ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ মাসুম রেজা স্যারের নেতৃত্বে অদ্য ০৩/১২/২০২০ খ্রি. তারিখে ৩টি ফিলিং স্টেশন ও ১টি এলপিজি গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, বিএসটিআই, ফরিদপুর এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে তেল পরিমাপে কম দেয়ার অপরাধে ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২টি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাইসেন্সে উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে অধিক পরিমাণ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী দশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। অভিযানে সহকারী পরিচালক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ফরিদপুর, বিএসটিআই ফরিদপুর পরিদর্শক, এবং ফরিদপুর জেলা পুলিশের ১টি চৌকস দল উপস্থিত থেকে অভিযানে সহযোগিতা করেন।
আজ সকালে মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার স্যারের নির্দেশনায় আসন্ন ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব নিয়ে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব রিজভী জামান স্যারের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব আয়োজনের ব্যাপারে সার্বিক দিকগুলো আলোচনা করা হয়। এবারের ঘুড়ি উৎসবের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১লা জানুয়ারী২০২১ তারিখ রোজ শুক্রবার। বরাবরের মতো ফরিদপুর সদর উপজেলার পদ্মার চর ধলার মোড়েই আয়োজনটি সম্পন্ন হবে।
এবারের ঘুড়ি ও ফানুস উৎসবে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধির প্রতি। সকলকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করে উৎসবে অংশ নিতে হবে। বেলা ৩টায় উৎসবের প্রধান অতিথি মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধন করবেন। উৎসবে আকর্ষণীয় ঘুড়ি নির্মাতাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে। এছাড়া সন্ধ্যায় থাকছে ফানুস উড়ানো এবং আতশবাজী প্রদর্শন। উক্ত আয়োজন সকলের জন্য উন্মুক্ত। এবারের আয়োজনেও ফরিদপুরের সমাজসেবামূলক কাজে অবদান রাখা বিশেষ ব্যক্তি অথবা সংগঠনকে সম্মানিত করা হবে।
ছবিগুলো দেখে ছোট্ট বেলার দিনগুলির কথা মনে করিয়ে দেয়, ছোট্ট বেলায় ঠিক এই ভাবে বিয়ারিং দিয়ে গাড়ি বানিয়ে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রাম পর্যন্ত ঘুরে বেড়ানোর শতশত স্মৃতী রয়েছে ৯০দশকের প্রজন্মের। তখন এই বিয়ারিং দিয়ে বানানো গাড়ি সব জায়গাতেই দেখা যেত, এখন বর্তমান এই গাড়ি গুলো তেমন একটা চোখে পড়ে না,অনেক মজার ছিল সেই সময়টা, এখন অনেকেই মিস করে হারিয়ে যাওয়া শৈশবকে,
বর্তমান সময়ের শিশু কিশোরেরা কম্পিউটার,মোবাইল গেমসের প্রতি আসক্ত তারা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা সম্পর্কে অবগত নয় । গোল্লাছুট,দাড়িয়া বান্দা,কানামাছি,মোড়গ লড়াই,বৌ-ছি,এমন কত খেলাধুলা করে দিন পার করেছে ৯০দশকের কিশোরেরা। তা আজ কেবলই স্মৃতি এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ছুটে বেরিয়েছে টায়ার,রিং,বিয়ারিং নামক খেলার সামগ্রী নিয়ে। এমন আনন্দ গ্রামের দিকে চোখে পরলেও শহরের অট্টালিকার ভিড়ে এসব দেখা যাবে না। নিজ হাতে তৈরী করা হরেক রকমের চরকি,ডুমুর দিয়ে তৈরী করা গাড়ি,লাটিম খেলা,সুপাড়ি গাছের খোলা দিয়ে খেলা। এমন অনেক খেলা ধুলাই এখন তেমন দেখতে পাওয়া যায় না কালের বিবর্তনে।
ছবিটি গোপালদী, রায়পুর, মধুখালী থেকে তুলেছেন সজীব মোল্লা মডারেটর ফরিদপুর সদর উপজেলা।
তিনিসৌন্দর্য্যবর্ননাকরতেগিয়েভাঙ্গাইন্টারসেকশনকেনিইউয়র্কএবংমালয়েশীয়ারসাথেতুলনাকরেন।এসময়তিনিসড়কটিরবিভিন্নদিকঘুরেঘুরেদেখানকোনদিকেকোনজেলাগিয়েছে।তিনিবলেনশক্তনেতৃত্বেরহাতেদেশপরিচালিতহলেএমনবড়বড়প্রকল্প বাস্তবায়ীতসম্ভব।তিনিআরওবলেনসরকারেরউন্নয়নযদিভালোনাওলাগেতাহলেসবাইজেনোভাঙ্গারএক্সপ্রেসহাইওয়েতেএসেঘুরেযানএবংদেখারপরেবলুনআপনাদেরপছন্দহয়কিনা। এই সড়কটি দেখার জন্যই প্রতিবছর হাজার হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে আর যখন পদ্মাসেতু চালু হবে তখন দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখবে যোগ হবে নতুন জিডিপি মাত্রা। দক্ষিণাঞ্চলের দিনবদল হবে বলে সকলে মনে করছেন । পদ্মাসেতু কতটা জরুরী তা এই অঞ্চলের মানুষ উপলব্ধি করতে পারছে । ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় ফেরীর জন্য সেই সাথে তীব্র যানজট আরও কত ভোগান্তি তা বলে শেষ করা যাবে না।
আরও আগে কেনো পদ্মাসেতু তৈরী হলো না এমন প্রশ্ন সকলের মনেই জাগে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে ঢাকায় যোগাযোগ অনেকটা সহজ হয়ে যাবে গড়ে উঠবে নতুন নতুন শীল্পকারখানা সুযোগ তৈরী হবে কর্মসংস্থানের। একটি দেশের উন্নয়নে তার সড়ক এবং সেতু কতটা পরিবর্তন এনে দিতে পারে তা দেখতে হলে অবশ্যই আপনাদেরএই অঞ্চলে ঘুরে আসতে হবে।
ফরিদপুর সদর মডারেটর রোকন উদ্দিনঃ ঢাকা ফরিদপুর মহাসড়কের সবচেয়ে ভয়ংকর স্থানের নাম কোমরপুর থেকে রাজবাড়ী রাস্তার মোড় পর্যন্ত রাস্তা। মহাসড়কের এই অংশতে থেমে থমে প্রতিনিয়ত কোন না কোন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘতেই চলছে।
আজ আরো একটা দুর্ঘটনা ঘটল।অল্পের জন্য বেচে গেল কয়েকটি তাজা প্রাণ। বাহিরদিয়ার পর থেকে সোজা রাস্তা হওয়ার যে কোন বড় যানবহন তার সর্বোচ্চ গতি ব্যাবহার করতে সক্ষম হয় এই অংশতে, গত দু বছরে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনাগুলো – ১.বাহিরদিয়া কোমরপুরের মাঝে পিকআপ ভ্যানের নিচে চাপা পরে আব্দুল্লাহ নামের এক ছেলের মৃত্যু। ২.ধুলদি ব্রীজে বাস খাদে পরে বেশ কয়েকজন নিহত। ৩.এরপর একদিন সকালে মুসলিম মিশনের শিক্ষকের মৃত্যু দ্রুতগতির মাহিন্দ্রের ধাক্কায়। ৪.কোমরপুর স্কুলের সমনে গ্রীনলাইন ভলবোর খাদে পরে যাওয়া। ৫.মুসলিম মিশনের আরো এক কর্মচারীর গতিশীল মোটরবাইকের ধাক্কায় পা ভেঙ্গে যায়।
৬.কিছুদিন আগে মুসলিম মিশন কলেজের প্রিন্সিপাল স্যারের ওয়াইফের রিকশায় ধাক্কা দেয় দ্রুতগতীর মোটরবাইক। তখন রিকশা থেকে পরে তার হাত ভেঙ্গে যায়। ৭. একই জায়গায় মাঝবয়সী এক যুবককে দ্রুতগতীসম্পন্ন বাস এমনভাবে পৃষ্ট করে যে যুবকের পরিবারের সদস্যদের’ই লাশ শনাক্ত করতে কষ্ট হয়। যুবকের মাথার উপর দিয়ে বাসের চাক্কা চলে যায়। সে এক বীভৎস দৃশ্য। ৮. কোমরপুর স্ট্যান্ডে এক সাইকেল চালকের মাথার অর্ধেক পৃষ্ট হয় বাসের চাকার নিচে। ৯. এবছরের প্রথমদিকে অতিরিক্ত গতী থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক মাইক্রোবাস মিশনের সামনের নর্দমায় পরে যায়। ১০. গতবছরে সাউথ লাইন পরিবহনের একটি বাস কোমরপুর যাত্রীছাওনির উপর দিয়ে উঠে যায় অতিরিক্ত গতীর কারণে। সেখানে অপেক্ষমাণ ২ জনের তৎক্ষনাত মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও গতবছরই খৃস্টান মিশনের সামনে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পরে যায়।
এভাবে ফরিদপুরের এই অংশে প্রতিবছরেই ৫-৬ টি দূর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রত্যেক দূর্ঘটনায় কেউ না কেউ প্রাণ হারাচ্ছে। এরমধ্যে শুধু মুসলিম মিশনের শিক্ষক মারা যাওয়ার পর মিশনের সম্পাদক এম এ সামাদ স্যার প্রশাসনের কাছে অনেক আবেদন করেও একটি স্পীডব্রেকার দিতে পারেন নি তবে তখন মিশনের সামনে দুটি Ramble Step দিয়েছিল প্রশাসন। অন্যদিকে কোমরপুর থেকে মুসলিম মিশন পর্যন্ত সড়ক বিভাগের অবস্থা যদি সড়ক বিভাগও দেখতো তাহলে তারাও বুঝি লজ্জা পেতো। ভারী ট্রাক চলার দরুন রাস্তায় লম্বা গর্তের র্সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ছোট গাড়ীর ব্যালেন্স রাখা অনেকটাই কষ্টসাধ্য ব্যাপার, এদিকে সড়ক বিভাগ বা প্রশাসনের কোন নজরদারী লক্ষনীয় না । হ্যা এখানে যদি আবার বড় কোন ট্রাজেডি ঘটে তখন ঠিকই প্রশাসনের নজর পরবে, এখন আরো একটি বড় দূর্ঘটনা দেখার অপেক্ষাই কি সমাধান তাহলে?
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ তারিখে ফরিদপুরের অন্যতম ব্যান্ড অংশ এর ১ম এ্যালবাম আত্মকথন এর ১ম গান শুরু থেকে শেষ প্রকাশিত হয়ে তাদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।পদ্মার দক্ষিণে ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা ফরিদপুর।শিল্প সংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ হলেও এই জেলা শহরে ব্যান্ড মিউজিকে তখন চলছিলো ভাটা।অগ্রজদের ব্যান্ড লাইন আপগুলো তখন স্তিমিত, শহরে কোন কনসার্ট বলতে শুধু বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর কমার্শিয়াল বাংলা ও হিন্দি গান পরিবেশনা।এরকম অনেক শো’তে অধিকাংশ নিজের রুচি ও পছন্দের বাইরের গানে ক্ষ্যাপ বাজিয়ে ক্লান্ত দুই গিটারিস্ট,মুবদিউ এবং সুদীপ্ত।তারা নিজেদের একটা ব্যান্ড করার ইচ্ছা পরষ্পরকে জানান,সাথে যুক্ত হয় মুবদিউ এর ভাই মুদাব্বির।
২০১৫ এর ১৪ই আগস্ট গিটার ও ভোকালে মুবদিউ,গিটারে সুদীপ্ত,ড্রামসে মুদাব্বির ও বেইজ গিটারে সোহেলকে নিয়ে যাত্রা শুরু করে ব্যান্ড “অংশ”।পরবর্তীতে ভোকাল হিসেবে যুক্ত হন মেহেদী ও গিটারে তপু।কিছুদিন পর ব্যাক্তিগত কারনে মেহেদী ব্যান্ড ত্যাগ করে এবং এরপর ব্যান্ড ত্যাগ করেন তপুও।তখন ভোকাল ও রিদম গিটারে যুক্ত হন ইশতিয়াব রাজিব,কীবোর্ডে আসেন জুনেট।এসময় ব্যান্ডের প্র্যাকটিসের জন্য বায়তুলামানে নিজভবনে একটি রুমের ব্যাবস্থা করে দেন রুবাই ভাই। কিছুদিন পর সোহেল ব্যান্ড ত্যাগ করলে জুনেট ভাই বেজ ধরেন।ব্যান্ডে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে কীবোর্ড ও ভোকালে আসেন তানিয়া।এই লাইনআপে তিনবছর বেশ চলছিলো “অংশ”।
শহরে নিয়মিত শো এর পাশাপাশি মুবদিউ এর কথা ও সুরে তারা শুরু করেছিলো গান তৈরির কাজ।কিছুদিন পর জুনেট ভাই শারীরিক অসুস্থতার জন্য ব্যান্ড ছাড়লে বেজিস্ট হিসেবে ব্যান্ডে যোগ দেয় ধ্রুব তন্ময়।ব্যান্ডে যুক্ত হওয়ার পর মুবদিউ এর সাথে ধ্রুবও নিয়মিত লিরিক ও সুর দিতে থাকে ব্যান্ডে।কিন্তু কিছুদিন পর পড়াশোনা ও পারিবারিক কারনে ব্যান্ড ছাড়ে তানিয়া।এরপর বাঁশিতে যোগদান করে বৃন্ত দাস বাঁধন,ব্যান্ডের প্রয়োজনে কীবোর্ডের দায়িত্বও নেয় সে।তার বাঁশি ব্যান্ডে যোগ করে এক ভিন্ন মাত্রা।এর কিছুদিন পর ব্যাক্তিগত কারনে ব্যান্ড ছাড়েন ইশতিয়াব রাজিব।এই পর্যায়ক্রমিক ভাঙাগড়ায় নিজেদের গান এর কাজ শুধু মন্থর হতে থাকে।কিন্তু গত বছর ব্যান্ড অংশ সিদ্ধান্ত নেয় তাদের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের এবং অক্টোবরের ২৯ তারিখ তারা তাদের প্রথম অ্যালবাম “আত্মকথন” থেকে প্রথম গান “শুরু থেকে শেষ” রিলিজ দেয়। গানটির কথা ও সুর মুবদিউ এর এবং কন্ঠ দেয় বৃন্ত দাস বাঁধন।গানটি তারা একযোগে ইউটিউব,স্পটিফাই,গান অ্যাপ,অ্যাপেল মিউজিক,ডিজার,এমাজন মিউজিক সহ বিভিন্ন স্ট্রিমিংসাইটে রিলিজ করে।সম্প্রতি কলকতার একটি অনলাইন রেডিও “আনকোরা রেডিও”তে তাদের গান বাজছে।
অংশের প্রথম অ্যালবাম “আত্মকথন” এ রয়েছে মোট আটটি গান,গান গুলো তারা পর্যায়ক্রমে আগামি বছরের ভিতর করবে।ব্যান্ড অংশ’র লোগো ও এই অ্যালবাম আর্টটি তৈরি করেছেন অভিষেক শীল।অংশের এই পথচলার একদম শুরু থেকে দিক নির্দেশক ও অভিভাবক হিসেবে সাথে ছিলেন সংগীতপ্রিয় এক ভাই।তার সঠিক দিকনির্দেশনা ছাড়া এই পথচলা এত মসৃণ হতোনা। সবশেষে গত নভেম্বর ৬,২০২০ তারিখে ব্যান্ডে গিটারিস্ট হিসেবে যোগদান করেন অংশ’র সর্বকনিষ্ঠ সদস্য প্রীতম। প্রীতম ফরিদপুর জিলা স্কুলের নবম শ্রেনীর ছাত্র।অংশর বর্তমাব লাইন আপ :এখন অংশ’র বর্তমান লাইন আপ হলো মুবদিউ(গিটার ও ভোকাল),সুদীপ্ত(গিটার),মুদাব্বির(ড্রামস),ধ্রুব(বেজ ও ভোকাল),বাঁধন(বাশি,কীবোর্ড ও ভোকাল)প্রীতম (গিটার)।অংশ’র গান শুনতে, তাদের সাপোর্ট করতে ও নিজেদের মতামত জানাতে আপনারা ঘুরতে আসতে পারেন তাদের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেল।
ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সাউথ হলের বাবুর্চি মামার দুই ছেলেমেয়ে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত। তাদেরকে প্রতি মাসে এক ব্যাগ করে রক্ত দিতে হয় নতুবা তারা দুর্বল ও অসুস্থ হতে থাকে। এতোদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাবুর্চি মামার দুই সন্তানের জন্য রক্ত যোগার করা কষ্ট সাধ্য হয়ে পরেছে। যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা ছিলো তখন ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরাই রক্ত প্রদান করতো চিন্তা করতে হতো না।
ছবি সালমান রহমান পিয়াল
করোনার মহামারীর কারনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার কারনে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও বন্ধ হয়ে যায় চলে সকল শিক্ষার্থী নিজ নিজ বাসায় । আর এদিকে অসহায় হয়ে পরে বাবুর্চি মামা,এখন কোথায় রক্ত পাবে সে দুই সন্তানের জন্য প্রতি বছর ২৪ ব্যাগ রক্ত। তখন আমাদের মডারেটর সালমান রহমান পিয়াল তিনি নিজেও এই সন্তানদেরকে তিন মাস পর পর এক ব্যাগ করে রক্ত দিয়ে থাকেন। তিনি নিজ দায়িত্বে তাদের রক্তের জন্য গ্রুপে পোস্ট দেন এবং রক্তের ব্যবস্থা করেন। আজ আমাদের টিমের মডারেটর মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয় রক্ত দান করেছেন। মেহেদী হাসান হৃদয় নিয়মিত রক্ত প্রদান করেন,তার জন্য অনেক দোয়া রইলো। সামনের মাসে আবার রক্তের সন্ধান করতে হবে যদি কোনও হৃদয়বান পোস্ট টি দেখে থাকেন অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। যোগাযোগ: 01521331216 সালমান রহমান পিয়াল মডারেটর ফরিদপুর সদর।
অবশেষে ৩০ অক্টোবর থেকে মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাজশাহী থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত চলাচল করবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজ ভাঙ্গা স্টেশনেও ট্রেন চলাচল এর ব্যাপারে মাইকিংও হয়েছে । খবরটি জানার পর থেকেই সকলের মাঝে অন্যরকম আনন্দ দেখা গেছে। অনেকেই ইতমধ্যে ভ্রমনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে কখন চালু হবে কত ভাড়া ইত্যাদি ।
মধুমতি আন্তনগর ট্রেনটি সপ্তাহে একদিন সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে অন্যান্য দিন সময় অনুযায়ী চলবে।ট্রেনটি সকাল ৮টায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে রাজবাড়ী হয়ে ফরিদপুর স্টেশনে পৌছাবে দুপুর ১টা ১৫তে ৩মিনিট বিরতির পর ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে ছাড়বে ১টা ১৮তে ,ভাঙ্গা স্টেশনে পৌছাবে দুপুর ২টায়। সেখানে ২৫ মিনিটের বিরতি নিয়ে ভাঙ্গা স্টেশন থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে ২টা ২৫ মিনিটে, ফরিদপুর স্টেশনে পৌছাবে ২টা ৫৬তে, ৩ মিনিট বিরতির পর ২টা ৫৯ মিনিটে ফরিদপুর স্টেশন থেকে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন ,পরবর্তীতে কালুখালি জং যাত্রা করবে। কালুখালি হতে বিদ্যমান সময়সূচী অনুযায়ী রাজশাহী চলাচল করবে। বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়াঃ ফরিদপুর থেকে রাজশাহীর ভাড়া শোভন সাধারন ২১০ টাকা, ১ম শ্রেণীর চেয়ার ৩৩৫ টাকা, শোভন চেয়ার এর ভাড়া ২৫০ টাকা।
গতকাল ছিলো বাংলা থিয়েটার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং একযুগ পূর্তি, ২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর বাংলা থিয়েটার প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল, গতকাল বাংলা থিয়েটারের ১২ বছর পূর্ণ হল। দিনটি বাংলা থিয়েটার এর কার্যালয়ে উদযাপন করা হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা থিয়েটারের সকল নাট্য কর্মী সেই সাথে উপস্থিত ছিলেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব রিজভী জামান ,আরও উপস্থিত ছিলেন সাইফুল হাসান মিলন_ কালচারাল অফিসার মাদারীপুর, কামরুজ্জামান তাপু_ অভিনেতা থিয়েটারকর্মী এবং সংগঠক, শিল্পী সাহা-সংগীতশিল্পী। এমএস পলাশ খান টিভি অভিনেতা ও মঞ্চনাট্যকর্মী, ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ- সাধারণ সম্পাদক ফরিদপুর আবৃত্তি সংসদ,ও বিভিন্ন সংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব।
বাংলা থিয়েটার সভাপতি জনাব মোঃ আনিসুর রহমান এর হাত ধরে বাংলা থিয়েটারের পথচলা শুরু। দীর্ঘ ১২ বছরে বাংলা থিয়েটার এ যাবত কালে ২২ টি প্রযোজনার ১৪৩ টি শো হয়েছে ১০ টি পথনাটক করেছে বাংলা থিয়েটার ৪ টি নাট্যৎসব করেছে , ৬ টি কর্মশালার আয়োজন করেছে। বাংলা থিয়েটারের নামকরণ কিভাবে করা হয়েছে জানতে চাইলে বাংলা থিয়েটারের সভাপতি জনাব আনিসুর রহমান বলেন বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা, আমি বাঙালী, আমার কৃষ্টি কালচার বাঙালী তাই দলের নাম বাংলা থিয়েটার। নামকরন করেছেন আনিসুর রহমান ও নিত্য রবি দাস, অমৃতা ইসরাত শাখি। মনোগ্রাম ডিজাইনার নিত্য রবি দাস।গঠনতন্ত্র রচয়িতা আনিসুর রহমান ও অমৃতা ইশরাত শাখি।
পরিচিতিঃ সভাপতি :মোঃ আনিসুর রহমান সহ-সভাপতি: মোঃ মোহাম্মদ আসিব উজ জামান রুপম সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ মিঠুন হোসাইন সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার সৌরভ সাংগঠনিক সম্পাদক: এন ইউ প্রিন্স দপ্তর সম্পাদক: পল্লব বিশ্বাস প্রচার সম্পাদক: শেখ জনি কার্যকরী সদস্য মুক্তা বিশ্বাস, আকলিমা আক্তার আখি, আব্দুর রউফ ঋত্বিক। উপদেষ্টামন্ডলী: এমএস পলাশ খান সাইফুল হাসান মিলন আব্দুর রউফ মণ্ডল ।
সম্মাননাঃ বাংলা থিয়েটার দেশ এবং দেশের বাইরের বিভিন্ন সম্মাননা অর্জন করেছে তার মধ্যে সেলিম আল দীন স্মরণউৎসব পদক, বিজন শীল সম্মননা পদক,জসিম উদ্দিন মেলা সম্মান না স্বারক,নাট্যমেলা শিবচর সম্মাননা স্বারক,মাদারিপুর শিল্পকলা স্বারক,সেলিম আল দীন স্বরণউৎসব মঙলনাট রাজবাড়ি স্বারক,২য় আন্তজাতিক নাট্যউৎসব কলিকাতা পদক,রানাঘাট ভারত বাংলাদেশ সম্মাননা স্বারক,প্রায়াসাম প্রণাম প্রতিদিন কলিকাতা পদক,উৎস নাট্যদল ঢাকা সম্মাননা স্বারক প্রমুখ।
যেসকল নাটক মঞ্চায়তি হয়েছেঃ ১.বাতাসির জন্য যুদ্ধ ২.থাবা ৩. রাখালি ৪. ঘটনা দুঃঘটনা ৫.সুনাই কইন্যার পালা ৬আটকলা ৭. মান্দার ৮. আগুন পাখি ৯.নিমজ্জন১০.কৃষ্টি ১১.বেদের বহর ১২.মশার রাজ্য মমহামারী ১৩.রুপবানের বনবাস ১৪.কবর ১৫. মোসুমীদের কান্না ১৬. দুর্ণিতি সমাচার ১৭. নাপিত ব্রাহ্মন।১.বাতাসির জন্য যুদ্ধ ২.থাবা ৩. রাখালি ৪. ঘটনা দুঃঘটনা ৫.সুনাই কইন্যার পালা ৬আটকলা ৭. মান্দার ৮. আগুন পাখি ৯.নিমজ্জন১০.কৃষ্টি ১১.বেদের বহর ১২.মশার রাজ্য মমহামারী ১৩.রুপবানের বনবাস ১৪.কবর ১৫. মোসুমীদের কান্না ১৬. দুর্ণিতি সমাচার ১৭. নাপিত ব্রাহ্মন।১৮. দস্যু দৈব দোষী১৯. কৃষ্টি ২০. ভেষজ দর্পণ ইত্যাদি।
Recent Comments