FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

এম এ ওয়াহেদ টেপু মিয়া

এম,এ, ওয়াহেদ টেপু মিয়ার জন্ম ১৯০০ সালে। পিতা এম, এ, বারী মিয়া ছিলেন রেঙ্গুনে পোষ্টাল সুপারেনটেন্ড । কোলকাতায় জুতার কারখানা ও স্বর্ণের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার পাশাপাশি যুক্তফ্রন্টের রাজনীতির সংগে জড়িত ছিলেন। ফরিদপুর টাউন থিয়েটারের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। কয়েকটি নাট্যগ্রন্থ রচনা করেন তন্মধ্যে তিতুমীর, মহি সিংহাসন, অস্থির আত্মা, একাধিকবার রেডিও ও মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য মহি সিংহাসন নাটকটি দু’শতাধিকবার বিভিন্ন জায়গায় মঞ্চায়িত হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুর টাউন থিয়েটার ও ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেন। ১৯৯০ সালে র ১ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ

0

ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়া

ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়া ১৯০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। রাজনীতিক পিতা ময়েজউদ্দিন বিশ্বাস।

জমিদার পরিবারে জন্ম। তাঁর পিতা খান সাহেব ময়েজউদ্দিন বিশ্বাস সাধারণ অবস্থা থেকে নিজ চেষ্টায় একজন জমিদারের উন্নীত হন। সাহেব খান ময়েজউদ্দিনের তিন পুত্রের মধ্যে মোহন মিয়া দ্বিতীয়। মোহন মিয়ার ছোট ভাই এনায়েত হোসেন চৌধুরী তারা মিয়া। বড় ভাই মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী লাল মিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়া নামে পরিচিত। ফরিদপুরের জনগণের কাছে মাইজা মিয়া হিসাবেই বেশী পরিচিতি লাভ করেন। ছাত্র থাকাকালীন ভারত ব্যাপী চলছিল বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। সে আন্দোলনের প্রভাবে লেখাপড়া ছেড়ে সমাজসেবা ও রাজনীতি কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেন। চল্লিশ দশকের পর হতে অবিভক্ত বাংলায় এবং পরবর্তীকালে পাকিস্তানের রাজনীতিতে মোহনমিয়া এককভাবে ভারসাম্য রক্ষা করেছিলেন। অবিভক্ত বাংলায় ও পাকিস্তানের জনগণের নিকট রাজনৈতিক কিং মেকার হিসাবে সমধিক প্রসিদ্ধ লাভ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ না করেও ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে অবস্থান করতেন। মোহনমিয়া দীর্ঘ ১৫ বছর ফরিদপুর জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা থেকে দৈনিক ‘মিল্লাত’ নামে একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৬ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ 

 

0

আব্দুল আজিজ পালোয়ান

আব্দুল আজিজ মিয়া ফরিদপুর শহরে আজিজ পাহলোয়ান নামে পরিচিত। ১৯০৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন। স্থায়ী নিবাস ফরিদপুর শহরের কমলাপুরে। কর্মজীবনে ফরিদপুর জজকোর্টে চাকরী করতেন । আজিজ পাহলোয়ান একজন বিশিষ্ট কুস্তিগীর ছিলেন। কুস্তি খেলার জন্য বিশ বৎসর মিঃ ফরিদপুর উপাধিতে ভূষিত ছিলেন। আজিজ পাহলোয়ান ফরিদপুর ব্যায়াম ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা। তার পিতা বুদই মুসল্লী কমলাপুর মাদ্রাসা জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। আজিজ পাহলোয়ান কুস্তিগীর ছাড়াও এলাকার উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। তিনি ১৯৭৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ৭২ বৎসর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ 

0

মুসলিম মিশন জামে মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক রোকন উদ্দিন: ফরিদপুর জেলায় রয়েছে অসংখ্য দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। তার মধ্যে একটি হচ্ছে ফরিদপুর মুসলিম মিশন জামে মসজিদ। মসজিদটি আধুনিক এবং নান্দনিক নির্মাণের এক অন্যন্য নিদর্শন।

মসজিদটি ঢাকা ফরিদপুর মহাসড়কের কোমরপুর এলাকায় অবস্থিত। ৭০ ফুট উচ্চতার মসজিদটি ২০০৯ সালে নিজস্ব এবং সরকারি অনুদানে নির্মিত।

৭ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি দেখতে এবং নামাজ আদায় করতে দূর দুরান্ত থেকে দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। ৩তলা বিশিষ্ট মসজিদটিতে এক সাথে ৭ শত লোক জামাতে নামাজ আদায় করতে পারে। মসজিদে মহিলাদের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট স্থানে নামাজ আদায় করার ব্যবস্থা। মসজিদের ভেতরেই রয়েছে ওজু করার স্থান।

মসজিদটি নির্মান করতে সময় লেগেছে ৩বছর, মসজিদের দৃষ্টিনন্দন নির্মানশৈলী যে কাউকে আকৃষ্ট করবেই।

0

সুশীলা বালা সাহা

সুশীলা বালা সাহা

সুশীলা বালা সাহার জন্ম ১৯১৮ সালে ফরিদপুর মিশন হাউসে। পিতা রামচন্দ্র দাস। স্বামী নরেন্দ্র নাথ সাহা। শিক্ষা নবম শ্রেণী পাশ। ১৯৩৩ সালে ধাত্রী বিদ্যা প্রসুতি পরিচর্যা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অতঃপর কিছুদিন জীয়াগঞ্জ মিশন হাসপাতাল পশ্চিমবঙ্গ ভারত থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কিছুদিন ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ও ফরিদপুর জেলা বোর্ডে কর্মরত ছিলেন। মানুষকে উপকার করার ইচ্ছা সর্বদা পোষণ করেন। বৃদ্ধ বয়সে ডাকলেই তিনি সারা দেন। কৃতি সেবিকা হিসাবে যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছেন। সুশীলা নার্স ফরিদপুরে একটি পরিচিত নাম।  বিপদে কারো ডাক পড়লে, সে ডাকে সারা দেন। সেবামূলক কর্মের জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাকে বিভিন্ন সময়ে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন। ।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ

 

2

কবিরাজ সন্তোষ কুমার সাহা

কবিরাজ সন্তোষ কুমার সাহা

অধ্যক্ষ কবিরাজ শ্রী সন্তোষ কুমার সাহা ১৯১৪ সালের ২৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। পিতা রাজেন্দ্র নাথ সাহা ১৯৩৭ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বান্দুরা হলিক্রস হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৪১ সালে অষ্টাঙ্গ আয়ুর্বেদ কলেজ থেকে ভিষারত্ন এল.এ.এম.এম ডিগ্রী লাভ করেন। অষ্টাঙ্গ আয়ুর্বেদ কলেজ থেকে উত্তীর্ণ হয়ে শহরে আয়ুর্বেদ চিকিৎসা শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে ফরিদপুর শহরতলীর টেপাখোলায় রাজেন্দ্র ঔষধালয় প্রতিষ্ঠান করেন। যার ফলশ্রুতিতে পরবর্তীকালে বাংলাদেশ ব্যাপী একটি অন্যতম আয়ুর্বেদ প্রতিষ্ঠান হিসাবে সুদৃঢ় প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ

0

একেএম আবদুল হাকিম

নিবেদিত সমাজকর্মী এ,কে,এম আবদুল হাকিম ১৯১৩ সালে ফরিদপুরে শোভারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জোনাব আলী আহমদ। শিক্ষা গোয়ালচামট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলনে ভলেন্টিয়ার হিসাবে যোগদান। ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করায় দমদম সেন্ট্রাল জেলে ১৫ দিন হাজত বাস। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শেরেবাংলা সাধারণ পাঠাগার, সমবায় বন্ধকী ব্যাংক, অন্যতম উদ্যোক্তা সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ, ইয়াছিন কলেজ। ১৯৭৫-৭৯ সালে ফরিদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের লাভ করেন ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিভাগীয় সমাজ কল্যাণ পুরস্কার লাভ করেন, ১৯৮০ সালে জাতীয় সমবায় পুরস্কার পান। নিবেদিত এই সমাজকর্মী ব্যক্তি জীবনে অবিবাহিত ।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ

0

গেরদা মসজিদ

ঐতিহাসিক গেরদা মসজিদ

ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে শহর থেকে মাত্র তিন মাইল দূরবর্তী এক নিভৃত গ্রাম ‘গেরদা’ । সেখানেই ৪০০ বছরের প্রাচীন এই মসজিদের অবস্থান। এই মসজিদে এমন কিছু ইসলামিক নিদর্শন আছে যা অনেকেরই অজানা। তার মধ্যে রয়েছে বিশ্ব  নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পবিত্র  মুই বা দাড়ি মোবারক এছাড়াও রয়েছে হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রাঃ) এর ব্যাবহৃত পোশাক ও অন্যান্য বুজুর্গ ব্যাক্তিদের ব্যবহৃত জিনিস সমূহ। আজকের এই তথ্য চিত্রে এমন অজানা কিছু তথ্য জানাতে চেষ্টা করবো।

আজ থেকে ৪০০ বছর আগে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে হযরত শাহ্ আলী বোগদাদী (রঃ), তার ভগ্নিপতি আত্মীয়-স্বজন ও অনুসারীসহ ফরিদপুরের তৎকালীন ঢোল সমুদ্রের তীরবর্তী জঙ্গলে আগমন করেন। জঙ্গল পরিস্কার করে তিনি সেখানে গদি স্থাপন করেন। ধারনা করা হয় এই গদি শব্দ থেকেই  পরবর্তীতে ‘গেরদা’ নামের উৎপত্তি হয় । ঢোল সমুদ্র এলাকাটি শতশত বছর আগে  ঢোলনগর নামেও পরিচিত ছিল।

হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রঃ) -এই স্থান থেকে বিভিন্ন আউলিয়াদের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রেরণ করেন। কথিত আছে হিজরী ১০১৩ সালে প্রাচীন মসজিদটি জনৈক আজল খাঁ নির্মাণ করেছিলেন। এই আজল খাঁ কে ছিলেন তা অবশ্য জানা যায়নি। তবে প্রাচীন সেই মসজিদটি এখন আর নেই তবে সেই মসজিদের মূল্যবান বেলে পাথরের অংশবিশেষ আজও রয়েছে মসজিদের প্রাচীরের দুটি ফটকে। সেই সাথে মসজিদের অভ্যন্তরে একটি শীলালিপিরও দেখা পাওয়া যায় সেখান থেকেই ধারনা পাওয়া যায় মসজিদটির বয়স। মসজিদে রক্ষিত রয়েছে ৫টি মূল্যবান নিদর্শনসমূহ, যা বছরে ৫দিন অত্যন্ত তাজিমের সাথে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ( ফাতেহা ইয়াজদাহম বড় পীর হযরত আব্দুল কাদির জিলানী রঃ এর ওফাত দিবসে) ঈদ ই মিলাদুন্নবী,  শবে বররাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা) এই ৫দিন।

পঞ্চদশ শতকের প্রারম্ভে হজরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রঃ) এদেশে পাঠান রাজত্বের প্রথম দিকে শতাধিক আউলিয়া, গাউস, কুতুব সাথে করে ইসলামী মূল্যবান কিছু নিদর্শনসহ বাগদাদ হতে দিল্লী হয়ে ফরিদপুরের গেরদায় আগমন করেন। মসজিদের পাশে হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রঃ) এর স্নেহধন্য পুত্র হযরত শাহ্ ওসমান (রঃ)-র কবর বিদ্যমান আছে।  অনেকেই হয়তো জানেন না ঢাকার মিরপুর মাজার রোডে অবস্থিত হযরত শাহ আলি বাগদাদি এই গেরদা থেকেই সেখানে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরন করেন। তবে তার স্বজনরা গেরদায় রয়ে যায় তার বংশধরদের কবর আজও এই গেরদায় রয়েছে।

 

আশির দশকে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর ভারপ্রাপ্ত মাননীয় সদস্য জাতীয় অধ্যাপক প্রফেসর জনাব সৈয়দ আলী আহসান প্রাচীন  গেরদা মসজিদ এর স্থানে ১৯৭৮ সালে  নির্মান করেন নতুন এই মসজিদটি তবে ঐতিহাসিক গেরদা মসজিদের অংশবিশেষ আজও বিদ্যমান। এখনও পুরনো পাথরের গায়ে হাত বুলিয়ে দেখেন দর্শনার্থীরা আর ৪০০ বছরের পুরনো গেরদা মসজিদের অস্তিত্ব উপলব্ধি করেন। মসজিদের উত্তর দিকে অবস্থিত রয়েছে বেশ কিছু পুরনো কবর কবরের সামনেই রয়েছে শতবর্ষী কাঠাল গাছ। গাছটি আজও কালের সাক্ষি হয়ে জানান দিচ্ছে নিজের অস্তিত্বকে। গেরদা গ্রামটি যেনো এক পূণ্যভূমি ছায়াশীতল গ্রামটির মায়ায় যে কেউ নিজেকে আবদ্ধ করে ফেলবেন। মসজিদটির চারপাশে অসংখ্য গাছপালা রয়েছে পারিপার্শিক অবস্থা দেখে অনুমান করা যায় একদা এক সময় এখানে ঘন জঙ্গল ছিলো । মসজিদের খুব কাছেই পদ্মার একটি শাখা নদী বয়ে গেছে , ধারণা করা হয় পদ্মার নদী ভাঙ্গনের কারনে প্রাচীন গেরদা মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মসজিদ ছাড়াও এখানে হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রঃ) এর অনুসারী এবং তার বংশধরদের বসবাসের বাড়িও ছিলো তবে সেগুলোর কোনও চিহ্নই নেই। ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে অসংখ্য দর্শনাথীরা আসেন ।

তো এই ছিলো গেরদা মসজিদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আবারও দেখা হবে ফরিদপুরের ঐতিহাসিক কোনও স্থানে। ফরিদপুরকে দেখুন ফরিদপুরকে জানুন। ফরিদপুর সিটি পেজ এবং ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের সাথেই থাকুন।

কিভাবে যাবেন:

ঢাকা ও অন্যান্য জেলা শহর থেকে বাস, ট্রেনযোগে প্রথমে আসতে হবে ফরিদপুর শহরে ভাঙ্গা রাস্তার মোড় ,রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, অথবা নতুন বাসস্ট্যান্ড , অথবা রেল স্টেশন থেকে ইজিবাইক রিজার্ভ করে সরাসরি বায়তুলআমান বাজার হয়ে  ঢোলসমুদ্রের সামনে দিয়ে লাল খার মোড় পার হয়ে চলে যাবেন গেরদা গ্রামে অবস্থিত গেরদা মসজিদে। বলে রাখা ভালো রিজার্ভ না করে গেলে ফেরার সময় ইজিবাইক পাওয়া দুস্কর হতে পারে ।

কোথায় থাকবেন:

ফরিদপুর শহরেই রয়েছে বেশকিছু আবাসিক হোটেল তবে কোনও তারকা হোটেল নেই, আবসিক হোটেল এর মধ্যে রয়েছে হোটেল র‌্যাফেলস ইনন, হোটেল লাক্সারী, হোটেল রাজস্থান,হোটেল পদ্মা, জে.কে ইন্টারন্যাশনাল আমাদের ওয়েবসাইটেই হোটেল এর ফোন নাম্বার পেয়ে যাবেন।

কোথায় খাবেন:

ফরিদপুর শহরে রয়েছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট পছন্দমতো যেকোনও একটিতে গিয়ে আপনার খাবার গ্রহন করতে পারেন আমাদের ওয়েবসাইটেও রেস্টুরেন্ট তালিকা দেয়া আছে।

ঐতিহ্যবাহী খাবার:

ফরিদপুরে এলে অবশ্যই যে খাবারগুলো পরখ করে দেখবেন তেতুল তলার খোকা মিয়ার ছানার রসগোল্লা, বাগাটের দই, স্টেশন রোডের লুচি,

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ

2

নাট্যগুরু নূরুল মোমেন

বিশ্ববিখ্যাত নেমেসিস রচিয়তা নূরুল মোমেন ১৯০৮ সালে আলফাডাঙ্গা থানার বুড়াইচ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা হোমিওপ্যাথি ডাক্তার, শিক্ষা ঢাকা গভর্ণমেন্ট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি,এ, কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি,এল, পাশ করেন। কোলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। আলো আধার, যদি এমন হতো, হিংটিং ছট সহ অনেক রম্যগ্রন্থের রচয়িতা। নাট্যগুরু নামে তিনি পরিচিত। ১৯৬১ সালে নাটকের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান, পাকিস্তান সরকার কর্তৃক সিতারা-ই-ইমতিয়াজ ১৯৬৭ ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭৮ সালে একুশে পদক পান। ১৯৮৯ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ঐতিহ্যে লালিত ফরিদপুর গ্রন্থ