FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

ফরিদপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

ফরিদপুরে করোনা ভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা ৭১৯ এ দাড়ালো।

হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেরেই চলেছে  গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৫৭ জন যার মধ্যে চিকিৎসক,পুলিশ এবং আনসার সদস্যও রয়েছে। এই জেলার শনাক্তের দিক থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে ভাঙ্গা উপজেলা আজ ১২ ই জুন এর তথ্য মতে এই উপজেলা মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৯৭ জন এর পরেই অবস্থান ফরিদপুর সদর উপজেলা এই উপজলোয় মোট শনাক্তের সংখ্যা আজ পর্য্যন্ত ১৭৮জন শতকের ঘর ছাড়ানো আরেকটি উপজলোর নাম হচ্ছে বোয়ালমারী উপজেলা  এই উপজেলায় মোট শনাক্ত  ১২৭ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় ফরিদপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেছেন ১জন এই নিয়ে ফরিদপুর জেলায় মৃত্যুবরনের সংখ্যা  দাড়ালো ৮ জন।  এই পর্য্যন্ত ফরিদপুর পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে মোট

ভাঙ্গা উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন নতুন নির্দেশনা জারি করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  রকিবুর রহমান খান এই নির্দেশনা জারি করেছেন। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন তবে ফরিদপুর সদর উপজেলায় নতুন নির্দেশনা জারী হবে কি না জানা যায়নি। এই উপজেলায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এর মাধ্যমে অভিযান পরিচালিত হলেও সাধারন জনগন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলা কিছু সংখ্যক ব্যাক্তিকে জরিমানাও করা হয়েছে তবুও জনগন সচেতন হচ্ছে না।

সাধারন সচেতন জনগন মনে করেন প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান গ্রহন করতে হবে তা নাহলে ফরিদপুরে আক্রান্তের সংখ্যা আটকে রাখা যাবে না। এজন্য সচেতন নাগরিকরা মনে করেন তারা যদি সচেতন হয়েও চলাচল করেন অসেচতন নাগরিকদের জন্য তাতে কোনও ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

0

ভাঙ্গা উপজেলায় নতুন নির্দেশনা জারি

ভাঙ্গা উপজেলায় বাজার এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গে নতুন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে ।

আজ ১০.০৬.২০ তারিখে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রকিবুর রহমান খান এর সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ  নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

উক্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে  করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভাঙ্গা উপজেলার সকল  বাজারের মাছ,মাংস,কাঁচা বাজার,সকল দোকান ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্য্যন্ত খোলা থাকবে। দুপুর ১২টার পরে শুধু মাত্র ঔষুধের দোকান খোলা থাকবে। এই আদেশ অমান্যকারিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উলেক্ষ্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকানে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ক্রয় বিক্রয় কার্য সম্পাদন করার জন্য সকলের নিকট আহ্বান জানানো হয়।

ফরিদপুর জেলার মধ্যে ভাঙ্গা ‍উপজেলায় করোনার প্রাদুর্ভাব হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসন এর এই নির্দেশনা এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কিছুটা হলেও রোধ করবে বলে মনে করেন। সেই সাথে সকল জনসাধারনকে সচেতনতা বৃ্দ্ধি করতে হবে । স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে মাস্ক ব্যবহারি নিশ্চিত করতে হবে আইন অমান্যকারীকে আইনের আওতায় আনতে হবে বলে মনের করেন সচেতন সমাজ।

0

ফরিদপুরে ডাহুক শিকারী এবং হত্যাকারীর বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত মামলা দায়ের

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট এর মাধ্যমে বিলুপ্ত প্রজাতির পাখি ডাহুক শিকারী এবং হত্যাকারীর বিরুদ্ধে মামলা ।

ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকার শৌলডুবী গ্রামের বাসিন্দা শওকত ফকির নামের এক ব্যাক্তি ৫০টি ডাহুক পাখি হত্যা এবং বিক্রী করেছে এমন একটি পোস্ট ৯জুন ২০২০ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফরিদপুর ভিত্তিক গ্রুপ ফরিদপুর লাইভ গ্রুপে একে আলামিন খান নামের এক ব্যাক্তি পোস্টটি করেন পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় পোস্টটি সকলের নজরে আসে এবং সচেতন সমাজ এমন ঘটনার জন্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং দ্রুত শাস্তির দাবি জানান। ঘটনাটি তাৎক্ষনিক বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ এস,এম, শরিয়ত উল্লাহ্ এর নজরে আসে এবং তিনি ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট আদালতের নজরে আনেন পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত ব্যাবস্থা গ্রহন করেন। এছাড়াও যানা যায় ভাইরাল হওয়া পোস্টটি সর্ব প্রথম যিনি করেন তিনি হচ্ছেন হাসান আলি নামের স্থানীয় এক ব্যাক্তি তার পোস্টটি পরবর্তীতে বিভিন্ন পাখি প্রেমী বন্ধুরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের সদস্য ও তরুছায়া সংগঠনের সভাপতি খালিদ মাহমুদ সজীব তিনিও সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন এছাড়াও রয়েছে এইচ এম শামীম তিনি একজন এনিমেল লাভার যদিও তার বাড়ি পটুয়াখালিতে তবুও তিনিও তার অবস্থান থেকে একজন সচেতন প্রকৃতি প্রেমীর যায়গা থেকে বিষয়টি ফরিদপুরের প্রশাসনের দৃষ্টিতে আনার ব্যাপারেও সহযোগীতা করেছেন তিনিও ফরিদপুর লাইভ গ্রুপে পোস্ট করেন এবং অন্যান্য সকল পাখি প্রেমীদেরকে বিষয়টি অবহিত করেন,এছাড়াও রয়েছেন জাহিদ জিহান তিনিও একজন এনিমেল লাভার তিনিও এই অপকর্মের সাথে জড়িত ব্যাক্তির দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করেন। সর্বপরি বিলুপ্ত প্রজাতীর পাখি ডাহুক হত্যা এবং শিকারের সাথে জড়িত ব্যাক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে যখন সকলে আওয়াজ তুলতে শুরু করে তখন আজ বুধবার সকালে ফরিদপুরের আমলি আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট অরুপ কুমার স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেছেন বলে জানা যায়। এবং মামলার প্রতিবেদনটি দ্রুত সময়ের মধ্যে দাখিল করার জন্য বিজ্ঞ আদালত বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করেছেন। “বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২” এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আজ সকালে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদার এর নির্দেশনায় স্থানীয় বন কর্মকর্তা জনাব সালাউদ্দিন অভিযুক্ত শওকত ফকিরের বাড়িতে যান তিনি ,শওকতের বাবা ওসমান ফকির এর সাথে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হতে পারেন যে শওকত পাখি হত্যা করেছে এবং বন কর্মকর্তা বাড়ি থেকে জীবিত ডাহুক পাখিও উদ্ধার করেছেন। এসময় অভিযুক্ত ডাহুক হত্যার সাথে জড়িত শওকত ফকির বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা যায়। তবে ঘটনাটি তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় হবে বলে জানা যায়।

0

অবশেষে ভাঙ্গা উপজেলা ফরিদপুর জেলার নতুন হট স্পটে আত্মপ্রকাশ করলো

অবশেষে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলা ফরিদপুরের নতুন হট স্পটে পরিনত হলো জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায় আজ পর্য্যন্ত ভাঙ্গা উপজেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা ১১৪জন। যেখানে তিনদিন আগে ছিলো ৭৩ জন এই তিনদিনের ব্যবধানে নতুন শনাক্ত হয়েছে ৪১জন। যেখানে ফরিদপুর সদর উপজেলায় তিনদিনে নতুন শনাক্ত মাত্র ৭ জন, তিন দিন আগে ছিলো ৮৮ জন।

শুরু থেকেই এই উপজেলার বাসীন্দারা অসচেতনভাবে চলাচল করে আসছে এমন চিত্র বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দেখা গিয়েছে তারই ফলশ্রুতিতে আজ এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকেই মনে করেন। স্বাস্থ্যবিধি না মানা, মাস্ক ব্যাবহার না করা, সামাজিক বা শারিরিক দুরুত্ব বজায় না রেখে বাজারে আসছেন যার কারনেই দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করেন সবাই।

যেহেতু সরকার সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে বলেছে সেহেতু সকলের উচিৎ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করা কিন্তু ভাঙ্গা উপজেলার অধিকাংশ ক্রেতা,বিক্রেতারা কেউ এই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। যার কারনেই শুধু ফরিদপুর বা ভাঙ্গা উপজেলা নয় সমগ্র দেশেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সকলকে মাস্ক ব্যাবহার বাধ্যতামুলক করা হয়েছে ।

ভাঙ্গা থেকে: অভিষেক চৌধুরী

0

আজ ফরিদপুর বাইপাস সড়কে বাস দুর্ঘটনার শিকার হানিফ পরিবহন

আজ ফরিদপুর সদর উপজেলার পিয়ারপুর বাইপাস সড়কে ঘটে গেলো বাস দুর্ঘটনা তবে কেউ নিহত হয় নি আহত হয়েছে কয়েকজন।আহত যাত্রীদেরকে চিকিৎসার জন্য হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে জানা যায় হানিফ পরিবহনের একটি বাস বরিশাল থেকে ঢাকা যাচ্ছিল চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে নামিয়ে দেয়। কয়েকজন যাত্রী আহত হলেও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এসে উদ্ধারকাজে অংশ নেয় তার আগে এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন উদ্ধার কাজে।
তথ্য এবং ছবি আমাদের গ্রুপ Faridpur Live এর বন্ধু 
Maliha Moon
0

মাস্ক ব্যাবহার না করায় ফরিদপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক ৮জনকে জরিমানা

আজ ৬জুন তারিখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচল নিশ্চিতকরনে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়েছে।

গত ৩১শে মে ২০২০ তারিখ থেকে ১৫জুন পর্য্যন্ত সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সমগ্রদেশে চালু হয়েছে গণপরিবহন ও অফিস আদালত। সকল স্বাস্থ্যবিধি মনে শর্ত সাপেক্ষে  চলাচলের অনুমতি পাওয়ার পরে শুরু হয়েছে গণপরিবহন এবং অন্যান্য যানবাহন চলাচল। ফরিদপুরেও তারই ধারাবাহিকতায় চলছে  সকল প্রকার যানবাহন ।

আজ ফরিদপুর  জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অংশ হিসেবে  ফরিদপুর সদর উপজেলায়  গণপরিবহন ও যাত্রীসাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করছে কি না, তদারকি করতে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট জনাব মাসুম রেজা  এবং সহকারী কমিশনার ভূমি সদর ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট জনাব শাহ্‌ মোঃ সজীব এর নেতৃত্বে ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই অভিয়ানে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করেছে বাংলাদেশ আনসার বাহিনী। এসময় স্বাস্থ্য বিধি না মানায় ৮জনকে জরিমানা করা হয়েছে । ভ্রাম্যমাণ আদালতটি ফরিদপুর জেলা বাস টার্মিনালের বিভিন্ন গণপরিবহন পরিদর্শন করেন এবং পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে কি না। উপজেলা নির্বাহী মেজিস্ট্রেট জানান স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আমাদের এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেনা আবার অনেকেই মানছেন অভিযান চলাকালে মাস্ক ব্যবহার না করায় ৮জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক জরিমানা করা হয়েছে। এই মহামারী থেকে নিজেদের সুরক্ষীত রাখতে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে ।

0

মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত দেখালো ফরিদপুরের প্রশাসন এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন

ফরিদপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা কমলেশ চক্রবর্তী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেছেন। এদিকে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আক্রান্ত থাকায় তারাও তাদের পরিবারের এই গুণী ব্যক্তির দাহ কার্যে অংশ নিতে পারে নি শুধুমাত্র তার বড় ছেলে কুশল চক্রবর্তী দ্বীপ অংশ নিয়েছিলো। এমন পরিস্থিতে এগিয়ে আসে ফরিদপুর উপজেলা প্রশাসন এর নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মাসুম রেজা , তার তত্বাবধানে  এগিয়ে আসে সেচ্ছাসেবী সংগঠন তরুছায়া। হাসপাতাল থেকে মরদেহ শ্মশান ঘাটে নেয়ার পথে এলাকা বাসীর বাধার মুখে পরতে হয়।  অতপরঃ ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ফরিদপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে  স্থানীয়দের বুঝিয়ে সড়িয়ে দেয়া হয় এবং দাহ কার্য্যক্রম শুরু করা হয় ।

ফরিদপুর জেলা পুলিশ এর কুইক রেস্পন্স টিমের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন এবং তার সহযোদ্ধারা এবং  মুক্তিযোদ্ধা কমলেশ চক্রবর্তীর বড় ছেলে কুশল চক্রবর্তী দ্বীপও  মরদেহ এম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে চিতায় নিয়ে যান এবং চিতা প্রস্তুত করে দাহ সম্পন্ন করেন। দাহ সম্পন্ন করার আগে  মুক্তিযোদ্ধা কমলেশ চক্রবর্তীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়,  বড় ছেলে মুখাগ্নী করার পরে সকল নিয়ম মেনে পুলিশ সদস্যগন দাহ কার্জ সম্পন্ন করেন ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোতওয়ালী থানার ওসি জনাব রাশেদুল ইসলাম,ফরিদপুর উপজেলা প্রশাসন এর নির্বাহী অফিসার জনাব মাসুম রেজা এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন তরুছায়ার সদস্যগন।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ সুত্রে জানা যায় মুক্তিযোদ্ধা কমলেশ চক্রবর্তী ২১ মে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হন এরপর তাকে ২৩মে ফরিদপুর করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তী করা হয়। পরবর্তীতে তার অবস্থার অবনতী হলে তাকে ফরিদপুরেই আই সি ইউ তে চিকিৎসা দেয়া হয় এবং আইসিউ ইউনিটেই চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন।

0

ম্যাজিস্ট্রেট দেখে ভয়ে পালালো দর্শনার্থীরা

আজ শুক্রবার ২৯ মে ২০২০ তারিখে ফরিদপুরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান ধলার মোড়ে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরন অভিযানে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে এই অভিযানের নের্তৃত্ব দিয়েছেন ফরিদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাহ্‌ মোঃ সজীব।

অভিযান চলাকালে বেশ কিছু দর্শনার্থীরা ভয়ে পালিয়ে যায় এবং বেশ কিছু দর্শনাথীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়া হয়।

নির্বাহী মেজিস্ট্রেট জানান  যেখানে প্রতিনিয়তো করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেরেই চলেছে প্রশাসন থেকে বিভিন্নভাবে বলা হচ্ছে বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া যাবে না সেখানে কিছু অসচেতন নাগরিক ঘুরতে বেরিয়েছে এটা এসময় সত্যিই কাম্য নয়।তিনি আরও জানান  করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ফরিদপুরে সামাজিক দুরত্বকরন নিশ্চিত করতে এমন অভিযান নিয়মিত চলছে এবং চলবে। ধলার মোড় ছাড়াও শহরের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক অভিযান পরিচালিত হয়েছে সরকারী আদেশ অমান্য করে বিকাল ৪টার পরে দোকান খোলা রাখায়  ফল বাজারে জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত কর্তৃক অভিযানের মাধ্যমে  সরকারী আদেশ অমান্য করায় জরিমানা করা হচ্ছে এবং সচেতনতাও বৃদ্ধি করা হচ্ছে তবে জনগনকেও যার যার অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে এবং এই মহামারী রুখতে প্রশাসনকে সর্বাত্বক সহযোগীতা করতে হবে। 

ফরিদপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক এই মনিটরিং কার্য্যক্রমে যৌথভাবে অংশ গ্রহন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং আনসার ভিডিপি।

0

ফরিদপুরে মোট মৃত্যের সংখ্যা ৩জন মোট আক্রান্ত ২১৪জন

ফরিদপুর জেলায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন ৩জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ২১৪ জন ২৭শে মে তারিখের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় নতুন আক্রান্ত হয়েছে আরও ২৫ জন। এই জেলায় ফরিদপুর সদর উপজেলাতেই আক্রন্তের সংখ্যা ৫৮ জন জেলা প্রশাসন সুত্র অনুযায়ী নতুন কোনও সুস্থতার তথ্য নেই । গত ২৪ ঘন্টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ পি সি আর ল্যাবে  পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮৮টি যার মধ্যে ২৫ জন নতুন শনাক্ত হয়েছে । ৯দিনের ব্যাবধানে ফরিদপুর সদর উপজেলা ৪৮জন রোগী বৃদ্ধি হয়েছে  গত ১৮ই মে তারিখের ফরিদপুর সদর উপজেলা আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো ১০ জন আর এখন সেই সংখ্যা ৫৮ জন। বোঝাই যাচ্ছে ফরিদপুর সদর উপজেলা কতটা ঝুকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। করোনা সংক্রমন থেকে নিজেকে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে হলে অবশ্যই যার যার ঘরে থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধী মেনে চলতে হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন সবাই শুধু মাত্র একটি মাস্ক এর উপর ভরসা করে বাইরে ঘুরে বেরাচ্ছেন। অনেকেই এখন কাস্কও পরেন না পকেটে রেখে দেন কেউ বা আবার নাকের নিচে রেখে দেন । অনেকেই আবার ঢাকা,গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ থেকে রাতের আধারে ফরিদপুরে অবস্থান করছেন। যেসকল বাড়িতে তারা অবস্থান করছেন সেসকল বাসার বাসীন্দারাও আতংকিত। যেহেতু এখন স্বাস্থ্যবিধী মেনে চলা চলের অনুমতি দিয়ে দিয়েছে তাই ধারনা করা হচ্ছে ফরিদপুর শহরে চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে । তাই ভবিষ্যতে ফরিদপুরে আক্রান্তের সংখ্যাটা নির্ভর করছে ফরিদপুরবাসীর উপরেই।

0

একজন কোভিড যোদ্ধার অনুরোধ ফরিদপুরবাসীর প্রতি

ফরিদপুর করোনা পরীক্ষাগার থেকে আজ ঈদ উল ফিতর এর দিন ফরিদপুরবাসীর প্রতি একজন কোভিড যোদ্ধা পিসিআর ল্যাবের টেকনোলজিষ্ট জনাব আশিকুজ্জামান সুজন লাইভের মাধ্যমে অনুরোধ জানান ফরিদপুরবাসীকে ঘরে থাকার জন্য। তিনি এবং তার সহযোদ্ধারা পরিবারকে ঘরে রেখে আজও তাদের দায়িত্ব পালন করছেন ঝুকিপূর্ণ কাজ করছেন তার মতো চিকিৎসকগন আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীরাও দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন শুধু জনগনকে ভালো রাখতে জনগনের নিকট প্রত্যাশা করেন জনগন যেনো ঘরে থাকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে।