়াহাটি, দরগাবাজার, পুলিয়া, পাঁচ্চর, পদ্মাসেতু হয়ে ঢাকার গুলিস্তান পর্যন্ত যাবে। ভাড়া ধরা হয়েছে ৩০০ টাকা করে। আজ প্রথম বাসটি সদরপুর হাসপাতাল মোড় থেকে সকাল ১০ টায় ছেড়ে গেছে।আগামীকাল সদরপুর হাসপাতাল মোড় থেকে সকাল ৬ টা হতে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ৩০ মিনিট অন্তর-অন্তর ঢাকার উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যাবে এবং একই সময়ে গুলিস্থানের সুন্দরবন স্কয়ারের সমানে থেকে সদরপুরের উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে আসবে।তবে শীঘ্রই শেষ গাড়ি ছাড়ার সময় সন্ধ্যা ৬ টার পরিবর্তে রাত ১০ টা অথবা আরো বেশি সময় পর্যন্ত করা হবে।সদরপুর ডি.এম পরিবহন কাউন্টারের নাম্বারঃ 01734966290 (কালু ভাই)।ঢাকার ডি.এম পরিবহন কাউন্টারের নাম্বারঃ 01914450882 (শ্যামল ভাই),01628989143 (জনি ভাই)।শীঘ্রই সদরপুর থেকে আটরশি, পুখুরিয়া, ভাঙ্গা হয়ে উলকা পরিবহন, আল হাসিব ট্রান্সপোর্ট (প্রাঃ) লিঃ সহ আরো একটি পরিবহন চালু হচ্ছে।

যমুনা ডিলাক্স

সদরপুর থেকে আটরশি ভায়া পুখুরিয়া হয়ে ঢাকার গুলিস্তানের উদ্দেশ্য যমুনা ডিলাক্সে চলাচল করবে, ভাড়া মাত্র ২৮০ টাকাযোগাযোগ 01739975159স্থানঃ কৃষ্ণপুর স্টান্ড সদরপুর।

সকলের ভ্রমন নিরাপদ হোক সুন্দর হোক ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশন এর পক্ষ থেক শুভেচ্ছা সকলকে।

0

শুকুর মিয়া

আজ ১২ ই জুন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পী ফরিদপুরে জন্ম নেয়া জনাব শুকুর মিয়ার জন্মবার্ষিকী।   জনাব শুকুর মিয়ার জন্ম ১৯৫৩ সালে ফরিদপুরে। বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় চলে যান সেখানেই দীর্ঘদিন বসবাস মাঝে মাঝেই প্রাণের টানে ছুটে আসেন নিজ জন্মভূমি ফরিদপুর। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ এর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে তার লাবিটেল-২ ক্যামেরা দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি তুলেছিলেন তিনি। সেই ক্যামেরাটি সংরক্ষিত আছে ঢাকার আগারগাঁও এ নবনির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে।শুকুর মিয়া শখ করে লুবিটেল-২ ক্যামেরাটি কিনেছিলেন । ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ সেই ক্যামেরা হাতে ছুটে গিয়েছিলেন রেসকোর্স ময়দানে। ক্যামেরাতে মাত্র পাঁচটি ছবি তোলার মতো ফিল্ম ছিলো। সেই ৫টি ফিল্ম কাজে লাগালেন তিনি আর তুলে ফেললেন ঐতিহাসিক ছবি।

0

ফরিদপুরে মূল্যবান কষ্টি পাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাংগি ইউনিয়নের আটাইল গ্রামে ভেকু দিয়ে পুকুর খনন করতে গিয়ে আনুমানিক ৪ থেকে ৫ মনের একটি কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তী পাওয়া গেছে। মূর্তীটি ফরিদপুর এর নগরকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানাগেছে। 

জানা যায়, আজ রবিবার দুপুরে আটাইল গ্রামের জহুরুল হকের জমিতে ভেকু দিয়ে পুকুর খননের কাজ চলাকালিন সময়ে মুর্তিটি উঠে আসে। পরে প্রশাসনকে খবর দিলে পুলিশ এসে মূর্তিটি উদ্ধার করে নগরকান্দা থানায় নিয়ে যায়। মূর্তিটি এক নজর দেখার জন্য সেখানে শত শত লোকের সমাগম ঘটে। ধারনা করছে পূর্বে এই এলাকায় প্রাচীন জমিদারদের বসবাস ছিলো তাই এটি তাদেরই ব্যবহৃত মূর্তি হতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন মুর্তিটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রেখেছে মূল্যবান মূর্তিটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।তারাই পরিক্ষা নিরিক্ষা করে বলতে পারবে এটি কিসের তৈরি মূর্তি।

ছবি এবং তথ্য সাজ্জাদ আহমেদ সোহাগ

0

৫ বছর পরে জসীম পল্লী মেলা আবারও ফিরে এলো ঐতিহ্যবাহী

দীর্ঘ ৫ বছর পরে শুরু হলো ঐতিহ্যবাহী জসীম পল্লী মেলা আয়োজনে জেলা প্রশাসন ফরিদপুর ও জসীম ফাউন্ডেশন।

আজ রবিবার বিকাল ৫টায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম। মেলার সভাপতীত্ব করেন ফরিদপুর এর মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার।

জেলা প্রশাসন ও জসীম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৫ দিনব্যাপী  পল্লী কবি জসীম উদ্‌দীন এর বাড়ি-সংলগ্ন জসীম উদ্যানে কুমার নদের পাড়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলার বিশেষ আকর্ষণ সার্কাসও থাকছে সেই সাথে জসীম মঞ্চে প্রতিদিন বিভিন্নজেলার সংগঠনের পরিবেশনায় থাকছে সাংস্কৃতিক আয়োজন।

মেলা শরু হওয়া ফরিদপুরের সকল শ্রেণীর মানুষ ভীষণ আনন্দিত মেলা যদিও এখনও জমে উঠেনি তবুও উৎসুক দর্শনার্থীদের ভীর ছিলো চোখে পরার মতো। আশা করা যাচ্ছে ফরিদপুরে চলমান আঙিনার মেলা শেষ হলেই জসীম মেলাতেও উপচেপরা ভীর লক্ষ করা যাবে।

0

ফতেহাবাদ ফরিদপুরের পূর্ব নাম

ফতেহাবাদ ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার পূর্বনাম, কিভাবে এই ফতেহাবাদ নামকরণ হয়েছিল চলুন জেনে নেই।
ফতেহাবাদে সুলতানি আমলে বাংলার টাকশাল ছিলো।
টাকশাল কি?
টাকশাল হলো মুদ্রা উৎকীর্ণ ও জারি করার কেন্দ্র,১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি সেন রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন। ফলে বাংলায় মুসলিম শাসন শুরু হয়। তখন হতে বাংলার মুসলিম সুলতানগণ বিভিন্ন প্রকার স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা প্রবর্তনের জন্য টাকশাল নির্মাণ করেন। শুধু রাজধানী নয় গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক শহর হতেও মুদ্রা তৈরি হত।
মুসলিম সুলতানগণ ১২০৪ থেকে ১৫৬৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার বিভিন্ন জায়গায় টাকশাল নির্মাণ করেন। বিভিন্ন সময়ে গড়ে ওঠা ২১টি টাকশাল শহরের নাম জানা যায়।
লখনৌতি টাকশাল: ইন্ডিয়াতে অবস্থিত গঙ্গা নদীর পশ্চিম তীরে ১ম বাংলার প্রাচীন টাকশাল শহর ছিলো।
১২০৪ খ্রীস্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বঙ্গ বিজয়ের পর লখনৌতিতে রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন। এখানেই প্রথম টাকশাল নির্মাণ করা হয়। এখান থেকে মুদ্রিত প্রথম মুদ্রা ছিল সুলতানা রাজিয়ার রৌপ্য মুদ্রা (৬৩৪ হিজরি/ ১২৩৬ খ্রিষ্টাব্দ)। ১৩৩২ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত এ টাকশাল চালু ছিল।
ফতেহাবাদ : মোগল আমলের ফতেহাবাদ সরকার বর্তমান কালের ফরিদপুর শহরের সাথে শনাক্ত করা হয়েছে। সুলতান জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ শাহ্ ফতেহাবাদ টাকশাল প্রতিষ্ঠা করেন। এ টাকশাল হতে ১৪৩৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম মুদ্রা তৈরি হয়। সুলতান রোকন উদ্দিন বারবক শাহ্ ও তাঁর পুত্র সুলতান শামসুদ্দিন ইউসুফ শাহের রাজত্বকালে অল্প বিরতিসহ বাংলার স্বাধীন সুলতানদের আমলে ফতেহবাদ টাকশাল চালু ছিল।
ফতেহাবাদ ছিল একটি পরগনার নাম। এ পরগনার অন্তর্ভুক্ত ছিল ঢাকা জালালপুর নামের আরেকটি পরগনা। ফতেহাবাদ ছিল হুসাইন শাহের প্রধান শহরের নাম, যা লক্ষণাবতীর শাসক জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের (১৪৮১-৮৭) নামানুসারে ফতেহাবাদ নামকরণ করা হয়েছে।