Tagged: ফরিদপুর জেলা প্রশাসন

1

বিকাল ৪টার পরে দোকান খোলা রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরনে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত আজ ১৩ই মে ফরিদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী  ম্যাজিষ্ট্রেট এর নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে বিকাল ৪টার পরে দোকান ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় একটি জুতার দোকানকে নগদ ২হাজার টাকা এবং আরও একটি প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় তাদেরকেও ২হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে ।এই কার্য্যক্রমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সার্বিক অংশ গ্রহনের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। ফরিদপুরের সকল উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে। ফরিদপুর জেলা প্রশসন নিয়মিত এমন কার্য্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন জনগনকে সচেতনও করে যাচ্ছেন কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেকে সরকারি আদেশ অমান্য করে গোপনে ব্যবসা চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে  জানা গেছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রোমন ঠেকাতে ইতিমধ্যে ফরিদপুর এর সকল বিপনী বিতান বন্ধ ঘোষনা করেছে ব্যবসায়ীরা। তাই সকলের সচেতনতাই পারে এই মহামারীথেকে সকলকে নিরাপদ রাখতে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ যেনো ঘর থেকে বের না হয় সেজন্য জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালাত সচেতন করে যাচ্ছেন তাদের এই অভিযানকে সাধারন জনগন সাধুবাদ জানিয়েছেন।

0

সামাজিক দুরত্ব ও হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত

সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে এবং হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে ছুটে বেড়াচ্ছেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত।

আজ ২৪শে এপ্রিল ফরিদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী মেজিষ্ট্রেট এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী,আনসার, পুলিশ এর যৌথ অংশ গ্রহনে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে ফরিদপুর সদর উপজেলাসহ অন্যান্য উপজেলাতেও। যারা সরকারি নির্দেশনা মানছেন না তাদেরকে বোঝানো হচ্ছে অনেকাংশে জরিমানাও করা হচ্ছে। 

0

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকারের নির্দেশনায় জেলার দু:স্থ্য সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ ।

দু:স্থ্য সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকারের নির্দেশনায় জেলার দু:স্থ্য সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম চলছেই। তার এই উদ্যোগ সকল ফরিদপুরবাসীকে নিজ নিজ গৃহে থাকহে সহায়তা করবে। তিনি ফরিদপুর জেলার জনগনকে নিরাপদ রাখতে  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতো কাজ করে যাচ্ছেন । ফেসবুকে কোনও পোস্ট তার প্রশাসনের নজরে আসলে এবং তাকে কেউ মেসেঞ্জারে মেসেজ দিলেও তিনি সাথে সাথে তার টিম পাঠিয়ে জরুরী ত্রান সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন একটাই উদ্দেশ্য যেন ভালো থাকে ফরিদপুর ভালো থাকে বাংলাদেশ। তার নির্দেশে তার সকল দফতর করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যেকটি উপজেলার  নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত করছেন। স্বস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে ফরিদপুর সদর এবং অন্যান্য উপজেলায় বাজার ব্যবস্থা স্থানন্তরিত করা হয়েছে যেন সকলে নিরাপদ শারিরিক দুরুত্ব বজায় রেখে বাজার করতে পারে। সরকার কর্তৃক ঘোষিত সন্ধ্যা ৬টার পরে কেউ জরুরী প্রয়োজনে বাইরে বের হলে  তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। তিনি এবং তার প্রশাসন করোনা থেকে ফরিদপুরকে সুরক্ষা দিতে রাত  দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, কারন ফরিদপুর জেলা শুরু থেকেই প্রবাসীদের নিয়ে ঝুকিতে আছে এজন্য বারতি নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন । ইতিমধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার যন্ত্র চলে এসেছে খুব শিঘ্রই ফরিদপুর মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড ১৯ এর   পরীক্ষা শুরু হবে।