FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

অম্বিকাচরণ মজুমদার

১৮৫১ সালের ৬ জানুয়ারী বৃহত্তর ফরিদপুরের বর্তমান মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার সেনদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন অম্বিকাচরণ মজুমদার। আইনজীবী, রাজনীতিবিদ এই সমাজসেবীর জন্ম সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে। ১৮৭৪ সালে এ,বি,এ পাশ করার পর মেট্রোপলিটন ইন্সষ্টিটিউট। শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত হন। শিক্ষকতা করার সময় এম,এ ও বি,এল পাশ করে ফরিদপুর বারে আইন ব্যবসায় যোগদান করেন। কংগ্রেসের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এ সম যদুনাথ পাল ছিলেন কংগ্রেসের সম্পাদক। অম্বিকাচরণ মজুমদারের সভাপতিত্বে ফরিদপুরে ১৯০৫ সালের জানুয়ারী মাসে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। অম্বিকাচরণ মজুমদারের নেতৃত্বে ফরিদপুরের উকিল ও মোক্তারগণ স্বদেশী আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন। জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অম্বিকাচরণ মজুমদার রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রতিষ্ঠাত এবং কংগ্রেসের ৩১তম সভাপতি ছিলেন।

0

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২২

সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি ২০২২ 

আজ শনিবার সারা দেশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে রবিবার থেকে বাংলাদেশে রোজা রাখবেন মুসল্লিরা। যারা ফরিদপুর জেলায় বসবাস করছেন তারা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর সময়সূচী সঙ্গে যদি মিলিয়ে রোজা পালন করতে চান তাহলে  নিজ জেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর শাখা হতে প্রকাশিত সময়সূচির সাথে সময় মিলিয়ে নিবেন । ফরিদপুরের সেহরী ও ইফতারের সময়সূচী আমাদের ওয়েবসাইটে রবিবার প্রকাশ করা হবে।

১৪৪৩ হিজরি সালের পবিত্র রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ( ঢাকা জেলার জন্য)

1

তারাপদ স্যারের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী

ফরিদপুরের বাতিঘর নামে পরিচিত, প্রবীণ সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ শ্রী জগদীশ চন্দ্র ঘোষ (তারাপদ স্যার) এর আজ ১ম মৃত্যুবার্ষিকী। শহীদ পরিবারের সন্তান জগদীশ চন্দ্র ঘোষ ১৯২৯ সালের ৬ আগস্ট মানিকগঞ্জের কাঞ্চনপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবা শহীদ যোগেশ চন্দ্র ঘোষ, মা প্রফুল্ল বালা ঘোষের জ্যেষ্ঠ সন্তান তিনি। ২০০৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি ফরিদপুর জেলা ইউনিটের শহীদ সাংবাদিক সামসুর রহমান স্বর্ণপদক লাভ করেন। ২০১৯ সালে তিনি আইপিডিসি-প্রথম আলো সেরা প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা লাভ করেন।
২০২১ সালের ২রা এপ্রিল তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যবরন করেন তার বয়স হয়েছিলো ৯২ বছর তারাপদ স্যার শৈশবে স্বদেশি আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯৪২ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে কারারুদ্ধ হয়েছিলেন। 

0

পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ ফরিদপুর

পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ

, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই মসজিদে জাপানি টাইলস দিয়ে কারুকার্য করা হয়েছিলো। কারিগড় আনা হয়েছিলো দিল্লি থেকে । ফরিদপুর সদর উপজেলায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি সম্পর্কে আরও অজানা তথ্য জানতে প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত দেখুন

ফরিদপুরের দৃষ্টিনন্দন ও ঐতিহাসিক মসজিদ নিয়ে নির্মিত তথ্য চিত্রে আজ আমরা দেখবো ফরিদপুরের পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ। মসজিদটি ১৯৩৮ সালে নির্মান কাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৯৪০ সালে,। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদের নির্মান কাজ করেছিলো দিল্লির কারিগড়।
(প্রতিষ্ঠাতা)
পুরাতন কোর্ট মসজিদটি প্রতিষ্ঠায় যার অবদান না বললেই না তিনি হলেন বর্তমান রাজবাড়ী জেলা ততকালীন ফরিদপুর জেলায় জন্ম নেয়া জনাব মৌলভি তমিজউদ্দিন খান, তিনি পেশায় আইনজিবী ছিলেন ফরিদপুর জজ কোর্টে, সেই সাথে রাজনীতিবিদও, পরবর্তীতে তিনি অবিভক্ত বাংলায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।
(১ম ইমাম)
এই মসজিদের ১ম ইমাম ছিলেন জনাব আফতাব উদ্দিন যিনি মাসে ২৫ টাকা বেতন পেতেন।

(অবস্থান)
মসজিদটি ফরিদপুর সদর উপজেলায় অবস্থিত শেখ জামাল স্টেডিয়াম সংলগ্ন জোনাল সেটেলমেন্ট ভবনের পাশেই। সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ও স্টেডিয়াম মধ্যবর্তী সড়কের পাশে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি যে কারও নজর কারবে।

(মসজিদের বর্ননা)
তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটির মাঝের গম্বুজটি আকারে বড়, অন্য দুটি গম্বুজ কিছুটা ছোট, মসজিদের সামনে দুটি ছোট মিনার রয়েছে এবং মাঝে দুটি বড় মিনার রয়েছে, এছাড়াও ছোট ছোট আরও বেশকিছু মিনার দেখতে পাওয়া যায় । বড় মিনার দুটি সিরামিক কারুকার্য সমৃদ্ধ, মসজিদের গম্বুজেও রয়েছে সিরামিক বাসনের কারুকার্য এছাড়া মসজিদের ভেতরে রয়েছে জাপানি টাইলস এর নান্দনিক কারুকার্য যা মসজিদের সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করেছে কয়েকগুন। মসজিদের মেহরাবটিকে বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, মসজিদের মূল কক্ষে রয়েছে দুটি পিলার এবং বারান্দায় রয়েছে ৫টি, পিলারগুলোও বিভিন্ন নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । মসজিদ নির্মান কাজ চলাকালীন সময়ে অর্থ সংকট থাকায় তৎকালিন সময়ে শুধুমাত্র বারান্দায় মোজাইক করা হয়েছিলো, কিন্তু ভেতরে মোজাইক করা হয়নি। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী মসজদটিকে বর্ধিত করার জন্য ৮লাখ টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
মসজিদটি শুরুতে ২৩ শতাংশ জমির উপরে নির্মিত হয় এই মসজিদটি। পরবর্তীতে মসজিদের জন্য জনাব আব্দুল আজিজ এর অনুরোধে জেলা প্রশাসক জনাব আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আরও ৭ শতাংশ জমি মসজিদের নামে জমি বরাদ্দ করেন। বৃটিশ আমলে নির্মিত এই মসজিদটিতে এক সাথে প্রায় ৫শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের ভেতরেই রয়েছে অযুখানা এবং পাশেই অবস্থিত ছাত্রাবাস।

মসজিদের সামনে বেশ কিছুদিন অন্য স্থাপনা থাকায় মসজিদটি আড়ালেই ছিলো বর্তমানে মসজিদটিকে রাস্তা থেকেই দেখা যায় । সংস্কার কাজ এবং রং এর কাজ করার পরে মসজিদটিকে আরও সুন্দর লাগছে।

১৯৫৮ সাল থেকে ৪০ বছর এই মসজিদে কর্মরত ছিলেন জনাব আব্দুল আজিজ তার কাছ থেকে জানুন আরও কিছু অজানা তথ্য।
আপনাদের কাছে তুলে ধরা হলো।

https://www.youtube.com/watch?v=I-NbMm0kqSU

0

ফরিদপুরের কুরিয়ার সার্ভিস ফোন নাম্বার ও ঠিকানা

কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিসেস লিমিটেড, ফরিদপুর

Faridpur Continental Courier Service

01511-501500, 01976752030

করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিস ফরিদপুর

01755-554723

সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস ফরিদপুর

0631-66732

ঠিকানা: কবি জসীম উদ্দিন সড়ক / আলিপুর বলেই চিনে সবাই।

Janani Courier Service

জননী কুরিয়ার সার্ভিস ফরিদপুর

01871-042831 01871-042831

ইউ এস বি কুরিয়ার সার্ভিস ফরিদপুর

01701-208495 01701-208495

এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিস ফরিদপুর

0631-65982

01755-512870

ঠিকানা: শাপলা সড়ক

Central Courier Service ফরিদপুর

ঠিকানা: কবি জসীমউদ্দীন সড়ক

ডেলিভারি সার্ভিস ফরিদপুর

 01874621088

RedX Parcels And Courier Service ফরিদপুর

01958520103ঠিকানা অম্বিকাপুর রোড 

Steadfast courier ফরিদপুর অফিস

Zohora Manjil,Mollah bari sarak,goalchamotsreeongan,Faridpur

service 01744497697 / 09678045045

Pathao ফরিদপুর অফিস

মোবাইল:০১৮৩৮৫১২৩৮১

ঠিকানা:  ১০/বি কাশেম মঞ্জিল- ৪, ফরিদপুর পুলিশ লাইনের বিপরীতে, ফরিদপুর সদর

 

এ জে আর পার্সেল ও কুরিয়ার সার্ভিস ফরিদপুর

  A j r

ফরিদপুর অফিস: নবাব আলী টাওয়ার, ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালের সামনে, আলীপুর, ফরিদপুর। ফোন: ০১৭৩৩-৩৮৪৮৫৫, ০১৭৩৩-৩৮৪৮৫৪

ওমেক্স কুরিয়ার ফরিদপুর

ঠিকানা:দক্ষিণ আলিপুর, কোতয়ালি (আলিপুর কবরস্থানের পাশে)ফোন(GP):01313349665
ফোন(BL):01992086065

ponnobili ফরিদপুর 

01722118090 Huv Incharge

জেনে নিন ফরিদপুরের সকল উপজেলার পোস্ট কোডগুলো

Alfadanga 7870
Bhanga 7830
Boalmari 7860
Char Bhadrasan 7810
Faridpur Sadar 7800
Madhukhali 7850
Nagarkanda 7840
Sadarpur 7820
Saltha 7860

 

0

জেনে নিন ফরিদপুরের সকল রেস্টুরেন্ট এর নাম ফোন নাম্বার

ফরিদপুর সদর উপজেলার রেস্টুরেন্ট তালিকা ও ফোন নাম্বার। এই তালিকায় কারও নাম বাদ গেলে অনুগ্রহ করে আমাদের ইমেইল করুন নাম ফোন নাম্বারসহ  আমরা তালিকায় যুক্ত করে দিবো। [email protected] 

ফরিদপুর শহরের কমিউনিটি সেন্টার এবং রেস্টুরেন্টোর ফোন নাম্বার এবং তালিকা।

অম্বিকা মেমোরিয়াল হল:

পৌর অডিটোরিয়াম:

আলাউদ্দিন কমিউনিটি সেন্টার 

বুকিং নাম্বার 01711-608269,01818-682005

স্বপ্ন ছোয়া কমিউনিটি সেন্টার

মেজবান পার্টি সেন্টার

01860-511589,01722-844994

ফরিদপুর পৌর কাম অডিটরিয়াম

যোগাযোগ নাম্বার:

অম্বিকা মেমোরিয়াল হল

যোগাযোগ নাম্বার:

1.সিরিন গার্ডেন 01714-117020 https://www.facebook.com/SereneGardenFaridpur
2.টেরাকোটা 01732-448855 https://www.facebook.com/Terracotta-Restaurant-111554575683027

3.রেইনফরেস্ট
4.কফি টাইম
5.নবান্ন রেস্তোরাঁ
6.শাহী রেস্তোরাঁ
7.সুইট রেস্তোরাঁ
8.অ্যাবলুম 01720-000104

https://www.facebook.com/abloomcafeteria http://www.abloomcafeteria.webs.com/
9.ফ্রেসকো
10.ঢাকাইয়া ভর্তা ভাত
11.নিউ স্টার কাবাব হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট।
12.জল খাবার রেস্তোরাঁ
13.ডলসে ভিটা
14.রংধনু 01768-902045 https://www.facebook.com/Rongdhonucafe/
15.লালিগা
16.ক্যাফে ম্যাংগো
17.ফুডডস  https://www.facebook.com/fooddoos

18.রেড চেরি রেস্টুরেন্টে
19.এফসি
20.ডুপ্লেক্স
21.বার্গারিজ
22. ব্রকেন শিপ
23.বেল পিয়াটো 01767-454443  https://www.facebook.com/belpiatoo.fc
24.কাবাব& কারি
25.বার্বাডোস
26.ওয়েসিস
27.ওয়াটার ওয়াল্ড
28.নুরা ক্যাফে 01733-311011 https://www.facebook.com/nooracafebd/
29.হোটেল নিউ মার্কেট
30.বেকিং ফ্যাক্টরি
31.পানকৌড়ি রেস্টুরেন্ট
32.স্বপ্নীল বিরিয়ানি হাউস &রেস্টুরেন্ট
33.বুম
34.বেইগ’স ভিল
35.ডাবিস্তান(Dabistan)
36.ফুড হান্টার
37.রয়েল চিলিক্স
38.ধানসিঁড়ি
39.খন্দকার হোটেলে &রেস্টুরেন্ট

40 ট্রি হাউস

41 প্যানডোরা

42 গোল্ডেন এরা

 

2

ফরিদপুরের জনপ্রিয় কিছু খাবার তালিকা

আমাদের ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রয়েছে বিভিন্ন স্বাদের খাবারের সন্ধান আমাদের গ্রুপ ফরিদপুর লাইভ এর বন্ধুদের মাধ্যমে জেনে নিলাম তাদের নিজ নিজ উপজেলার বিভিন্ন স্বাদের খাবারের নাম এবং ঠিকানা।

ফরিদপুরে রয়েছে বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার এবার আপনাদের সেসব খাবের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো।

ফরিদপুর নামটা শুনলেই ভেসে উঠে ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুড়ের কথা, ফরিদপুরের খেজুর গুড়ের সুনাম রয়েছে শতবছর ধরে। ফরিদপুরে এলে অবশ্যই খেজুর গুড়ের স্বাদ নেয়ার আমন্ত্রন রইলো।

এরপর যে খাবারটির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো সেটি হচ্ছে

লক্ষি মিষ্টান্ন ভান্ডারের গুরুপদর লুচি আর আলুর দম।

অতুলীয়ন স্বাদের এই লুচি আলুর দম এর স্বাদ নিতে আসতে হবে স্টেশন রোডের এই বাজারে

প্রায় ৪০ বছর যাবত সুনামের সাথে লুচি আর আলুর দম বিক্রি করে আসছেন তিনি ,তার উদ্দেশ্য কম টাকায় ভালো খাবার।

এবার যে খাবারটির কথা সেটি হলো শহরের চরকমলাপুরে অবস্থিত লাজিজ হোটেলের কবুতরের চপ,

দীর্ঘকাল ধরে এই দোকানটিতে কবুতরের চপ বিক্রি হয়ে আসছে ।

এবার যে খাবারটির কথা বলবো সেটির নাম শুনলেই আপনার জিভে জল চলে আসবে।

হ্যা বন্ধুরা বলছি অনাথের আচারের কথা। স্বুস্বাদু এই আচারের সুনাম ফরিদপুর জুড়ে এই স্থানটির নামও অনাথের মোড়।

 

ছিরাভিরা

নামটা অদ্ভুত হলেও খাবারটা কিন্তু বেশ সুস্বাদু , ফরিদপুর নতুন বাসস্ট্যান্ডের খুব কাছেই হেলিপোর্ট বাজারের

এই দোকানেই পাওয়া যায় এই খাবারটি। এটি এক প্রকার বড় আকাড়ের পরটা সাথে স্বস্বাদু ডাল দিয়ে পরিবেশন করা হয় খাবারটি। বলে রাখা ভালো এই খাবারটি খেতে হলে আপনাকে অব্যশই সকাল ৯টার ভেতরে আসতে হবে না হলে কিন্তু পাওয়া যাবে না।

এরপর যে খাবারটির কথা বলবো

ইতিমধ্যে সারা দেশ জেনে গেছে তার খাবারের স্বাদের কথা

বলছি মামুন ভাই এর শাহী চটপটির কথা

ফরিদপুর শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত বাটা বাজারের সামনে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় তার বেচাকেনা চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। দুর দুরান্ত থেকে প্রতিদিন এই শাহী চটপটির স্বাদ নিতে ছুটে আসেন ভোজন প্রেমীরা।

 

ঝাল তো হলো চলু এবার মিষ্টি মুখ করা যাক

 

ফরিদপুরের তেতুল তলার  এই মিষ্টি পল্লীতে আপনাকে অবশ্যই আসতে হবে রোসগোল্লার স্বাদ নিতে।

প্রতিটি দোকানের মিষ্টির স্বাদই অতুলনীয় তবে আদী এবং ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লার স্বাদ নিতে হলে আপনাকে খোকা মিয়ার মিষ্টি দোকানের স্বাদ অবশ্যই নিতে হবে তা না হলে আপনার ফরিদপুর ভ্রমন অসম্পূর্ন থেকে যাবে।

ফরিদপুরের বাগাটের দই এর সুনাম দেশজুড়ে রয়েছে ময়রাপট্টীর আমিত্তি এবং দানাদার মিষ্টি খেলে আপানর শৈশবের স্মৃতী মনে পরে যাবে। ঠাকুরের মিষ্টি 

  • ফরিদপুর সদর উপজেলার ঠাকুরের মিষ্টি কোর্টপার, এবং
  • তেতুল তলার খোকা মিয়ার মিষ্টি
  • বোয়ালমারী উপজেলার সূর্যমূখী সুইটস এর মিষ্টি
  • আলফাডাঙ্গা উপজেলার চলন্তীকা মিষ্টিমুখ
  • ভাঙ্গা উপজেলার অনিল দাসের মিষ্টি ও জনতার মিষ্টি
  • মধুখালি উপজেলার বাগাটের দই
  • স্টেশন রোডের গুরুপদ দোকানের লুচি আলুর দম
  • হাসিবুল হাসান লাভলু সড়কের আলুপুরি
  • চরকমলাপুর লাজিজ হোটেলের কবুতরের চপ
  • ফরিদপুর শহরে অবস্থিত বাটা বাজারের সামনে মামুন ভাই এর শাহী চটপটি ও হালিম।
  • ময়রাপট্টীর দানাদার,আমিত্তি মিষ্টি
  • অনাথের আচার,
  • হেলিপোর্ট বাজারের ছিরাভিরা
  • পাচতারা হোটেলের ডালপুরি


Md Zahirul Islam
বোয়ালমারী উপজেলা ময়না ইউনিয়নের ঠাকুরপুর বাজারের চপ, রুটি,ডিম।

Alo Ahmed  বোয়ালমারী সূর্যমুখীর মিষ্টি সত্যি অনেক ভালো।

Kamrul Rony বোয়ালমারীর শুকতারা সুইটস কে ভুলেই গেলেন 

Abhishek Chowdhury ভাঙ্গা অনিল দাসের মিষ্টি,জানতার মিষ্টি

Reza IbnE MaHiR নগরকান্দা উপজেলা কালীবাড়ি বাজারের হাসমতের দই বেষ্ট হাসমতের দই আমাদের নগরকান্দা উপজেলার সবার কাছে অনেক জনপ্রিয় এবং অনেক সুস্বাদু হেব্বি টেষ্টি।

Al Mamun বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদি বাজারের রেজাউলের ডাল পুরী।

Alamin Islam চানু কাকার পুরি (বিসমিল্লাহ বাজার)বউঘাটা

Sheik Md Rubel শিবরামপুর এর মালেক পুড়ি

Md Jahangir মাঝকানদী বিললাল ভাইয়ের চটপটি অসাধারণ

Shohel Khan মাঝকান্দি ষ্টানের সেলিম খান এর দোকানের খিচুরি

Ha BiBa আলফাডাঙ্গাতে চলন্তিকা মিষ্টিমুখ

Md. Imran Hossain মধুখালির মথুরাপরের মালাই চপ

Samiha Afrin বোয়ালমারী থানার,সাতৈর বাজারের শাহিন ভাইএর ঝালমুড়ি +ফুচকা+চটপটি 

Nirbak Ruhul ফরিদপুর সদর উপজেলার শিবরামপুরে মালেকের ডাল পুরি ও মুগলাই

Ornila Tabasum জুয়েলের ফুসকা

Farhad Sikder সদরপুর ঢেউখালী বাজারের চটপটি ও পিয়াজ খালি বাজারের সাম্পান কাফেতে মটকা চা অসাধারণ

Johir JF মধুখালির বিরানির চপ,বোয়ালমারী উপজেলা ময়না ইউনিয়নের ঠাকুরপুর বাজারের চুন্নু কাকার ডিম-রুটি মুশার দোকানের চা

Bijoy Chandra Kha সালথা থানার সোনাপুর এর রিপনের ঝালমুড়ি ইলিয়াস কাকার দোকানের দুধ চা।

Badsha Howlader বালিয়াহাটি বাজার এর বিনাই ভাইয়ের সুস্বাদু মিষ্টি।

Imtiaz Ahmed Ifti গজারিয়া বাজার দুধ চা, কালিখোলা বাজারের রসগোল্লা,

Abu Salah Talha খলিলপুর এর মালাই চা,সাইবেরিয়া এর দুধ চা

ইহসানুল এরশাদ ফরিদপুর সদর,,মমিন খার হাট,মালেকের পুরি,,

Abdullah AL Masum বোয়ালমারী,কাদিরদীর রেজাউল ভাইর ডালপুরি।

MD Sabuz Sheikh বোয়ালমারী চৌরাস্তায় রাজদূত হোটেলের গুড় দিয়ে তৈরী ছানার সন্দেশ।

Md Azizul মধুখালির জফরাকান্দির বিরিয়ানির চপ

Shironamhin Ponkoj ফরিদপুর সদর,,পাম্পের দুধ চা,,,লেকপাড়ের খিচুড়ি,,,

Bidyut Sarker সদরপুর উপজেলা কৃষ্ণুপূর বাজারের দই ও মিষ্টি,মণিকোঠা বাজারের চটপটি ও রাশেদের দোকানের দুধ চা

Md Maruf Billah সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে আনোয়ার কাকার রং চা এবং বাউশখালী বাজারের চপ।

Md Jabbar Hosen সালথা উপজেলার যদুনন্দী বাজারে হালিম

Ëmöñ Bïswäs জননী মিষ্টান্ন ভাণ্ডার মধুখালি পাট বাজার চৌরাস্তার মোড়

Murad Miah চরকমলাপুরে কবুতরের চপ, ফরিদপুর সদর উপজেলা

Swapan Majumdar বিখ্যাত “অনাথের আচার”। রামকৃষ্ণ মিশন রোডের মোড়। ফরিদপুর সদর উপজেলা

Md. Abir Hossain চন্দনের দোকানের দুধ চা(ভাংগা বাজার)

Ashit Sarkar চুঙ্গীর মোড় সাইবেড়িয়ার চা, থানার মোড় আরশাদের পাকোড়া, লালনের আলু পুড়ী, ময়রাপট্টি নাসিরের রস কালোজাম বড়টা, চরকমলাপুর ব্রীজের কবুতর ও পাখির চপ, স্বর্ণকার পট্টি বাটা বাজারের সামনে চটপটি ও হালিম

Tanisha Kabri হেলিপ্যাড মরে শ্রীবাসের ছেড়া রুটি

Sourov Kundu লোকনাথ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মিষ্টি মথুরাপুর, মধুখালী,ফরিদপুর… 

Mamun Khan লিয়াকত আলীর ঝালমুড়ি এবং ডালপুরি পুখুরিয়া ভাংগা।

0

সফল ফ্রিল্যান্সার শাওন মিরের সফলতার গল্প

ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করে ফরিদপুরের শাওন মির নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন যেভাবে সেই সফলতার গল্প আজ শোনাবো সবাইকে। ইতিমধ্যে তিনি ১ লক্ষ ডলার আয় করেছেন মাত্র ২বছরে। নিজেও এখন প্রশিক্ষন দিচ্ছেন সেই সাথে নিজের পরিবারের হাল ধরেছেন এবং নিজের পড়াশোনাও চালাচ্ছেন । কেমন ছিলো সেই জার্নিটা চলুন তার নিজের মুখেই শোনা যাক। তিনি জানান ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অনেক পোস্ট শেয়ার করেন তা দেখে তিনি সত্যিই উৎসাহিত হয় !তাই ভাবলাম আমার ফ্রিল্যান্সিং জার্নি টা শেয়ার করি,যদি কেউ অনুপ্রেরণা পায়।কি ভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হলেন?আমি শাওন মীর, মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির বড় ছেলে।বাসাঃ ফরিদপুর সদর উপজেলা । পড়ালেখায় খুব একটা ভালো ছিলাম না,কোনো রকম এসএসসি পাশ করে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হলাম সাবজেক্ট পেলাম কম্পিউটার! কম্পিউটার কিভাবে চালু করতে হয় জানতাম না, প্রথমবার এর মতো মা,ভাই কে ছেড়ে হোস্টেলে যাওয়া! অত:পর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর পড়া শুরু! একটা সময় বুঝতে পারলাম, কম্পিউটার কেনার দরকার আমি আমার বাবাকে বলি কম্পিউটারের কথা, অহ বলতে ভুলে গেছি আমার আব্বু সৌদি আরব থাকেন তার কিডনিতে প্রব্লেম ছিল, তাকে বলার পর ৫ মাস পর একটা কম্পিউটার পাঠায় HP।২০১৭ সালে আমি যখন ডিপ্লোমায় ৪র্থ সেমিস্টারে উঠি তখন ফেসবুক হ্যাকিং নিয়ে আমার মাথায় অনেক প্রশ্ন আসে এবং হ্যাক করার চেষ্টা করি, সেখান থেকে হ্যাকার হওয়ার সপ্ন মুভি দেখা শুরু করলাম হ্যাকিং এর মুভির মত হ্যাকার হবো। কলেজের সবাই হ্যাকার নামে ডাকাও শুরু করলো। তখন সোশ্যাল মিডিয়া এ ঘাটতে ঘাটতে এক ভাইয়া এর সাথে পরিচিত হয়ে যায় তার কাছ থেকে হাতেখড়ি।( নাম বলা বারণ আছে )।২০২০ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষের দিকে, বড় ছেলে হওয়ার সুবাদে প্রেশার আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে । এজন্য চাকরির চেষ্টা শুরু করি এবং নানা জায়গায় সিভি জমা দেই। একই বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে আমি ফ্রিলান্সিং মার্কেট প্লেস আপওয়ার্কে একাউন্ট খুলে ফেলি কারন আমি এত দিন শিখেছি। তার কিছুদিন পর কাজ পাই একটা ,আমার প্রথম ইনকাম ছিল ৩০ ডলার ফ্রিলান্সিং করে.তারপর, আর একটি কাজ পাই ৭০০ ডলারের ।এর পর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয় নাই।এভাবে ৩ মাসে ৬ হাজার ডলার আর্ন করে ফেলি ।৫ মাসে ১০,০০০ হাজার ডলার আর্নিং করে ফেলি ,৮ মাসে ২০ হাজার ছুঁয়ে ফেলি ,১০ মাসে ৩০ হাজার ডলারের মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলি ।তারপর ২০২১ এ ৫০ হাজারের মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলি ।এ পর্যন্ত আপওয়ার্ক,ফাইবার এবং মার্কেট প্লেসের বাইরে থেকে ১,০০,০০০ ডলার এর বেশি আর্ন করেছি ফ্রিল্যান্সিং করে.এবং এর পাশাপাশি আলহামদুলিল্লাহ্‌ ক্যারিয়ার আইটি নামে নিজের একটা আইটি প্রতিষ্ঠান দাড় করিয়েছি ।সেখানে আমি নিজেই ট্রেইনার হিসাবে সাইবার সিকিউরিটি শেখাচ্ছি ।ইনশাল্লাহ, আমার হাত ধরে যদি কেউ সাইবার সিকুউরিটি জগতে আসতে পারে সেটাই আমার পাপ্তি হবে।আমার মা এর হাতে প্রথম টাকা দিয়েছলাম আহ তার হাসি এখনো আমার মনে পড়ে, টাকা নিয়ে চুমু দিয়েছিল টাকায়! এবং বাবাকে বলি বি.এস.সি এর জন্য তোমার জমি বিক্রি করতে হবে না আমি নিজের টাকা দিয়ে করবো!শাওন মির আমাদের ফরিদপুর তথা বাংলাদেশের গর্ব তার এই পথচলার গল্প কিছুটা তুলে ধরা হলো। তার মতো হাজারও তরুণ তরুণীরা হতাশায় ঘুরে বেরায় কিছু না পাওয়ার আশায় অথচ তার মতো এমন প্রশিক্ষণ গ্রহন করে নিজের ভাগ্য বদলে ফেলতে পারেন আপনিও। ইতিমধ্যে তার প্রতিষ্ঠান  https://careerit.net/  তে আবেদন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।তার ইউটিউব চ্যানেল থেকেও ঘুরে আসতে পারেন https://www.youtube.com/Learnwithshawon

0

রাসেলের চায়ের দোকানে বসন্তের ছোয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর টিএসসি এলাকার চা এর দোকানগুলোতে আঁকা রিকশাচিত্র নিয়ে দেশ জুড়ে যখন হইচই ঠিক সেইসময়ে ফরিদপুর জেলার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কিছু তরুণ তরুণীরা নিজ শহরের প্রানকেন্দ্রে রাজেন্দ্র কলেজ সংলগ্ন ফিরোজ মোল্লার মোড়ের রাসেল ভাইয়ের চা এর দোকানটিকেও ফাগুনের রঙে রাঙিয়ে দিল বিনামূল্যে। রোজ রাসেল ভাইয়ের চায়ের দোকানে হাজার হাজার হাজার তরূণ তরুণী আড্ডা দেয়, জমে ওঠে চায়ের আড্ডা,সুখ দুঃখের গল্প সবকিছু ঘিরে ফাগুনের রং ও পজেটিভ চিন্তাভাবনা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই ব্যতীক্রমি উদ্যোগ নিয়েছে প্রিয় ফরিদপুর এর কিছু উদ্যোমী তরুণ তরুণী।এই ফুল লতা পাতা, রিক্সাচিত্রের ছবির মাধ্যমেই সকল জড়তা ও নেতিবাচক চিন্তা ভাবনাকে মুছে দিতে চায় এই ছেলেমেয়েরা।‘‘রং তুলি বা রাজপথহোনা না শহর, অথবা গ্রাম।প্রেম হোক চায়ের কাপে।বিদ্রোহ হোক চা চুমুতে।হোক বিরহ, হোক আনন্দ,রং, চা তুলির টানে,বসন্ত হোক সর্বজনে’’সহযোগিতা : জেনি ,প্রমা ,রেমি ,আবিদ ,আকিব ,রাহাত ,জেবা ,জান্নাতুন নাহার ,অভিজিৎছবি : Avi jitমডেল : Zannatun Nahar

0

জমে উঠেছে এবারের ফাইন আর্ট সোসাইটির উদ্যোগে চারুকলা প্রদর্শনী।

ফরিদপুর ফাইন আর্টস সোসাইটির ART EXPOSITION 2021খুবই চমৎকার একটি এক্সিবিশন নতুন ভবন নুতন গ্যালারীতে জমে উঠেছে এবারের ফাইন আর্ট সোসাইটির উদ্যোগ এ চারুকলা প্রদর্শনী। উক্ত প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার।স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষ্যে ২৫ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত ফরিদপুর ফাইন আর্টস সোসাইটির উদ্যোগে চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। শিল্পচর্চাকে উৎসাহিত করতে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে ফরিদপুরের গুনি শিল্পীদের চিত্রকর্মগুলো স্থান পেয়েছে এই এক্সিবিশনে সকলের পদচারনায় মুখরিত হলে চিত্রশিল্পীগণ অনুপ্রাণিত হবে এমন আয়োজন করতে। ফাইন আর্টস এর ২য় আয়োজন এটি চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। চিত্রকর্মের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে টেরাকোটার কাজ,প্রদর্শনী শুরু হয়েছে আজ ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ সকাল ১০.৩০ মিনিট থেকে, চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।স্থানঃ শিশু একাডেমী ভবন, রাজেন্দ্র কলেজ ডিগ্রী শাখার দক্ষিণপার্শে ।প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। উক্ত অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে পরিপূর্ণ করবে।ধন্যবাদান্তে- ফরিদপুর ফাইন আর্টস সোসাইটি। FARIDPUR FINE ARTS SOCIETY।