FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

ফুটবলার রিপনের পাশে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।

ফরিদপুরের প্রতিভাবান ফুটবলার রিপনের পাশে এগিয়ে আসলেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার

ইংল্যান্ডের ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেডে সুযোগ পেয়েছিলেন  ফরিদপুরের রিপন। তবে দেশে ফিরে তার প্রতিভার বিকাশের তেমন সুযোগ আর  পাননি তিনি। দেশে শীর্ষ স্থানীয় গনমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয় রিপনকে নিয়ে।

১৬ই জুলাই ফরিদপুর জেলা প্রশাসক রিপনের পরিবারের ভরন পোষণের জন্য ১০ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং তাকে ক্রীড়াঙ্গনে ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টার করবেন বলে জানা যায়। সারাদেশ থেকে ৬০ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে সেরা ১৬তে যায়গা করে নিয়েছিলেন ফরিদপুরের রিপন।  ফরিদপুর সদর উপজেলার কুঠিবাড়ি এলাকায় বসবাস করেন রিপন। তিনি বর্তমানে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠনে পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন।  তিনি ২০১২ সালে এয়ারটেল এর প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচীতে ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেডে অনুশীলন এর সুযোগ পেয়েছিলেন।

0

ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান , বীর মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন মৃধা ইন্তেকাল করেছেন

ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান , বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শিক্ষাবীদ জেলা আওয়ামী লীগ এর সহ – সভাপতি, ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি ও সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব লোকমান হোসেন ‍মৃধা , আজ সকাল ১১টায়  ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহী রাজিউন।

তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তী ছিলেন সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হয় পরবর্তীতে তাকে প্লাজমা থেরাপিও দেয়া হয়।

আজ  সকালে তিনি ঢাকার শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রলিভার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো ৭৬ বছর। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এছাড়াও ফরিদপুর সদর ৩ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররফ হোসেন সহ  ফরিদপুর জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার, ফরিদপুর পুলিশ সুপার জনাব আলিমুজ্জামান বিপিএম, দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

0

করোনা ভ্যাকসিন আবিস্কার এর দাবি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিঃএর

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড অবাক করে দিলো বিশ্বকে।

হয়তো কেউ ভাবেতও পারেনি বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের ভ্যাক্সিন আবিস্কার করেত পারবে । তবে  আমাদের দেশেও এমন স্বপ্নবাজ মানুষ আছেন যারা বিশ্বাস করেন তারাও পৃথিবীকে দেখিয়ে দিতে পারেন বাংলাদেশও পারে। তেমনই  একটি প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড, যারা ঘোষনা দিয়েছে তাদের আবিস্কারকৃত ভ্যাকসিন প্রাণীদেহে প্রয়োগ করে এন্টিবডিও পেয়েছেন ৬ থেকে ৭ সপ্তাহের পর পরীক্ষামুলক প্রয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের তারা বলছেন সরকারের সহযোগীতা পেলে ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যেই তারা এই বহুল কাঙ্ক্ষিত ভ্যাকসিন মানুষের কাছে পৌছে দিতে সক্ষম হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলছে গবেষণা অনেক প্রতিষ্ঠান ক্লিনিকাল ট্রায়ালেও এগিয়ে গিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র,জার্মানী,চীন,ভারত সহ বিভিন্ন দেশ এই ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে  এবার সেই তালিকায় নাম লেখালো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড ১০ জুন ৩টি খরগোশের দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে তারা  পরবর্তীতে  ২১ ও ২৮ জুনে আরও দুদফা প্রয়োগ করে মিলেছে এন্টিবডি।

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এর গবেষক  ড. আসিফ মাহমুদ  জানান তারা যেদিন বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাক্তির সন্ধান পান সেদিন থেকেই তারা কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ শুরু করেন।  গ্লোব বায়োটেক এর যে ল্যাবটি থেকে এই ভ্যাকসিনটি তৈরী হয়েছে সেই ল্যাবের যাত্রা শুরু ২০১৫ সালে  জানা যায় ল্যাবটি আধুনিক একটি ল্যাব এবং এই  ল্যাবটিতে ২৬ জন গবেষক কাজ করেন ।

দেশের নতুন এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্যকে অনেকেই সাধুবাদ জানালেও সোস্যাল মিডিয়ায় তাদেরকে নিয়ে অনেকে বিভিন্নভাবে ট্রল করতে দেখা যায়। যেটা অত্যন্ত নিন্দনীয় তাদের এই সফলতা পুর্ণতালাভ করুক এটাই প্রত্যাশা। এই ভ্যাকিসিনটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরেই জনগনের কাছে পৌছবে এজন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকমাস। ভ্যাকসিনটি প্রস্তুত হলে বদলে যাবে পৃথিবী ফিরে আসবে অর্থনৈতিক পরিবর্তন বেচে যাবে অগনিত প্রাণ।

আসুন দেশীয় প্রতিষ্ঠানটিকে অভিনন্দন জানাই তারা যেনো দ্রুত সকল বাধা অতিক্রম করে পূর্ণ সফলতা অর্জন করতে পারে, এবং গর্ব করে বলতে পারবো মেইড ইন বাংলাদেশ।

0

তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য গার্মেন্টস করার ঘোষনা দিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য গার্মেন্টস করার ঘোষনা দিলেন ।

আজ অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচীর আওতায় জেলা প্রশাসকের অনুকূলে নন সোলার প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য সেলাই মেশিন ক্রয় ও বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষনা প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের নতুন নতুন কর্মকান্ড ইতিমধ্যে ফরিদপুরসহ সমগ্র দেশে বেশ প্রসংশিত হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে মানবিক সহায়তা কার্ড। এই কার্ড এর মাধ্যমে অন্যকেউ জালিয়াতী করে অন্যের ত্রানসামগ্রী নিতে পারবে না  ফলে ত্রাণ চুরির সুযোগ হ্রাস পেয়েছে ।

0

ফরিদপুরের প্রতিভাবান ভাস্কর মোঃ বাহারুল লতিফ এর গল্প

আজ আপনাদেরকে ফরিদপুরের একজন অন্যতম প্রতিভাবান ব্যাক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো। আমাদের ফরিদপুরে এমন একজন গুনি শিল্পী রয়েছেন বর্তমান প্রজন্মকে এই গুনি ব্যাক্তির সম্পর্কে  জানাতেই আজকের এই প্রতিবেদন।

তিনি জনাব মোঃ বাহারুল লতিফ তিনি আমাদের কাছে একজন প্রতিভাবান ভাস্কর্য শিল্পী । তার ভাস্কর্য শিল্পকর্ম বাংলাদেশের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে প্রচারিত হয়েছিলো। ফরিদপুর শহরের গুহ্ লক্ষীপুরে তার জন্ম এবং সেখানেই তার বাসস্থান । ১০ ভাইবোনের মধ্যে তিনি তার মা বাবার ৪র্থ সন্তান, ছোট বেলা থেকেই তিনি আকা আকি করতেন তিনি ২০০৫ সাল থেকেই কাঠের ওপর খোদাই করে তৈরী করেছেন অসংখ্য শিল্পকর্ম । তার এই শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘরে  সেই শিল্পকর্মে রয়েছে ১৯টি দেশী প্রজাতীর প্রাণী। শিল্পকর্মটিতে যদিও তার নাম লেখা নেই শুধু লেখা আছে ফরিদপুরের শিল্পকর্ম। বাহারুল লতিফ জানান যেহেতু আমি শিল্পকর্মটির জন্য সম্মানী গ্রহন করেছি তাই উক্ত শিল্পকর্মে আমার নাম উল্লেখ করা হয়নি। তিনি খুবই আনন্দ লাভ করেন যখন কেউ তাকে বলে আপনার শিল্পকর্মটি জাতীয় যাদুঘরে দেখে এলাম । শিল্পকর্মটি তার দেয়া তথ্য মতে জাতীয় যাদুঘরের ৩য় তলায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন হয়তো আমি থাকবো না তবে আমার শিল্পকর্মটি থেকে যাবে আমার সন্তান এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম দেখতে পাবে শিল্পকর্মটি এটা ভেবে ভীষন ভালো লাগে তার। বগুরা জেলা শীবগঞ্জ যাদুঘরেও তার শিল্পকর্ম রয়েছে বলে জানান। তিনি ১৯৮০ সালে শিশু চিত্রকর্মে জাতীয় শিশু একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।২০০৮  সালে ফরিদপুর সাহিত্য উন্নয়ন সংস্থা তার শিল্পকর্ম নিয়ে একটি প্রদর্শন করে যা ২৯ ডিসেম্বর ডেইলি স্টার পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছিলো ।  ২০১৫সালে তিনি ফরিদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী সম্মাননা পান। ২০১৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসীনার হাতে তুলে দেন গাছের শিকর দিয়ে তৈরী স্পার্ক ৭১ নামের মুক্তিযুদ্ধের একটি ভাস্কর্য তিনি বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যাক্তির শিল্পকর্ম তৈরী করেছেন তারমধ্যে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান,জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম,কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,মাইকেল মধুসুদন দত্ত,পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন,মাদার তেরেসা,বাউল সম্রাট শাহ্‌ আব্দুল করিম,কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ, নেলসন মেন্ডলসহ আরও অনেক গুনী ব্যাক্তির পট্রেইট বানিয়েছেন তিনি।

তার শিল্পকর্মে তিনি গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে ‍তুলেছেন দেখা যায় তার শিল্পকর্মে একাত্তরের গণহত্যা রায়ের বাজার বধ্যভূমীর গনহত্যার চিত্র, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কলা গাছের ভেলায় পারাপারের দৃশ্য ,আমাদের দেশের ৭ জন শহীদ বীর শ্রেষ্ঠ, অত্যাচারীত শ্রমীকের আর্তনাদ, ইত্যাদি।

তার কাজের বৈশিষ্ট হচ্ছে তিনি তার কাঠের শিল্পকর্মে একটি কাঠের উপরেই চিত্রকর্ম করেন একটি কাঠের সাথে অন্য কাঠ জোড়া দিয়ে কাজ করেন না এটা তার কাজের বৈশিষ্ট। তিনি বলেন তিনি তার কাজের জন্য কোনও প্রশিক্ষন গ্রহন করেননি ,এখন তিনি আগের মতো শিল্পকর্ম তৈরী করেন না । তিনি  বলেন আগে যখন কাজ করেছি তখন হাতুর বাটাল দিয়েই কাজ করেছি অনেক সময় লেগেছে অনেক ধৈর্য্য নিয়ে কাজ করেছি, কিন্তু এখন অনেক আধুনিক যন্ত্রপাতি তৈরী হয়েছে আগে যে কাজটি করতে ৩ থেকে ৪ মাস সময় লেগেছে সেখানে এই আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে হয়তো ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করা যেতো । 

জনাব বাহারুল লতিফের জন্য অনেক শুভকামনা রইলো সত্যি তিনি আমাদের ফরিদপুরের একজন প্রতিভাবান ব্যাক্তি হিসেবে নিজেকে সফলভাবে তুলে ধরতে পেরেছেন। তার মতো প্রতিভাবান ব্যাক্তিদের প্রতি আমরা সম্মান জানাই  তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি । ফরিদপুরের এমন প্রতিভাবান ব্যাক্তিদেরকে আমরা সবসময়ই তুলে ধরার চেষ্টা করি আপনাদের জানামতে যদি এমন কেউ থেকে থাকে যাকে আপনার কাছে প্রতিভাবান ব্যাক্তি মনে হয় আমাদের ফেসবুক পেইজে অথবা ইমেইল করে জানানোর অনুরোধ জানাচ্ছি।

0

ছিনতাই হয়েছিলো ৬ হাজার টাকা ফিরে পেলো ৩৬ হাজার টাকা

গত ১৬ই জুন ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার একজন বয়স্ক ব্যাক্তির তার বয়স্ক ভাতার টাকা তুলে বাড়ি ফিরছিলেন পথে ছিনতাইকারি তার কাছ থেকে সেই টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি র্সব প্রথম রাকিব আহমেদ রাজু নামের এক ব্যক্তির নজরে আসে পরবর্তীতে তার এই পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায় তার পোস্ট দেখে অনেকেই সাহায্য নিয়ে ছুটে  পারভেজ,লাবলু,সাহিদ,ফারুক,জাফর এবং পোস্টদাতাসহ অনেকেই  সোলাইমান শেখ এর কাছে নগদ ৬ হাজার টাকা  এবংং ৩ হাজার টাকার  বাজার নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৭ ই জুন পোস্টটি    সদরপুর উপজেলার সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘‘মানবিক’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জনাব সরোয়ার হোসেন এর নজরেও আসে তিনিও তখন তার ঘটনাটি ১৭ই জুন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম  পোস্ট করলে অনেকেই জনাব সোলাইমান শেখ এর পাশে এগিয়ে আসেন । অনেক প্রবাসীরা তাকে সাহায্য পাঠান যার পরিমান দাড়ায় ৩৬ হাজার টাকা।  এক প্রবাসীর পাঠানা টাকা মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নিজে গিয়ে সোলাইমান শেখ এর কাছে পৌছে দিয়েছেন। এবং অন্যান্য ব্যাক্তিরা নিজে গিয়ে তাকে সাহায্য তুলে দিয়েছেন। যানা গেছে সোলাইমান শেখের কোনও ছেলে সন্তান না থাকায় তিনি তার মেয়ে বাড়িতেই থাকেন।

0

মাস্ক ব্যবহার না করায় কানাইপুরে ২০জনকে জরিমানা ভ্রাম্যমান আদলতের।

মাস্ক ব্যবহার না করায় কানাইপুরে ২০জনকে জরিমানা ভ্রাম্যমান আদলতের।
আজ ১৮ই জুন ২০২০ তারিখে ফরিদপুর সদর উপজেলার শিল্প এলাকা কানাইপুরে জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকারের দিক নির্দেশনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শাহ্‌ মোঃ সজীব । এসময় মাস্ক ব্যবহার না করায় ২০জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত সেই সাথে সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় কিছু দোকান মালিককে জরিমানাও করা হয়েছে। এই অভিযানে বরাবরের মতো সার্বিক সহযোগিতা করেছেন আনসার ব্যাটিলিয়ান।
জানায় যায় ফরিদপুরে করোনা প্রাদুর্ভাব অত্যাধিক বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা প্রশাসন থেকেও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে । অঞ্চল ভেদে লকডাউনের পাশাপাশি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানও জোরদার করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলা প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধির ওপর গুরত্ব দিয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছেন । ফরিদপুরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া নতুন নতুন নির্দেশনাও প্রদান করা হচ্ছে।
0

গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করনে জেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান,জরিমানা প্রদান।

আজ ১৬ই জুন ২০২০ তারিখে জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকারের নির্দেশনার আলোকে ফরিদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহেন নিয়ন্ত্রিত পরিসরে যাত্রী পরিবহন নিশ্চিতকরনে ফরিদপুর সদর উপজেলায় জেলা প্রশাসন এর মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত এর নেতৃত্ব দান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট শাহ্‌ মোঃ সজীব । ভ্রাম্যমাণ আদালতের মনিটরিং কার্য্যক্রম চলাকালে কয়েকটি পরিবহনে অনিয়ম পাওয়া গেলে ৩৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় ।  ভ্রাম্যমাণ আদালতে আনসার ব্যাটালিয়ন সার্বিক সহয়োগীতা প্রদান করেন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের কার্য্যক্রম অব্যাহত আছে নিয়মিত।

0

বাল্যবিবাহ রুখে দিলো ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত

বাল্যবিবাহ রোধ করে দিলো ফরিদপুর প্রশাসন এর ভ্রাম্যমাণ আদালত

আজ ১৫ ই জুন ২০২০ তারিখে খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকারের নির্দেশনায়  সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাহ্‌ মোঃ সজীব  এর নেতৃত্বে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেলো নবম শ্রেণীর অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক ছাত্রী। সোমবার দুপুর ২টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি টিম এই অভিযানে অংশ গ্রহন করেন।

জানা যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে উক্ত বাল্যবিবাহের প্রস্তুতি চলছিলো খবর পেয়েই হাজির হন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত । জানা গেছে বিয়ে করতে আসা ঢাকার সাভার উপজেলার হেলাল উদ্দিনের সৌদি প্রবাসী ছেলে  আমির হামজা (২১) কে ৩ মাসের বিনা শ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালত মেয়ের নানা আতিয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। উক্ত অভিযানে সার্বিক সহযোগীতা করেছে বাংলাদেশ আনসার  ভিডিপি এবং সেচ্ছাসেবী সংগঠন তরুছায়া।

1

ফরিদপুর পৌর এলাকাকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে ফরিদপুর করোনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

ফরিদপুর পৌর এলাকাকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে ফরিদপুর করোনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

আজ ১৪ই জুন  ফরিদপুর জেলার করোনা ভাইরাস এর সংক্রমন ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে যার সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার। উক্ত সভায় ফরিদপুরের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফরিদপুর পৌর এলাকাকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষনা করা হয়েছে।

জানা যায় আগামীকাল থেকে শুধু মাত্র  পৌর এলাকার সকল দোকান ও হাট বাজার (শুধু মাত্র ঔষধের দোকান ব্যাতীত) ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্য্ন্ত খোলা রাখার নিরে্শনা দেয়া হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত স্থানেই আবার হাট বাজার স্থানান্তরিত করার কথাও বলা হয়েছে এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক ব্যবহার করে চলতে বলা হয়েছে।

জানা যায় ফরিদপুর সদর উপজেলাতেই মোট শনাক্তের সংখ্যা আজ পর্য্যন্ত ২৪৫ জন । দ্রত গতীতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেকে মনে করেন প্রশাসনকে আরও কঠোরভাবে ব্যাবস্থা গ্রহন করা উচিৎ একজন অসচেতন ব্যাক্তি ১০০ জন মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছে না ।কিছু সংখ্যক আইন অমান্যকারীকে জরিমানাও করা হয়েছে তবুও সচেতন হচ্ছে না জনগন অনেকে মনে করেন  আরও বেশি সংখ্যক আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ। অনেকে মনে করেন ফরিদপুরকে দ্রুত লক ডাউনের আওতায় আনা দরকার স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চলাচল করছে অনেকেই যার কারনে সচেতন ব্যাক্তিটিও আক্রান্তের ঝুকিতে পরে যাচ্ছেন।