FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

নগরকান্দায় স্কুল মাঠে বাজার

নগরকান্দা উপজেলায় ব্যাতিক্রমী বাজার

ফরিদপুর নগরকান্দা উপজেলায় চলছে অভিনব উদ্যোগে বাজার প্রক্রিয়া। নগরকান্দার এম এন একাডেমির মাঠে এই বাজার ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে, সারা বিশ্ব ব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারনে নিরাপদ দুরুত্ব বজায় থাকাটা জরুরী আবার বাজার করাও একটা পরিবারের জন্য জরুরী এমতাবস্থায় নগরকান্দার উপজেলা প্রশাসন কর্তৃৃক এই ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ সাড়া ফেলেছে । তবে অসচেতন জনগন বাজার করতে এসে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছেন যার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি জনাব আহসান মাহমুদ রাসেল এর নেতৃত্বে আজ চলে সচেতনতামুলক কার্যক্রম।

0

আইইডিসিআর করোনার উপস্থিতি পায়নি তাদের নমুনায়

আইইডিসিআর করোনার উপস্থিতি পায়নি মধুখালি উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের গোপালদী গ্রামের  স্বামী স্ত্রীর শরীরে ।

গত মঙ্গলবার ৩১শে মার্চ রাতে মধুখালি উপজেলা ইউএনও জনাব  মোঃ মোস্তফা মনোয়ার তাদেরকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে তাদের নিবির পর্যবেক্ষন করা হয় এবং তাদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষন দেখে মেডিকেল বোর্ডের মনে হয়েছিল তাদের শরীরে করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর কোনও লক্ষন নেই তবুও তারা আইইডিসিআর এর সহযোগীতায় ঢাকা থেকে একটি দল এসে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় এবং চিকিৎসকগন দম্পতিকে হাসপাতালে থাকার পরামর্শ দেন রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত। অবশেষে আজ শনিবার ৪ই এপ্রিল আইইডিসিআর এর রিপোর্ট ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানতে পারে তাদের শরীরে কোনও কোভিড ১৯ এর উপস্থিতি পাওয়া যায় নি। দম্পতি পরিবারের সন্তান রিয়াজ মাহমুদও বিষয়টি ফরিদপুর সিটি পেইজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা আজই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফরিদপুর মধুখালি উপজেলা ইউ এন ও ,সিভিল সার্জন,ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কৃর্তপক্ষের তাদের আন্তরিকতার কোনও কমতি ছিলোনা।

এর আগে গত মঙ্গলবার ৩১শে মার্চ মধুখালি উপজেলার গোপালদি গ্রামে বিষয়টি নিয়ে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে  মধুখালি সার্কেল  এর এএসপি আনিসুজ্জামান লালন এবং  উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম তাদের বাড়িতে যান তাদের সাথে কথাও বলেন পরে ঐদিন রাতেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবার ব্যবস্থা করেন।

0

ফরিদপুরে পালিত হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী

ফরিদপুরে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ।

সকালের শুরুতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় কার্যক্রম। সকাল ৮টায় অম্বিকা ময়দানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতীতে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এবং স্থানীয়  সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কীত সংসদীয়  স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি মহোদয়ের পক্ষে জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এরপর ফরিদপুর পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আলিমুজ্জামান, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ, পুস্পার্ঘ অর্পন করেন।

ছবিঃ জেলা প্রশাসন ফরিদপুর

এরপর সীমিত আকারে সেখান থেকে একটি মুজিববর্ষ র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে শেষ হয়। সেখানে স্থাপিত মুজিব মঞ্চ থেকে  সহস্রকন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয় । জাতীয় সংগীত শেষে ১০০ পাউন্ড কেক কেটা হয় এবং বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করা হয় মুজিববর্ষের। এরপর জেলা প্রশাসক বিনা মুল্যে দরিদ্রদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সেই সাথে একযোগে জেলা ব্যাপী ৫০০ জন গৃহহীনদের মাঝে ভূমি,ঘরের চাবি,ঢেউটিন প্রদান করা হয় এসময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,ফরিদপুর পুলিশ সুপার ,রাজনৈতীক ,সামাজিক, ও সাংস্কৃতীক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনসাধারন উপস্থিত ছিলেন।

মুজিববর্ষ এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শিশুদের জন্য দিনটি ছিলো আনন্দের কারন সারাদিন ফরিদপুর পৌর শেখ রাসেল শিশু পার্ক ছিলো উন্মুক্ত। বিকাল ৫টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে মুজিব মঞ্চে আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। রাত আটটায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণেই অতোশবাজি প্রদর্শীত হয়। একই সময়ে উপজেলা পরিষদ,সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আতশবাজি প্রদর্শন শেষে  ফানুস উড়ানো হয় একযোগে । সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে সহস্রাধিক দর্শনার্থীরা এ আয়োজন উপভোগ করেন।

বঙ্গন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর শহর আলোকসজ্জীত করা হয়েছে নেয়া হয়েছে শতাধিক কর্মপরিকল্পনা যা বাস্তবায়িত হলে সুফল পাবে এ অঞ্চলের জনগন।

1

আমাদের Faridpur Live গ্রুপের বন্ধুদের সাথে কিছু সময়

ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের বন্ধুদের সাথে হয়ে গেলো একটা চমৎকার আড্ডা । 13ই মার্চ শুক্রবার অম্বিকাপুর ইউনিয়নে পল্লী কবির নকঁশীথার মাঠে সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে জমেছিলো এই আড্ডা।এই সুন্দর বিকালে যেসকল বন্ধুরা এসেছিলো তারা হচ্ছে তাম্বুলখানা থেকে তানভীর,চুনাঘাটা বেড়িবাধ থেকে ফারদিন ফয়সাল,কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন থেকে সজীব মোল্লা,গোয়ালচামট থেকে মোঃ তুহিন বিন আলম,কৈজুরী ইউনিয়ন থেকে মোঃ জিলানী,আলিপুর থেকে সহিদুল এছাড়াও আমাদের টিমের মডারেটর ফরিদপুর সদর উপজেলা মোঃ সৈকত হাসান,মোঃ রোকন উদ্দিন,সালমান রহমান পিয়াল,আহসান হাবীব বাপ্পি, সালথা উপজেলা থেকে মোঃ জব্বার হোসেন, উক্ত আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন। এসময় আমাদের গ্রুপের বন্ধু সহিদুল পল্লী কবি জসীম উদ্‌দীনের লেখা একটি সুন্দর কবিতা আবৃত্তি করে শোনায় সকলকে এতো সুন্দর একটি পরিবেশে প্রিয় কবি জসীম উদ্‌দীনের একটা কবিতা সকলকে রুপকথার রাজ্যে নিয়ে গিয়েছিলো সত্যি অসাধারন ছিলো সহিদুলের আবৃত্তি । আশাকরি সহিদুল ভবিষ্যতে তার এই প্রতিভার মাধ্যমে ফরিদপুরকে অনেক সম্মাননা এনে দিবে। গ্রুপের সকল বন্ধুরা এতো সুন্দর পরিবেশে আসতে পেরে তারাও খুব আনন্দিত হয়েছিল তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলাম ফরিদপুরের অন্যতম দামি ফসল ‘‘কালো সোনার” সাথে । এখানকার চাষী ভাইয়েরা পিযাজের এই ফুলকে কালো সোনা বলে ডাকে কারন এই ফুল থেকেই উৎপন্ন হয় পেয়াজের দানা। যা রোপন করলেই পেয়াজ উৎপন্ন হয়। আর এই পেয়াজের দানার চাহিদা প্রচুর তারা  যেনে অবাক হয়েছে শুনে যে সারা বাংলাদেশে আমাদের  এই ফরিদপুর থেকেই প্রায় 70 শতাংশ পেয়াজের দানা সরবরাহ করা হয়। সকলে ভীষন আন্তরিক ছিলো তাই বিকেলটা হয়তো এতো সুন্দর কাটিয়েছি সবাই সন্ধার পরে সকলে চা চক্রে মিলিত হই সব শেষে সবার সাথে বিদায় নিয়ে দিনটি অতিবাহিত করা হয়। ভবিষ্যতে এমন আড্ডা আবারও আয়োজন করার ইচ্ছা পোষন করে সবাই ।

0

ফরিদপুরে পল্লী কবি জসীমউদ্‌দীন এর ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ফরিদপুরে পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীনের ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে আজ।

আজ সকালে পল্লীকবির কবরে  শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার,ফরিদপুর পুলিশ সুপার জনাব আলিমুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রোকসানা রহমান (সার্বিক) , এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ( রাজস্ব) এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাসুম রেজাসহ অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ ।

কবির কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কবির বাড়ির আঙ্গিনায় দোয়া ও আলোচনা সভা হয় 

ছবি জেলা প্রশাসন ফরিদপুর

উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, সেই সাথে কবির পরিবারবর্গ, স্থানীয় বাসীন্দা,প্রতিবেশিরাও উপস্থিত ছিলেন।

কবি ১৯৭৬ সালের এই  ১৪ মার্চ তারিখে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন এবং ফরিদপুরের অম্বিকাুর ইউনিয়নে তার বাড়ির আঙ্গিনায় তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ি তার দাদির কবরের পাশেই  দাফন করা হয়।উল্লেখ্য তিনি ১৯০৩ সালের ১লা জানুয়ারি ফরিদপুর সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। মোহাম্মদ জসীম উদ্‌দীন মোল্লা তার সম্পুর্ন নাম তবে তিনি জসীম উদ্‌দীন নামে পরিচিত কবির মায়ের নাম ছিলো আমিনা, এবং  তার পিতার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা, তার পিতার নামানুসারে একটি বিদ্যালয়ও রয়েছে।

কলেজ জীবনে থাকা কালীন অবস্থায় তিনি কবর কবিতা রচনা করেছেন   আমাদের পল্লী কবি তার কবিতার মাধ্যমে আবহমান গ্রাম বাংলার দৃশ্যপট তুলে ধরেছেন তার কবিতায় সম্প্রীতির বন্ধন লক্ষনীয় তিনি তার কবিতায় লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তিনি কবিতার পাশাপাশি গানও রচনা করে গেছেন ।

কবর,আসমানী,নকশীকাঁথার মাঠ,সোজন বাদিয়ার ঘাট, এক পয়সার বাঁশী অন্যতম কাব্যগ্রন্থ ,এছাড়াও তিনি অসংখ্য কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন যা আমাদের বাংলা সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।

তার লেখা কাব্যগ্রন্থ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদিত হয়েছিলো তিনি  ১৯৭৬ সালে একুশে পদক , এবং ১৯৭৮ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার  (মরণোত্তর ) অর্জন করেছেন।

 তার লেখা গানগুলো আজও সমান জনপ্রিয় কলো কলো ছলো ছলো নদী করে টলো মলো , আমায় এতো রাতে কেনে ডাক দিলি প্রান ককিলারে , মাঝিদের কন্ঠে এসকল গান ভেসে বেরায় আজও

1

ভাঙ্গা থেকে ট্রেন যাত্রা শুরু হলো

ভাঙ্গা থেকে নতুন ট্রেন চালু হলো আজ।
আজ সকালে ভিডিও কন্ফারেন্সের মাধ্যমে আজ প্রধানমন্ত্রী ভাঙ্গা – ফরিদপুর- রাজবাড়ী পর্যন্ত রাজবাড়ী এক্সপ্রেস নামে নতুন ট্রেন উদ্বোধন করেন। এসময় ফরিদপুর ভাঙ্গা স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব আসলাম মোল্যা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক অতিরিক্ত ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, অতিরিক্ত যন্ত্র প্রকৌশলী শাহ সুফি নুর মহাম্মদ, ভাঙ্গা  উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব হাবিবুর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।সকল কর্মকর্তাবৃন্দ ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুর পর্য্যন্ত ট্রেনে ভ্রমন শেষ করেন, ফরিদপুর পৌছাবার পর রেলওয়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন এবং ফরিদপুর সদর স্টেশন মাস্টার মোঃ মাসুদ রানা (রনি) ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সেই সাথে আগত অন্যান্য অতীবৃন্দদেরকেও শুভেচ্ছা জানান। এখন থেকে নিয়মিত এই পথে রাজবাড়ী এক্সপ্রেস নামের ট্রেন চলাচল করবে।রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুর ভাড়া 15 টাকা, ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গা পর্য্যন্ত ভাড়া 15 টাকা। ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুর এর আগে সব স্টেশনেই ভাড়া 15 টাকা পুকুরিয়া,তালমা,বাকুন্দা 15 টাকা করেই ভাড়া।
ফরিদপুরবাসীর আরও একটি ইচ্ছা পুরন করলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এজন্য ফরিদপুরবাসী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।দীর্ঘ দিন যাবৎ এই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার পর আজ পুনরায় চালু হলো প্রত্যাশিত ভাঙ্গা পর্য্যন্ত ট্রেন চলাচল। ট্রেনটি যখন বিভিন্ন স্থান অতিক্রম করে রাস্তার দুপাশে হাজার হাজার দর্শনার্থীরা দেখার জন্য ভীর করে ছিলো সকলের চোখে আনন্দের উল্লাস। ফরিদপুরের জনগন আশাকরছে ভবিষ্যতে ভাঙ্গা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু হবে এবং ফরিদপুর এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি যেন পুনরায় ফরিদপুরবাসী ফিরে পায় সে প্রতাশাও করেন । রেলওয়ে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা জনাব মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন ফরিদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ভাঙ্গা পর্য্যন্ত ট্রেন চলাচল আজ প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কন্ফারেন্স এর মাধ্যমে উদ্বোধন করেন এই অঞ্চলে যাত্রীসেবা বাড়াতে ভবিষ্যতে নতুন ট্রেন যুক্ত হতে পারে বলে জানান তিনি সেই সাথে বাইতুল আমান স্টেশন বা ফরিদপুর কলেজ স্টেশন এবং অম্বিকাপুর স্টেশনেও  পরবর্তীতে নতুন ট্রেন সংযোজন হলে ট্রেন থামবে।

ছবি তানভির হোসেন 1

ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশন পর্য্যন্ত ট্রেন চালু হচ্ছে

ফরিদপুরবাসীর জন্য সত্যিই সুখবর, আগামী ২৬ জানুয়ারী থেকে রাজবাড়ী-ফরিদপুর- ভাঙ্গা পর্য্যন্ত ট্রেন চলাচল করবে। ফরিদপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের নাম ও সময়সূচীও পরিবর্তন করা হয়েছে।
এখন থেকে এই ট্রেনের নাম “রাজবাড়ী এক্সপ্রেস”
 রাজবাড়ী থেকে ভোর ০৬ঃ০০ মিনিটে ছেড়ে ভাঙ্গা পৌছাবে সকাল ৭.৫০ মিনিটে এবং ভাঙ্গা থেকে ভাটিয়াপাড়ার উদ্দেশ্য ছাড়বে সকাল ৮ঃ১৫ মিনিটে।
এবং
 রাজবাড়ী থেকে ছাড়বে বিকাল ১৭ঃ১০ মিনিটে ও ভাঙ্গা গিয়ে পৌছাবে সন্ধ্যা ১৯ঃ০৫ মিনিটে এবং ভাঙ্গা থেকে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্য ছাড়বে ১৯ঃ৩০ মিনিট ও রাজবাড়ী গিয়ে পৌছাবে ২১ঃ৩০ মিনিট।

১. #ফরিদপুর সকাল বেলার সময় সূচীঃ

 ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্য ছাড়বে সকাল ৬ঃ৫৮ মিনিটে এবং
ফরিদপুর থেকে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্য ছাড়বে সকাল ৯ঃ০৮ মিনিটে

২. ফরিদপুর রাতের বেলার সময়সূচীঃফরিদপুর থেকে ভাঙ্গার উদ্দেশ্য ছাড়বে ১৮ঃ০৫ মিনিট
 ফরিদপুর থেকে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্য ছাড়বে ২০ঃ২২ মিনিট
(বিঃদ্রঃ আগামী ১০/০১/২০২০ তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং আগামী ২৬ জানুয়ারী থেকে রাজবাড়ী-ফরিদপুর-ভাঙ্গা ট্রেন চলাচল করবে।)

আরও #বিস্তারিত

 রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ১ রাজবাড়ী আউট ০৬ঃ০০, ফরিদপুর ইন ০৬ঃ৫২, আউট ৬ঃ৫৫। বাখুন্ডা ইন ০৭ঃ০৬, আউট ০৭ঃ০৮। তালমা ইন ০৭ঃ১৮, আউট -৭ঃ২০। পুকুরিয়া ইন ০৭ঃ৩৩, আউট ০৭ঃ৩৫। ভাঙ্গা ইন ০৭ঃ৫০। তালমা থেকে ভাঙ্গা ইটি- ৬ মিনিট দেয়া। রাজবাড়ী এক্সপ্রস ২ ভাঙ্গা আউট ০৮ঃ১৫, পুকুরিয়া ইন ০৮ঃ২৪, আউট ০৮ঃ২৬। তামলা ইন ০৮ঃ৩৯, আউট ০৮ঃ৪১। বাখুন্ডা ইন ০৮ঃ৫১ আউট ০৮ঃ৫৩। ফরিদপুর ইন ০৯ঃ০৫, আউট ০৯ঃ০৮। রাজবাড়ী ইন ০৯ঃ৫৫।
রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ৩ রাজবাড়ী আউট ১৭ঃ১০, ফরিদপুর ইন ১৮ঃ০৫, আউট ১৮ঃ০৮। বাখুণ্ডা ইন ১৮ঃ১৯, আউট ১৮ঃ২১। তালমা ইন ১৮ঃ৩১, আউট ১৮ঃ৩৩। পুকুরিয়া ইন ১৮ঃ৪৬, আউট ১৮ঃ৪৮। ভাঙ্গা ইন ১৯ঃ০৫। তালমা থেকে ভাঙ্গা ইটি- ১৩ মিনিট। রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ৪ ভাঙ্গা আউট ১৯ঃ৩০। পুকুরিয়া ইন ১৯ঃ৩৯, আউট ১৯ঃ৪১। তালমা ইন ১৯ঃ৫৪, আউট ১৯ঃ৫৬। বাখুন্ডা ইন ২০ঃ০৬, আউট ২০ঃ০৮। ফরিদপুর ইন ২০ঃ২০, আউট ২০ঃ২২। রাজবাড়ী ইন ২১ঃ৩০। পাচুরিয়া জংশন থেকে রাজবাড়ী ইটি ১৫ মিনিট দেয়া। রাজবাড়ী এক্সপ্রেস ১,২,৩,৪ উভয় যাত্রা পথে অম্বিকাপুর ও ফরিদপুর কলেজে যাত্রাবিরতি করবে না।
ছবি Tanvir Hossain কৃতজ্ঞতা M A Hosen এবং Md. Abdul Hakim

0

ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব 2020

ফরিদপুর সিটি পেইজের আয়োজনে ফরিদপুরের ধলার মোড় পদ্মার চরে 3য় বারের মত অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো কেইনো ফার্নিচার ঘুড়ি ও ফানুস উৎসব 2020 । উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার, ফরিদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ মাসুম রেজা, এছাড়াও উপস্থিত  ছিলেন সরকারী রাজেন্দ্র কলেজের ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রিজভী জামান,এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ডরুম শাখার সহকারী কমিশনার জনাব মোঃ আসাদুর রহমান।

 প্রধান অতিথি  জনাব অতুল সরকার ঘুড়ি উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলো ফরিদপুর সিটি টিমের সকল সদস্য। বৈরী আবহওয়া থাকা সত্বেও হাজার হাজার অংশগ্রহনকারী ঘুড়ি উৎসবে অংশ গ্রহন করেন।জেলা প্রশাসক জানান ঘুড়ি বাংঙ্গালী সংস্কৃতির  একটি অংশক তাকে বাচিয়ে রাখার এই  পদক্ষেপক দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন, তিনি ফরিদপুর সিটির এই কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রসংসা করেন। ঘুড়ি উৎসবে বিভিন্ন বয়স এবং বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ  অংশগ্রহন করেন  এসময় তারা বলেন শৈশবের স্মৃতীতে কিছুটা সময় কাটাতে পেরে তারা আনন্দীত এজন্য তারা ফরিদপুর সিটি টিমকে ধন্যবাদ জানান। অনেকেই নিজ হাতে ঘুড়ি বানিয়ে অংশ গ্রহন করেন তার মধ্যে চিল ঘুড়ি,কৈড়া ঘুড়ি,পতেঙ্গ ঘুড়ি,প্লাজো ঘুড়ি, লেজযুক্ত ঘুড়ি, বাহাদুর ঘুড়ি,দোল ঘুড়ি, আরও রং বেরংয়ের ঘুড়ি উড়িয়ে তারা শৈশবের আনন্দে মেতে উঠেন। তিনজন সেরা ঘুড়ি নির্তমাতাকে আর এফ এল এর কেইনো ফার্নিচার এর সৌজন্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়।পুরস্কার প্রদান করেন আরএফএল গ্রুপের ইভেন্ট ম্যানেজার জনাব মোঃ নাঈম হোসেন। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন বাহাদুর নামক ঘুড়ি যেটি বানিয়েছেন রেডিও ফরিদপুর নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ওয়েডিং প্লানারের কর্নধার জনাব  সৈয়দ রিফাতুজ্জামান তন্ময়, তৃত্বীয় স্থান অধিকার করেন জনাব এম এম রাকিব হাসান ।ঘুড়ি ও ফানুস উৎসবে স্পন্সর করায় প্রাণ আর.এফ.এল গ্রুপের ইভেন্ট ম্যানেজার জসাব মোঃ নাঈম হোসেনকে ফরিদপুর সিটি পেইজের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয় এছাড়াও ডিওরেবল প্লাস্টিক লিঃ আর এফ এল গ্রুপের হেড অফ মার্কেটিং জনাব মোহাম্মদ রাশেদ উল আলম এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহন করেন ইভেন্ট সুপার ভাইজার জনাব মোঃ শুভ। ঘুড়ি ও ফানুস উৎসবে ফরিদপুরের একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনকে রাইজিং অ্যাওয়ার্ড 2019 প্রদান করা হয় এই অ্যাওয়ার্ডটি প্রতিবছর ফরিদপুর সিটি পেইজের পক্ষ থেকে একটি সংগঠন বা একজন ব্যাক্তিকে প্রদান করা হবে যারা ফরিদপুরের সামাজিক কর্মকান্ডে বিশেষ অবদান রাখবে । ফরিদপুরসিটি পেইজের গ্রুপ ফরিদপুর লাইভের সদস্যগন 2019 সালে যারা সমাজের কল্যানমূলক কাজে অবদান রখেছেন তাদের মধ্য থেকে 6জন ব্যাক্তিকে উৎসাহমূলক সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে, মোঃ আলামিন হক,মাজহারুল ইসলাম সাগর,শেখ রাসেল, মাহবুবা সুলতানা, নিশাত মাহমুদ আরমান ও চন্দ্র ঘোষকে উৎসাহমুলক সম্মাননা প্রদান করা হয়।ফরিদপুর সিটি পেইজ প্রতিবছর এমন সম্মাননা প্রদান করবে যেন সকলে ভালো কাজে উৎসাহী হয়।ফরিদপুরে এই প্রথম Bird’s Eye এর সৌজন্যে   ড্রোন দিয়ে সর্ববৃহত একটি সেল্ফি তোলা হয় যা সকল অংশগ্রহনকারী বেশ উপভোগ করেন।  উৎসবের মুল আকর্ষণ ছিলো সন্ধ্যায় ফানুস উড়ানো এবং আতোশবাজী প্রদর্শন । আতশবাজী প্রদর্শনের মাধ্যমে উৎসবের আনু্ষ্ঠানিকতা সমাপ্ত ঘোষনা করা হয়।



0

ফরিদপুরের নুর সাইকেল চালিয়ে তেতুলিয়া থেকে টেকনাফ

তার নাম ফরিদপুরের নুর মোহাম্মদ ভালোবাসে সাইকেল চালাতে সাইকেল চালিয়ে ভ্রমন করতে । সাইকেল চালিয়ে তিনি ঘুরে বেড়ান ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ছড়িয়ে দিতে থাকেন সাইকের চালোনোর উপকারিতা এবং সুবিধা সম্পর্কে । ফরিদপুর এর গন্ডি পেরিয়ে তিনি ঢাকা,মাগুরা ভ্রমন করেন এর পর থেকে তার ইচ্ছা জাগে বাংলাদেশ ভ্রমনের যেমন ইচ্ছা তেমন কাজ ফরিদপুরের সেচ্ছাসেবী সংগছন অনুপ্রয়াসের সহযোগীতায় তিনি 8/12/19 তারিখ রাতে ফরিদপুর ত্যাগ করেন ।এর আগে তিনি ফরিদপুর জেলা প্রশাসক এর কাছ থেকে অনুমতি গ্রহন করেন এবং ফরিদপুর পুলিশ সুপারের অনুমতি গ্রহন করেন।12 ঘন্টা জার্নি  করে 9/12/19 তারিখ সকালে  বাংলা বান্ধা ভ্রমন করেন এর পরের দিন তেতুলিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করেন তার সাথে তখন তার সঙ্গি ছিলো পিরোজপুরের সাইক্লিস্ট ।ফরিদপুরের সেচ্ছাসেবী সংগঠন অনুপ্রয়াসের সহযোগীতায় CYCLING FOR CLIMATE JUSTICE এই শ্লোগানকে সঙ্গে নিয়ে নুর মোহাম্মদ তার এই সাইকেল যাত্রা শুরু করেন।  প্রতিদিন তিনি দিনের বেলায় সাইকেল চালাতো এবং রাতে বিশ্রাম নিতো। প্রথম দিন তিনি 90 কিলোমিটার সাইক্লিং করেন দিত্বীয় দিন 130 কিঃমিঃ সাইক্লিং করেন দিনাজপুর ঠাকুরগাহ ভ্রমন করেন   11 তারিখ তিনি 140 কিঃমিঃ সাইক্লিং করেন পৌছান বগুড়া  সকালে বগুড়া থেকে যাত্রা শুরু করেন বগুড়ার দর্শণীয় স্থান পরিদর্শন করেন এরপর টাঙ্গাইলপৌছান সেখানে রাত্রীযাপন করে সকালে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হোউন তিনি, তারপর তিনি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম পৌছান 145 কিঃমিঃ সাইক্লিং করেন ঐদিন।রাতে বিশ্রাম নিয়ে পরের দিন সকালে চট্টগ্রাম থেকে তিনি 160 কিঃমিঃ সাইক্লিং করে পৌছান কক্সবাজার পরের দিন 18/12/19 তারিখ সকালে টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা হোউন তিনি মোট 84 কিঃমিঃ সাইক্লিং করে পৌছান টেকনাফ জিরো পয়েন্টে টেকনাফে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করে  তার সাইক্লিং শেষ করেন।আজ 18/12/19 তারিখে তিনি টেকনাফে বিশ্রাম শেষে বাসযোগে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন বলে জানিয়েছেন নুর মোহাম্মদ ।তিনি ফরিদপুরবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন যেনো সুস্থভাবে তিনি ফরিদপুরে পৌছাতে পারেন।

0

ফরিদপুরে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত

ফরিদপুরে নানা আয়োজনে পালিত হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস 2019। ফরিদপুর জেলা প্রশাসন এর উদ্যোগে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয় উক্ত র‌্যালী শহর প্রদক্ষিণ করে ফিরে আসে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে,ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছিলো উক্ত প্রতিযোগীতায় যারা বিজয়ী হয়েছে তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার।