FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড

দেশ সেরা ১৫টি সংগঠন পেলো জয় বাংলা ইযুথ অ্যাওয়ার্ড দেশের ৭৫০টি সংগঠন থেকে বাছাই করে আজ সোমবার এই অ্যাওয়াড তুলে দেয়া হলো।

অনুষ্ঠানটি সাভারে শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে, এসময় পুরস্কার তুলেদেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও সিআরআই ট্রাস্টি রাদওয়ান ‍মুজিব সিদ্দিক। এবারের আয়োজনটি কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করা হয়েছে প্রত্যেককে র‌্যপিড পিসিআর টেস্ট এর মাধ্যমে পরীক্ষা করে প্রবেশ করতে দেয়া হয়েছে সেই সাথে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেরা ১৫ জন পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্যে ফরিদপুরের সন্তান যিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক,Giridhar Dey এই পুরস্কার লাভ করেছেন।

0

আজ ঐতিহাসিক করিমপুর যুদ্ধ দিবস

আজ ফরিদপুরের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসি ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৭১ সালে, যা করিমপুর যুদ্ধ দিবস নামে পরিচিত।

৯ ডিসেম্বর তখন যশোরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ছিলো, যৌথ বাহিনীর ধাওয়া খেয়ে পাকবাহিনী পিছু হটে ঢাকা ফিরছিলো খবর তখন ফরিদপুরের মাঝকান্দি ও আশেপাশের মুক্তিযোদ্ধারা সক্রিয় হয়ে ওঠে।

সেদিন পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয় ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের এই করিমপুর এলাকায়  কাজী সালাউদ্দিন এর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তারা পাকবাহিনীর একটি গাড়ি গ্রেনেড দিয়ে উড়ি দেয় তবে পেছনে আসা বড় গাড়ির বহর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের দিকে হামলা শুরু করে । শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ গুলিব্ধি হয় কাজী সালাউদ্দিন দেখা দেয় অস্ত্র স্বল্পতা মুক্তিযোদ্ধারা তখনপিছু হটতে বাধ্য হয়ে পাশের গ্রামে আশ্রয় নেয়। বোয়ালমারীর নতুবদিয়া ক্যাম্প থেকে হেমায়েত, গৌড়দিয়া ক্যাম্প থেকে ইলিয়াসের নেতৃত্বে আরো একটি দল যুদ্ধে অংশ নেয়। তবে পাকবাহিনীর বিশাল বাহিনীর কাছে মুক্তিযোদ্ধারা খুব একটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে না, যুদ্ধের একপর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত গুলিবিদ্ধ হওয়ায় শেষ চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা পাশের গ্রামে আশ্রয় নেয়। পাকবাহিনীরা স্থানীয় রাজাকারের সাহায্য নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের খুজে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করে বাড়ি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধা কাজী সালাউদ্দিন, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ নৌফেল, আব্দুল হামিদ,সোহরাব হোসেন, আব্দুল আওয়াল,আব্দুল ওয়াহাব, ও মজিবুর রহমানসহ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী আরও চার গ্রামবাসী।

১৭ ডিসেম্বর সকালে শহীদ হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দেহাবশেষ ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

0

বোয়ালমারী উপজেলায় মানবতার দেয়াল ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশন এর উদ্যোগে

১৪ই নভেম্বর বোয়ালমারী উপজেলায় মানবতার দেয়াল স্থাপন করা হয়েছে।আপনার অপ্রয়োজনীয় পোশাক রেখে যান।আপনার প্রয়োজনীয় পোশাক নিয়ে যান।আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বোয়ালমারী উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক সদস্য Md Anik ভাই এবং ফরিদপুর সদর উপজেলার মডারেটর Rony Ghosh Rokon Uddin এর প্রতি।সেই সাথে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আপনাদের প্রতি যারা আপনাদের অপ্রয়োজনীয় পোশাকগুলো আমাদের এই মানবতার দেয়ালের জন্য পৌছে দিয়েছেন।তবে আমাদের এই কার্যক্রমের জন্য আরও ব্যবহৃত পোশাক প্রয়োজন খুব শীঘ্রই নগরকান্দা উপজেলাও শুরু করছি এই মানবতার দেয়াল এর কার্যক্রম।আশাকরি সকলেই সহযোগীতা করবেন, নিজ নিজ উপজেলার বন্ধুরা এগিয়ে আসুন এই কার্যক্রমে।

0

মধুখালি উপজেলায় মানবতার দেয়াল ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশন এর উদ্যোগে

মধুখালি উপজেলায় ১০ই নভেম্বর চালু হলো ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশনের মানবতার দেয়াল।স্থান মধুখালি রেলগেট, মধুখালি উপজেলার সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি আপনাদের অপ্রয়োজনীয় বস্ত্র, জামা,কাপড়, আমাদের এই মানবতার দেয়ালে রেখে আসবেন যেনো অসহায় মানুষগুলো তাদের প্রয়োজনে এসব বস্ত্র নিয়ে যেতে পারে।আজকের এই কার্যক্রম সফল কর‍তে আমাদের মধুখালি উপজেলা ইউনিয়ন ভিত্তিক টিমের সদস্যদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সেসকল ভাই বোনের প্রতি যারা আমাদের ডাকে সারা দিয়ে তাদের অপ্রয়োজনীয় বস্ত্রগুলো দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। আমাদের এই কার্যক্রম ফরিদপুর এর বিভিন্ন উপজেলায় চলমান। মধুখালি উপজেলা ভিত্তিক টিম থেকে যারা উপস্থিত থেকে কাজটি সম্পন্ন করেছে তারা হলো পলাশ শেখ (মেঘচামী ইউনিয়ন) মোঃ রাজ,( জাহাপুর ইউনিয়ন) আকাশ মজুমদার, (মেঘচামী ইউনিয়ন) সোলাইমান ইসলাম (রায়পুর ইউনিয়ন)আরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি ফরিদপুর সদর উপজেলার কন্ট্রিবিউটর জুবায়ের হোসেন এর প্রতি, মডারেটর সালমান রহমান পিয়াল এর প্রতি।

0

মধুখালির ধোপাডাঙ্গা বিলে লাল শাপলা শোভা ছড়াচ্ছে

ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলার ধোপাডাঙ্গা শাপলা বিলে শোভা ছরাচ্ছে লাল শাপলা ফুল। আজ রবিবার সকালে ফরিদপুর সিটি পেজ এবং ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের মডারেটর সজিব মোল্লা সরেজমিনে গিয়েছে সে চিত্র তুলে এনেছেন ।

জানা গেছে এবছর শাপলা ফুল কম ফুটেছে প্রচুর কস্তুরীর কারনে শাপলার বিস্তার তেমন ঘটেনি। স্থানীয় প্রশাসন যদি লাল শাপলা বিলের দিকে একটু নজর দিতো তাহলে হয়তো আমাদের ফরিদপুরে বরিশালের উজিরপুরের সাতলার মতোই পর্যটকদের আনাগোনা ঘটতো। একটি স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য  সেই স্থানকে পরিচিত করিয়ে দেয় সেই সাথে দর্শনার্থীদের আনাগোনার কারনে অর্থনৈতিক পরিবর্তনও ঘটে । গড়ে ওঠে ভ্রাম্যমান ক্ষুদ্র ব্যবসায় যা থেকে লাভোবান হতে পারতো স্থানীয় দরীদ্র জনগন।

শাপলার সৌন্দর্য দেখতে হলে অবশ্যই আপনাকে খুব সকালে যেতে হবে তাহলে ফুটন্ত লাল শাপলার দেখা মিলবে।  যেভাবে যাবেন ধোপাডাঙ্গা শাপলা বিলে ১মে মধুখালী বাজার আসতে হবে। মধুখালী থেকে রামদিয়া হয়ে শ্রীরামপুর মোল্লাডাঙ্গী গাবুরদিয়া ।৫কিমি মধুখালী থেকে

যেভাবে যাবেন ফরিদপুর থেকে সরাসরি মধুখালি বাজার চলে যাবেন বাজারের ভেতর দিয়ে সোজা চলে যাবেন মধুখালি থানার সামনে , থানার ঠিক উল্টো দিকেই (পশ্চিমদিকে) পাকা রাস্তা চলে গেছে গাবুর দিয়া গ্রামের দিকে থানা থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার ভেতরে বিলের অবস্থান। সোজা গিয়ে রামদিয়া বটতলার বাম দিকে রাস্তা দিয়ে চলে যাবেন সোজা, তারপর আসতে হবে শ্রীরামপুর বটতলা সেখান থেকে ডান দিকে সোজা ইটের রাস্তা দিয়ে মোল্লাডাঙ্গা গাবুরদিয়া চলে যাবেন যেতে যেতে জিজ্ঞাসা করবেন গাবুরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তার দিকে বিদ্যালয়ের সাথেই বিল, বললেই হবে গাবুর দিয়ে বিলে যাবো কোন পথে দেখিয়ে দিবে তবে বেশ ভেতরে ধৈর্য্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে ।

মধুখালি বাজারে ইজিবাইক,ভ্যান ভাড়া পাওয়া যায় রিজার্ভ করতে পারেন  বিস্তারিত জানতে পারেন স্থানীয় প্রতিনিধির সাথে 01846066392 Goutom Biswas তাকে বললেই হবে ফরিদপুর সিটি পেইজ থেকে নাম্বারটি পেয়েছেন বিলে যেতে সহযোগীতা প্রয়োজন।তিনি আন্তরিকতার সাথে সহযোগীতা করবেন আশাকরি। 

0

ফরিদপুরে ফায়ার সার্ভিস এর মহড়া

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার মহড়া সম্পন্ন করলো ফরিদপুর ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। ফরিদপুর রেলওয়ে স্টেশন বাজার সংলগ্ন এলাকায় ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হলো ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর সচেতনতামূলক মহড়া।প্রতিদিনই আমরা কোন না কোন স্থানে শুনতে পাই গ্যাস সিলিন্ডার দুর্ঘটনার কথা।এমনকি ইদানীং মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে আগের চাইতে বেশি।আর এ দুর্ঘটনা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরিত হলে পুরো এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের মতো ঘটনা ঘটছে।এ সকল দুর্ঘটনা রোধে ফরিদপুরে রেললাইন লাগোয়া ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার অনুষ্ঠিত হয়েছে ডেমু মহড়া।এ মহড়ায় গ্যাসের চুলা এবং সিলিন্ডার থেকে সংঘটিত প্রায় সব ধরনেরই দূর্ঘটনা পরিক্ষামূলক ভাবে দেখানো হয় এবং সাথে সাথে এ থেকে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যাবে তাও দেখানো হয়।মহড়া সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ বলেন “বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস সবসময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে এ প্রত্যয় নিয়ে আজকের ডেমু দুর্ঘটনা থেকে কিভাবে রেহাই পাওয়া যায় সেইগুলো মানুষকে দেখানোর চেষ্টা করেছি”।এই মহড়ায় আরো উপস্থিত ছিলেন ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহমুদ হক রেজা,১৭/১৮/১৯ মহিলা কাউন্সিলর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আফরোজা সুলতানা।মহড়া শেষে ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল মাহামুদ হক রেজা বলেন “ সাধারণ মানুষ আজকের এই প্রোগ্রাম থেকে অনেক উপকৃত হবে,সামনে এই সকল সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম পুরো জেলায় মানুষকে দেখালে সবাই উপকৃত হবে।কৃতজ্ঞতা Abrab Nadim Etu

0

জমকালো আয়োজনে ভেলাবাইচ অনুষ্ঠিত হলো

জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো কোমরপুরের ঐতিহ্যবাহী ভেলা বাইচ।

 ১লা আক্টোবর ২০২১ রোজ শুক্রবার ফরিদপুর সদর উপজেলার কোমরপুর দঃপাড়া যুব সংঘের আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী কুমার নদে ৩য় বারের মত, বিশাল ভেলা বাইচ  প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভেলাবাইচটি দেখতে দুর দুরান্ত থেকে দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। নারী পুরুষ শিশু কিশোর সকলে মিলে ভেলাবাইচ উপভোগ করে। এবারের ভেলাবাইচ উপলক্ষে মেলাও বসেছিলো। সবমিলিয়ে এলাকাবাসিও দারুন খুশি সকলে এমন নির্মল আনন্দ প্রতিবছর চায়।ভেলা বাইচটি পারচর দায়বাড়ি ঘাট হতে দক্ষিণ পাড়া কুমার নদী ব্রিজ এর কাছে গিয়ে শেষ হয়। এসময় উৎসুক দর্শনার্থীদের ভির দেখা যায় কুমার নদের দুপারে। বিজ্রেও শত শত মানুষ এই বাইচটি  উপভোগ করে। ফরিদপুরের বাইরের দর্শকদের জন্য ফরিদপুর সিটি পেজ লাইভের মাধ্যমে ভেলা বাইচটি দেখার সুযোগ করে দেয়। উক্ত ভেলাবাইচ শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান সকলের সহযোগীতায় ভেলাবাইচটি সফল হয়েছে আশাকরছি প্রতিবছর এই ধারাবাহিতা অব্যাহত থাকবে।উক্ত ভেলাবাইচটি যারা আয়োজন করেছিলেন তারা হলেন শেখ ওবায়দুর রহমান, মানজারুল ইসলাম রানা, ইমতাজুর রহমান, সাইফুল, রফিকুল ইসলাম রুমি, সাখাওয়াত সাকো, মোহাম্মদ রবিউল শেখ, মোহাম্মদ লিমন শেখ ,রুদ্র ফাহিম হাসান। ভেলা বাইচটির সোস্যাল মিডিয়া পার্টনার ছিলো ফরিদপুর সিটি পেজ এবং ফরিদপুর লাইভ গ্রুপ।

0

আকোটের চর কাশবনে দর্শনার্থীর ভীর

গৃষ্মের প্রচন্ড দাবদাহ আর বর্ষার অবিরাম বৃষ্টি শেষে শুভ্রতা আর স্নিগ্ধতার অপার সৌন্দর্য্য নিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে হাজির হয় শরতকাল।

শরতকে বলা হয় ‍ঋতুর রাণী এসময় দেখা যায় নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ।

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের ফরিদপুরের প্রকৃতি সেজে উঠে আপন মনে, পদ্মা নদীর তীর ঘেষে দেখতে পাওয়া যায় কাশফুলের সৌন্দর্য্য মনমাতানো কাশবন। তেমনই একটা স্থান ফরিদপুর এর সদরপুর উপজেলার আকটের চর, যেখানে দেখা মিলবে কাশবনের, এ যেনো কাশবনের সমুদ্র যে দিকে দু চোখ যায় শুধু কাশফুল আর কাশফুল । মনে হবে এই কাশফুলের সমুদ্রে নিজেকে ভাসিয়ে দেই ।

কাশবনে হিমেল বাতাস দোল খাচ্ছে সেই সাথে আকাশে শুভ্র মেঘের ভেলা পরিবেশটা কতটা যে সুন্দর তা বলে বোঝানো যাবে না।

তবে এই সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে হলে নদী পার হয়ে কাদা মারিয়ে তারপরই এই সৌন্দর্য্যের দেখা মিলবে।

যেভাবে যাবেন আকোটের চরে:

তিনদিক দিয়ে যাওয়া যায় এই আকোটের চরে ফরিদপুর সদর থেকে প্রথমে আসবেন চরভদ্রাসন বাজার সেখান থেকে মনিকোঠা বাজার হয়ে আকোটেরচর বাজার যেতে পারবেন। আবার সদরপুর দিয়েও যেতে পারবেন,  ফরিদপুর থেকে প্রথমে আসতে হবে সদপুর তারপর মনিকোঠা বাজার থেকে আকোটের চরে এলেই পেয়ে যাবেন এই কাশবনের দেখা। ফরিদপুর সুপার মার্কেট থেকে সি এনজি মাহেন্দ্র বা ইজিবাইকে করে যেতে পারবেন। রিজার্ভ

 করে যাওয়ােই ভালো যেতে ১ ঘন্টা ২০ মিনিট লাগতে পারে আসতেও এমন সময় তাই যাওয়া আসার সময় হাতে রেখে যাওয়াই ভালো। বর্তমানে নদীর ওপর মামা ভাগ্নে বাশের সাকো নির্মিত হয়েছে, জন প্রতি ১০ টাকা আগে নৌকায় পার হতে হতো।

আসুন জেনে নেই  কিভাবে পেলাম এই কাশবনের দেখা :

গতবছর আমাদের একজন শুভাকাঙ্খী ফিরোজ আহমেদ ফরিদপুর সিটি পেজের ইনবক্সে  এই স্থানের কিছু কাশফুলের ছবি পাঠায়, যা দেখে সত্যি অবাক হয়েছি এতো সুন্দর স্থানটি আমাদের ফরিদপুরে? তখনই যেতে মন চায় সেখানে । তবে তিনি জানান ভাই এখন তো কাশফুল শেষ । কি আর করার অপেক্ষায় রইলোম একবছর । দীর্ঘ একবছর পরে ফিরোজ আহমেদ মেসেজ দিয়ে জানালেন কাশফুল ফুটেছে, কিছু ছবিও দিলেন আমাদের যা দেখে আর দেরি করতে মন চাইলো না । ছুটে গেলাম আকোটের চরের কাশবন দেখতে কি অপরুপ দৃশ্য ১বছর অপেক্ষার ফল এতো মধুর হবে সত্যিই ভাবতে পারিনি। অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ফিরোজ আহমেদের প্রতি তার কারনেই ফরিদপুরের এই অপার সৌন্দর্য্যকে আপনাদের মাঝে তুলে ধরার সুযোগ পেলাম।

বলে রাখা ভালো কাশবন এর সৌন্দর্য্য শেষ হবার পরে এই স্থানটিতে দেখা মিলবে আরেকটি সৌন্দর্য্য যা দেখার জন্য আমাদের টিম এবছরই শীতকালে ঘুরে এসেছি তারই কিছু অংশবিশেষ আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে দেখে নিতে পারেন।

সবুজ বিস্তীর্ন মাঠে দেখা মিলবে অসংখ্য গড়ু ঘাস খাচ্ছে দেখে মনে হয়েছিলো যেনো নিউজিল্যান্ডের ডেইরী ফার্ম । উন্মুক্ত মাঠে মন চাইবে ছুটে বেরাতে শহরের কোলাহল ছেড়ে একদম অন্যরকম একটি দিন কাটাতে পারেন এখানে।

ফরিদপুরের সৌন্দর্য্য ছড়িয়ে দিন বিশ্বজুড়ে ।

https://www.youtube.com/watch?v=C_5rNFWUSq0&t=61s

0

সি এন্ড বি ঘাটে ট্রলার ডুবি নিখোজ ২

ফরিদপুর সি এন্ড বি ঘাটে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে আজ বিকালে।

ট্রলারে মোট ছিল ১৬ জন, তার মধ্যে ১২ জন অসুস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন,২ জন সুস্থ আছেন এবং ২ জন এখনও নিখোঁজ আছেন।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো দুই জন শিক্ষক নিখোজ তারা হলেন সারদা সুন্দরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজমল হোসেন ও ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন।

জানা গেছে বিকাল আনুমানিক ৫.৪৫ টায় সারদা সুন্দরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ অন্য কয়েকটি বিদ্যালয়ের ১৫ জন শিক্ষক সি এন্ড বি ঘাট, মদন খালি নাজির বিশ্বাসের ডাঙ্গিতে এ মর্মান্তিক নৌদূর্ঘটনার শিকার হন।

আহত কয়েকজন শিক্ষক ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন, ফায়ার সার্ভিস এর উদ্ধারকারি ডুবুরি দল না আসা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান ব্যহত হচ্ছে।

1

গত২৪ ঘন্টায় ফরিদপুরের করোনা পরিস্থিতি

গত ২৪ ঘন্টায় ফরিদপুর জেলা নতুন শনাক্ত রোগী সংখ্য ১৬৬ জন ,সুস্থ রোগীর সংখ্যা ৮০ জন,মৃত্যুবরণ করেছেন ৬ জন, ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পিসিআর ল্যাবে গত ২৪ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৩৩ টি।

উপজেলাভিত্তিক শনাক্তের তথ্য যথাক্রমে আলফাডাঙ্গা – ১৭ জন,ভাঙ্গা-২জন,বোয়ালমারী-৬জন, নগরকান্দা-১৮জন, মধুখালি-১৩জন, সদরপুর-৭জন, চরভদ্রাসন-১জন,ফরিদপুর সদর-৯৯জন,সালথা-৩জন, কোভিড ১৯ এ শনাক্ত হয়েছে।এ নিয়ে ফরিদপুর জেলায় মোট শানাক্তের সংখ্যা দাড়ালো ১৫২১৫ জন, এপর্যন্ত মোট মৃত্যুবরণ করেছে ২৮৮ জন, মৃত্যুর সংখ্যা ফরিদপুর সদর উপজেলাতেই বেশি মোট মৃত্যুবরন করেছেন ২১০ জন, ভাঙ্গা উপজেলাতে ২০ জন,বোয়ালমারীতে ১৭ জন,নগরকান্দায়৫ জন, মধুখালিতে ১০ জন, সদরপুরে ১১ জন,চরভদ্রাসনে ৪ জন, সালথায় ৫ জন আফলাডাঙ্গায় ৬জন এ পর্য্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ড করা হয়েছে। ফরিদপুর জেলায় মোট সুস্থ হয়েছে এপর্যন্ত ১২২৯৭ জন

বর্তমানে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রোগীর সংখ্যা ৪২২ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ফরিদপুরে আক্রান্তের হার ৩৫.৮৩