FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

২৪মে ফরিদপুর করোনা আপডেট মোট আক্রান্ত ১৬৬

আজ ঈদুল ফিতর আজকেও যথারিতি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড যোদ্ধাগন করোনা ভাইরাস পরীক্ষাগারে কাজ করেছেন গতকালও করেছেন  গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১৪ জন,মোট আক্রান্ত ১৬৬ জন, ফরিদপুর সদর উপজেলায় ৪২ জন  নগরকান্দায় ২২,সালথা উপজেলায় ০১ ,ভাঙ্গা – ১৯, চরভদ্রাসন -০৬,  সদরপুর -০৫, বোয়ালমারি -৪১, আলফাডাঙ্গা – ২৫, মধুখালি -০৫,২৪ ঘন্টায় পরীক্ষা – ১৮৮, মোট পরীক্ষা – ৩৭৫৪

0

ফরিদপুরে মোট আক্রান্ত ১৫২ জন

ফরিদপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১৫২ জন। ফরিদপুরে সদর উপজেলাতেই রয়েছে ৩৯ জন এর পরেই বোয়ালমারী ৩৮ জন,নগরকান্দা ২২ জন,আলফাডাঙ্গায় ২১ জন এই উপজেলাগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি বিশেষ করে ফরিদপুর সদর উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যাটি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে তাই ফরিদপুর সদর উপজেলা নিয়ে গুরুত্বারোপ করা উচিৎ বলে মনের করেন আপামর সচেতন নাগরীক । কিন্তু বাজারে গেলে কারও মধ্যে সচেতনতার বিন্দুমাত্র ছাপ লক্ষ্য করা যায় না । ভাঙ্গা উপজেলায় একদিনের ব্যবধানে ৯জন থেকে বেরে দাড়িয়েছে মোট ১৮ জনে । প্রথম আক্রান্ত হওয়া নগরকান্দা উপজেলাতে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ জন। ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৮২ টি এই পর্য্যন্ত মোট পরীক্ষার সংখ্যা ৩৫৬৬

0

ফরিদপুরবাসী কি সচেতন হতে পেরেছে?মোট আক্রান্ত ১৩২

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ফরিদপুরে বেরেই চলেছে  ফরিদপুরবাসীর অসচেতনতাই এর জন্য দায়ী বলে মনে করেন সবাই। মোট আক্রান্তের সংখ্যা এই জেলায় ১৩২ জন সর্বাধিক আক্রান্তের মধ্যে বোয়ালমারী উপজেলা  ৩৬, তারপরেই রয়েছে  ফরিদপুর সদর – ৩১, নগরকান্দা – ২২, এবং  আলফাডাঙ্গা – ২০, সে অনুযায়ী কি এই সকল উপজেলার জনগন সচেতন? সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সকল উপজেলায়ই ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা এবং বিক্রেতাগন। একমাত্র সুস্থ উপজেলা সালথাকেও এখন  আক্রান্ত করেছে করোনা ভাইরাস। কারন একটাই ঢাকা থেকে আগত বাসীন্দার মাধ্যমে সংক্রমীত হয়েছে সালথা উপজেলা। যেখানে চিকিৎসক,প্রশাসন,সরকারী সাহায্যকারী সংস্থাগুলো সংক্রমন রোধে কাজ করছে সেখানে অসচেতন নাগরীকরা ঈদের শপিং করায় ব্যস্ত দোকানে টোকা দিলেই সাটার খুলে যায় দোকানের ক্রেতা খুশি বিক্রেতাও খুশি কিন্তু তারা কি কেউ জানে তাদের কার মাধ্যমে  এই ভাইরাসটি তার পরিবারের কাছে পৌছে যাচ্ছে?

দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চিকিৎসকগন সেবা দিচ্ছেন গরমের ভেতরে পিপিই ব্যাবহার করে ঘেমে ঘেমে নিজেদের জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন আর জনগন করোনা ভাইরাসের বিস্তার বাড়িয়েই যাচ্ছে। নিজেদের বিবেকের কাছে একবারও বাধে না যে যেখানে দেশ একটা ক্রান্তিলগ্ন সময় পার করছে সেখানে কি ঈদ মানায় এটা তো এক প্রকার যুদ্ধ বলা যায় অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে। যুদ্ধের ভেতর আনন্দ কতটা যুক্তিসংগত কত মানুষ কষ্টে দিন পার করছে সে খবর রাখেন তারা? বেশি সমস্যায় পরেছে মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো আবার অনেক প্রবাসী পরিবারও আছে যারা প্রবাস থেকে টাকা পাঠাতে পারছে না কারন তাদের কর্ম ক্ষেত্র বন্ধ আছে। আবার অনেক প্রাবাসীর পরিবার ভোর বেলায় এসে বিপনী বিতানের সামনে এসে উপস্থিত হয় কখন মার্কেটের গেইট খোলা হবে তার জন্য। একবারও কি তাদের বিবেকে কাছে প্রশ্ন জাগে না যে দেশের মানুষ না খেয়ে থাকে তাদের আজকের খাবার আছে কাল কি খাবে সেই চিন্তায় ঘুম নেই চোখে তাদের কথা কি একবারও মনে পরে না ? দিন দিন দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই সাথে মৃত্যুর মিছিলেও যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম । নিজেরা যদি সচেতন না হোন তাহলে দেশকে মৃত্যুপুরী বানানোর দায়ভার আপনারও । প্রশাসন বার বার বলছে ঘরে থাকুন নিরাপদ থাকুন কেউ সে কথায় পাত্তা দিচ্ছে না যার যেমন ইচ্ছা তেমনভাবে ঢাকা থেকে ফরিদপুর আসছেন ফরিদপুরে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেরেই চলেছে।

গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১৯ জন,২৪ ঘন্টায় সুস্থ ৭জন, মোট আক্রান্ত ১৩২ জন, উপজেলা ভিত্তিক তথ্য বোয়ালমারি -৩৬,ফরিদপুর সদর – ৩১, নগরকান্দা – ২২, আলফাডাঙ্গা – ২০, সালথা -০১ ,ভাঙ্গা – ০৯, চরভদ্রাসন -০৪,
সদরপুর -০৫,  মধুখালি -০৪, মোট সুস্থ – ১২ জন, মোট মৃত্যু- ১জন, ২৪ ঘন্টায় পরীক্ষা – ২৮২, মোট পরীক্ষা – ৩২৮৪

0

১৮ই মে ফরিদপুর করোনা আপডেট

রিপোর্ট ১৮ মে ২০২০, গত ২৪ ঘন্টায় ফরিদপুরে আক্রান্ত- ১০ জন, (মৃত্যু- ১ জন বোয়ালমারী উপজেলায়), মোট আক্রান্ত – ৬৬ জন,( ২৪ ঘন্টায় নতুন আক্রান্ত উপজেলা সালথা ১ জন, সর্বমোট তথ্য – ফরিদপুর সদর – ১০, নগরকান্দা – ১৪,সালথা -০১ ,ভাঙ্গা – ০৩, চরভদ্রাসন -০২, সদরপুর -০৪, বোয়ালমারী -২২, আলফাডাঙ্গা – ০৭, মধুখালি -০৩, মোট সুস্থ – ৫ জন, মোট মৃত্যু- ১ জন, ২৪ ঘন্টায় পরীক্ষা – ১৮৭, মোট পরীক্ষা – ২৬২৬

1

বিকাল ৪টার পরে দোকান খোলা রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরনে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত আজ ১৩ই মে ফরিদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী  ম্যাজিষ্ট্রেট এর নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বিকাল ৪টার পরে দোকান ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় একটি জুতার দোকানকে নগদ ২হাজার টাকা এবং আরও একটি প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় তাদেরকেও ২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে ।এই কার্য্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিক অংশ গ্রহনের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। ফরিদপুরের সকল উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে। ফরিদপুর জেলা প্রশসন নিয়মিত এমন কার্য্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন জনগনকে সচেতনও করে যাচ্ছেন কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেকে সরকারি আদেশ অমান্য করে গোপনে ব্যবসা চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে  জানা গেছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রোমন ঠেকাতে ইতিমধ্যে ফরিদপুর এর সকল বিপনী বিতান বন্ধ ঘোষনা করেছে ব্যবসায়ীরা। তাই সকলের সচেতনতাই পারে এই মহামারীথেকে সকলকে নিরাপদ রাখতে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেনো ঘর থেকে বের না হয় সেজন্য জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালাত সচেতন করে যাচ্ছেন তাদের এই অভিযানকে সাধারন জনগন সাধুবাদ জানিয়েছেন।

0

ফরিদপুরের ছায়া রানি সাহা ছাত্রদের মেস ভাড়া মওকুফ করলেন

দেশের এই সার্বিক দিক বিবেচনা করে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে ঈদ উপলক্ষ্যে চলতি মে মাসের দোকান এবং বাড়ি ভাড়া এবং ছাত্রদের মেস ভাড়া মওকুফ করলেন ফরিদপুর সদর উপজেলার কাঠপট্টির বাসীন্দা ছায়া রানী সাহা । জানা যায় যেখানে সমগ্র দেশ জুরে করোনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব চলছে সকলেই  অসুবিধায় আছেন ছাত্ররাও কষ্টে আছে ছাত্রদের পড়ালেখা বিঘ্নিত হচ্ছে তাদের পরিবারের উপার্জন থেমে আছে সকল দিক বিবেচনা করে ছায়া রানী সাহা মে মাসের ভাড়া মওকুফ করেছেন।  তিনি আশা প্রকাশ করেন  সকল বাড়িওয়ালা,মেস মালিক, দোকান মালিকরাও  এভাবে এগিয়ে আসবেন।

1

ফরিদপুরের মেসে থাকা ছাত্র ছাত্রীরা দিশেহারা।

ফরিদপুরের মেসে থাকা ছাত্র ছাত্রীদের আর্তনাদ কে শুনবে?
সমগ্র বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাস মহামারিতে রুপ নিয়েছে সমগ্র দেশ আজ লকডাউনে চলে গেছে। কর্মহীন হয়ে পরেছে শ্রমজীবীরা, ব্যবসায়ীরাও লোকসানে আছে সমগ্র অর্থনীতি আজ থমকে গিয়েছে শিক্ষা কার্য্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। যেসকল ছাত্রর ছাত্রীরা পড়া লেখার উদ্দেশ্যে শহরে এসেছিলো যারা পড়া লেখার পাশাপাশি কেউ টিউশনিও করতো, কেউ কেউ পার্ট টাইম জব করতো তাদেরও ইনকাম বন্ধ হয়ে আছে আজ। তারা ফিরে গিয়েছে নিজ নিজ বাড়িতে  মেসে থেকে যারা  পড়াশোনা করতো  তারা অধিকাংশই দ্ররীদ্র পরিবার এর সন্তান। তাদের পরিবারেরও হয়তো ইনকাম থেমে আছে আজ কার কাছে মেসের ভাড়ার টাকা চাইবে। হয়তো কেউ টিউশনি বা পার্ট টাইম জব করে কোনও মতে পড়ালেখার খরচ চালাতো পাশাপাশি বাসায়ও কিছু সাহায্য করতো আজ সেসকল ছাত্র বা ছাত্রীদের পথ বন্ধ হয়ে আছে। তারা অসহায় হয়ে আছে মেস ভাড়া নিয়ে আমাদের কাছে অনেকেই খোলা চিঠি পাঠাচ্ছেন অনেকে অভিযোগ করেছেন তাদেরকে মেস মালিক চাপ দিচ্ছেন ভাড়া দিতে । মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে করোনা পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয় তাহলে সেপ্টেম্বর পর্য্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে এমত অবস্থায় সকল ছাত্র  ছাত্রীরা মেস ভাড়া নিয়ে বিপাকে পরেছেন। বিগত ২০ মার্চ থেকে সকল ছাত্র ছাত্রীরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং হয়তো পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আরও ৫মাস এভাবে থাকতে হতে পারে । কিন্তু মেস মালিকগন ছাত্র ছাত্রীদের মেসের ভাড়া দিতে চাপ দিচ্ছেন এমতবস্থায় সকল ছাত্র ছাত্রীরা অসহায় এবং দিশেহারা হয়ে পরেছেন । অনেক ছাত্র ছাত্রীরা দিশেহারা হয়ে জেলা প্রশাসক বরারবর খোলা চিঠিও দিচ্ছেন । সকল ছাত্র ছাত্রীরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করছেন যেনো সমগ্র দেশের মেস মালিকগন মানবিক দৃষ্টি থেকে মেস ভাড়া মওকুফ করেন । ছাত্র ছাত্রীদের অনেক পরিবার আছে যারা এখন কোনও রকম জীবন যাপন করছেন। তারা মেস মালিকদের নিকট আবেদন করছেন  মেস মালিকগন যেনো একটা মানবিক সিদ্ধান গ্রহন করেন। হয়তো অনেক মেস মালিক আছেন যারা এই মেস ভাড়া দিয়ে তাদের পরিবার চালাতো তারাও হয়তো বিপাকে আছেন তাই সবার দিক বিবেচনা করে সুন্দর একটা সমাধান চান ফরিদপুরের মেসে থাকা ছাত্র ছাত্রীরা। উল্লেখ্য ফরিদপুর সদর উপজেলায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় এশহরে গড়ে উঠে সহস্রাধিক ছাত্রাবাস ছাত্রী নিবাস হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা এসব মেসে থেকে লেখাপড়া করে । তাই মেস মালিকরা সবদিক বিবেচনা করে মানবিক স্বার্থে এগিয়ে আসবেন এটাই প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের ।
0

সামাজিক দুরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত

সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে এবং হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে ছুটে বেড়াচ্ছেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।

আজ ২৪শে এপ্রিল ফরিদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী,আনসার, পুলিশ এর যৌথ অংশ গ্রহনে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে ফরিদপুর সদর উপজেলাসহ অন্যান্য উপজেলাতেও। যারা সরকারি নির্দেশনা মানছেন না তাদেরকে বোঝানো হচ্ছে অনেকাংশে জরিমানাও করা হচ্ছে। 

0

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে তদারকি করছে সালথা উপজেলা প্রশাসন

সামাজিক দুরত্ব বজায় এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করতে কাজ করছেন  সালথা উপজেলা প্রশাসন। আজ সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ হাসিব সরকার সালথার যদুনন্দী বাজারে গিয়ে দ্রব্যমূল্য তদারকি করেছেন কোনও ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে পন্য বিক্রয় করছে কি না সরেজমিনে খোজ নিয়েছেন এসময় তিনি  ব্যবসায়ীদেরকে দ্রব্যমূল্যের সঠিক দাম এবং মূল্য তালিকা সংরক্ষন করতে নির্দেশ প্রদান করেন সেই সাথে দ্রব্যের বাড়তি দাম রাখলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কাথাও জানান। সালথা উপজেলায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে প্রতিনিয়ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে ।
সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে সালথা কাঁচা বাজার ও মাছ বাজারকে নিকটবর্তী  বাইপাসে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে আগত সকলকে নিজ নিজ ঘরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন মেনে চলার কথা বলা হয়েছে অহেতুক বাইরে ঘোরা ফেরা করা যাবে না সন্ধ্যার পরে বাইরে বের হলেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে । সকলকে ঘরে রাখতে  কর্মহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে  খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

তথ্য সালথা উপজেলা মডারেটরঃ Md Jabbar Hosen