গত মঙ্গলবার ৩১শে মার্চ রাতে মধুখালি উপজেলা ইউএনও জনাব মোঃ মোস্তফা মনোয়ার তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে তাদের নিবির পর্যবেক্ষন করা হয় এবং তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষন দেখে মেডিকেল বোর্ডের মনে হয়েছিল তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর কোনও লক্ষন নেই তবুও তারা আইইডিসিআর এর সহযোগীতায় ঢাকা থেকে একটি দল এসে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় এবং চিকিৎসকগন দম্পতিকে হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দেন রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত। অবশেষে আজ শনিবার ৪ই এপ্রিল আইইডিসিআর এর রিপোর্ট ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানতে পারে তাদের শরীরে কোনও কোভিড ১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া যায় নি। দম্পতি পরিবারের সন্তান রিয়াজ মাহমুদও বিষয়টি ফরিদপুর সিটি পেইজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা আজই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফরিদপুর মধুখালি উপজেলা ইউ এন ও ,সিভিল সার্জন,ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কৃর্তপক্ষের তাদের আন্তরিকতার কোনও কমতি ছিলোনা।
এর আগে গত মঙ্গলবার ৩১শে মার্চ মধুখালি উপজেলার গোপালদি গ্রামে বিষয়টি নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে মধুখালি সার্কেল এর এএসপি আনিসুজ্জামান লালন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম তাদের বাড়িতে যান তাদের সাথে কথাও বলেন পরে ঐদিন রাতেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবার ব্যবস্থা করেন।
Recent Comments