Tagged: সড়ক দুর্ঘটনা

0

সড়ক দূর্ঘটনায় ২জন মোটরসাইকেল আরোহী গুরতর আহত

ঢাকা-ফরিদপুর মহাসড়ক মহাসড়ক যেনো মৃত্যুপুরী।আজ বেলা পৌনে ১২টায় ফরিদপুর সদর উপজেলার রঘুনন্দনপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ এর সামনে ঘটে এই দুর্ঘটনা।

আহতদেরকে আশংকাজন অবস্থায় দ্রুত বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মোটর সাইকেল আরোহীগন ফরিদপুর রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ের দিকে দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল ওভারটেকিং এর সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুত গতীর ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ট্রাক বাইকসহ তাদেরকে প্রায় দশ ফুট দুরে পিষে নিয়ে যায় পরে স্থানীয় জনতা এসে তাদেরকে আশংকাজনকভাবে হাসপাতলে নেয়া হয়েছে। দূর্ঘটনার কারনে ট্রাক চালক পালিয়ে যায় দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের কারনে সৃষ্টি হয় জ্যামের পরবর্তীতে পুলিশ প্রশান এসে ট্রাকটি সরিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।

ফরিদপুর সদর প্রতিনিধি: রোকন উদ্দিন

0

নগরকান্দার পৌর মেয়র গুরুতর আহত, নিহত ৪ জন

নগরকান্দা-ভাংগা সংলগ্ন ( কান্দী গ্রাম এর সামনে কাইলার মোড়) এ বাস এবং মাইক্রোবাস দূর্ঘটনা ঘটে ৯.৩০ মিনিট । জানা গেছে মাইক্রোবাসে ৮ জন যাএী ছিলো তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়েছেন । এবং আজ সকালে ০৪.০৩.২১ তারিখে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরুতর আহত পলাশ নামের আরও একজন মৃত্যু বরণ করেন। কাইচাইল ইউনিয়নের কাইলার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন-নগরকান্দার পৌরসভার মেয়র নিমাই চন্দ্র সরকারের স্ত্রী সঞ্চিতা সরকার (৪৫), তার ছেলে গোবিন্দ চন্দ্র সরকার (২৫) ও মেয়রের সঙ্গী কামাল হোসেন (২৭) ।

ছবি শিশির বিশ্বাস ফরিদপুর লাইভ গ্রুপ

জানা গেছে মেয়র পারিবারিক কাজে ভাঙ্গায় গিয়েছিলেন।ভাঙ্গা থেকে মাইক্রোবাসে করে ফেরার পথে নগরকান্দা উপজেলার কাইলার মোড় এলাকায়  বিপরীত দিক থেকে আসা জি এস পরিবহন বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় মাইক্রোবাসের। নগরকান্দা উপজেলা পৌর মেয়র নিমাই চন্দ্র সরকারকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আপারেশন করা হয়েছে। এবং পরবতীর্তে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় পাঠানো হতে পারে বলে জানা গেছে ।সংঘষের্ বাসের কিছু সংখ্যক যাএীও আহত হয়েছে বলে জানা গেছে ।

0

মরণ ফাঁদ ফরিদপুরের ধুলদি থেকে রাজবাড়ী রাস্তার মোড় পর্য্যন্ত

ফরিদপুর সদর মডারেটর রোকন উদ্দিনঃ ঢাকা ফরিদপুর মহাসড়কের সবচেয়ে ভয়ংকর স্থানের নাম কোমরপুর থেকে রাজবাড়ী রাস্তার মোড় পর্যন্ত রাস্তা। মহাসড়কের এই অংশতে থেমে থমে প্রতিনিয়ত কোন না কোন ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘতেই চলছে।

আজ আরো একটা দুর্ঘটনা ঘটল।অল্পের জন্য বেচে গেল কয়েকটি তাজা প্রাণ। বাহিরদিয়ার পর থেকে সোজা রাস্তা হওয়ার যে কোন বড় যানবহন তার সর্বোচ্চ গতি ব্যাবহার করতে সক্ষম হয় এই অংশতে, গত দু বছরে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনাগুলো – ১.বাহিরদিয়া কোমরপুরের মাঝে পিকআপ ভ্যানের নিচে চাপা পরে আব্দুল্লাহ নামের এক ছেলের মৃত্যু। ২.ধুলদি ব্রীজে বাস খাদে পরে বেশ কয়েকজন নিহত। ৩.এরপর একদিন সকালে মুসলিম মিশনের শিক্ষকের মৃত্যু দ্রুতগতির মাহিন্দ্রের ধাক্কায়। ৪.কোমরপুর স্কুলের সমনে গ্রীনলাইন ভলবোর খাদে পরে যাওয়া। ৫.মুসলিম মিশনের আরো এক কর্মচারীর গতিশীল মোটরবাইকের ধাক্কায় পা ভেঙ্গে যায়।

৬.কিছুদিন আগে মুসলিম মিশন কলেজের প্রিন্সিপাল স্যারের ওয়াইফের রিকশায় ধাক্কা দেয় দ্রুতগতীর মোটরবাইক। তখন রিকশা থেকে পরে তার হাত ভেঙ্গে যায়। ৭. একই জায়গায় মাঝবয়সী এক যুবককে দ্রুতগতীসম্পন্ন বাস এমনভাবে পৃষ্ট করে যে যুবকের পরিবারের সদস্যদের’ই লাশ শনাক্ত করতে কষ্ট হয়। যুবকের মাথার উপর দিয়ে বাসের চাক্কা চলে যায়। সে এক বীভৎস দৃশ্য। ৮. কোমরপুর স্ট্যান্ডে এক সাইকেল চালকের মাথার অর্ধেক পৃষ্ট হয় বাসের চাকার নিচে। ৯. এবছরের প্রথমদিকে অতিরিক্ত গতী থাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক মাইক্রোবাস মিশনের সামনের নর্দমায় পরে যায়। ১০. গতবছরে সাউথ লাইন পরিবহনের একটি বাস কোমরপুর যাত্রীছাওনির উপর দিয়ে উঠে যায় অতিরিক্ত গতীর কারণে। সেখানে অপেক্ষমাণ ২ জনের তৎক্ষনাত মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও গতবছরই খৃস্টান মিশনের সামনে ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পরে যায়।

এভাবে ফরিদপুরের এই অংশে প্রতিবছরেই ৫-৬ টি দূর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রত্যেক দূর্ঘটনায় কেউ না কেউ প্রাণ হারাচ্ছে। এরমধ্যে শুধু মুসলিম মিশনের শিক্ষক মারা যাওয়ার পর মিশনের সম্পাদক এম এ সামাদ স্যার প্রশাসনের কাছে অনেক আবেদন করেও একটি স্পীডব্রেকার দিতে পারেন নি তবে তখন মিশনের সামনে দুটি Ramble Step দিয়েছিল প্রশাসন। অন্যদিকে কোমরপুর থেকে মুসলিম মিশন পর্যন্ত সড়ক বিভাগের অবস্থা যদি সড়ক বিভাগও দেখতো তাহলে তারাও বুঝি লজ্জা পেতো। ভারী ট্রাক চলার দরুন রাস্তায় লম্বা গর্তের র্সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ছোট গাড়ীর ব্যালেন্স রাখা অনেকটাই কষ্টসাধ্য ব্যাপার, এদিকে সড়ক বিভাগ বা প্রশাসনের কোন নজরদারী লক্ষনীয় না । হ্যা এখানে যদি আবার বড় কোন ট্রাজেডি ঘটে তখন ঠিকই প্রশাসনের নজর পরবে, এখন আরো একটি বড় দূর্ঘটনা দেখার অপেক্ষাই কি সমাধান তাহলে?