Tagged: ছাদ বাগান

0

অপূর্ব ঘরোয়া বাগান

অপূর্ব ঘরোয়া বাগান।

 

বাড়ির সর্বত্র যার প্রকৃতির ছোয়া ঘরের ভেতর বাহির এবং ছাদ সর্বত্র ছোট বড় বাহারি ধরনের বৃক্ষরাজী দিয়ে সাজিয়েছেন তিনি।

 যার কথা বলছিলাম তিনি হচ্ছেন একজন সাংস্কৃতিক কর্মী,প্রকৃতি প্রেমী,এবং গণমাধ্যম কর্মী জনাব অপূর্ব অসীম। ফরিদপুর সদর উপজেলার টেপাখোলার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। তার নিজ বাড়ির ছাদেই গড়ে তুলেছেন ছাদ বাগান। শুরুটা শখের বসে হলেও বানিজ্যিকভাবেও তার পরিকল্পনা রয়েছে। সারাও পাচ্ছেন প্রচুর, তার শৈল্পীক ছোয়ায় ছাদ বাগান হয়ে উঠেছে একটি ক্যানভাস যেখানে অধিকাংশ সময় পার করেন তিনি।এয়ারপ্লান্ট, অস্ট্রেলিয়ান মস,ক্যাকটাস,এডেনিয়াম উল্লেখযোগ্য গাছ রয়েছে তার সংগ্রহে প্রায় ২হাজার ক্যাকটাস রয়েছে। আমাদের ফরিদপুর শহরে বহু বাসা বাড়ির ছাদে এখন গড়ে উঠছে ছাদ বাগান আগে শুধুমাত্র ফুলের গাছ শোভা পেলেও বর্তমানে ফল এবং সবজীর চাষাবাদ করতেও দেখা যাচ্ছে। এসব ফল গাছ থেকে তারা তাদের নিজেদের পরিবারের চাহিদা মেটাচ্ছেন এবং প্রতিবেশীদের মাঝে বিতরনও করছেন। কেউ বা আবার বানিজ্যিক চাষাবাদেরও পরিকল্পনা করছেন। সকল সম্ভাবনাকে আমরা আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি যেনো আপনিও ছাদ কৃষি বা ছাদ বাগানে উৎসাহি হতে পারেন। অপূর্ব ঘরোয়া বাগানটি সৌখিন বাগিনের জন্য বিশেষ গুরুত্ব রাখবে কারন এখানে রয়েছে বেশ কয়েক প্রজাতির ক্যাকটাস জাতীয় গাছ যা অনেকেরই আগ্রহের বিষয়। এছাড়াও ভিন্ন কিছু এয়ার প্লান্ট রয়েছে এই বাগানে। ছাদটি খুব বেশি বড় না হলেও গাছের সংখ্যাটি কিন্তু কম না সেতুলনায়। জনাব অপূর্ব অসীম বলেন যায়গা কোনও বিষয় না ইচ্ছাটাই আসল বিষয়।  টিম ফরিদপুর সিটি তার ছাদ বাগান পরিদর্শনে গিয়েছিলো।  ছাদ বাগান নিয়ে এই আয়োজন এর উদ্দেশ্য হচ্ছে ছাদবাগানে সকলকে উৎসাহিত করা। তাহলে আমাদের ফরিদপুর শহরটি সবুজে ভোরে উঠবে। অপুর্ব ঘরোয়া বাগান কোনো পরামর্শ পেতে চাইলে তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এই নাম্বারে 01718001189 (অপূর্ব অসীম)

0

নিরবের ছাদ বাগান

ছাদবাগান পরিচিতি পর্ব (৪) নিরবের ছাদ বাগান

 নাম: মো: নাফিজুর রহমান নিরব স্হায়ী ঠিকানা, মাদারীপুর সদর।বর্তমান ঠিকানা: খাসকান্দি,কানাইপুর, ফরিদপুর।পেশা : শিক্ষার্থী (এবছর এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে) তার  বাগানের বয়স: আড়াই থেকে ৩ বছর। বাগানের ধরন : আঙিনা ও ছোট ছাদ তার বাগানে যেসব গাছ আছে তার মধ্যে ক্যাকটাস, অর্কিড, জলজ, ফুুল, কাটা মুকুট, বাগান বিলাস, দেশি বিভিন্ন ফুল গাছ,এছাড়া শোভা বর্ধণকারী অর্নামেন্টাল বিভিন্ন গাছের সংগ্রহ আছে। বাগান নিয়ে তেমন সমস্যা হয়না, পরিবার খুবই সাহায্য করে এব্যাপারে । বিগত একটা সময় তার বাগানে একটা সমস্যা হয়েছিল,, কে বা কারা যেনো বাগানের সব গাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছিল!!

নিরবের ছাদ বাগান

বাগান থেকে অতিরিক্ত গাছ বিতরন, বিনিময়, ও অনলাইনে টুকটাক সেলও করেন তিনি।  বাগান নিয়ে তার ভবিষ্যতে অনেক পরিকল্পনা আছেএবং তার ছোট একটা  গার্ডেনিং পেজ আছে, ( নিরবের ছাদবাগান)ভাড়া বাসায় করোনা কালীন সময়ে ছোট বাগান দিয়ে শুরু। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন  একটুকরো সুখের বাগান।  তার বাগানের সবচেয়ে বড় সফলতা ফুলকুড়ি আসর আয়োজিত বাগান তৈরী প্রতিযোগিতা ২০২০এ বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন।  যা তাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।  বাড়ির ছাদ হোক বা বেলকনি অথবা বাড়ির আঙিনায় একটি হলেও গাছ লাগান। শিক্ষার মতো সবুজের আলো ঘরে ঘরে জ্বালো। তিনি এই পর্যন্ত ৪৫+ জেলাতে নিজের বাগানের গাছ পৌছাতে পেরেছে এবং ফরিদপুরের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৫০-৩০০ জনকে নিজের বাগানের গাছ পৌছাতে দিয়েছে। মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ,  লালমনিরহাট,ভৈরব, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, লালমনিরহাট, কুষ্টিয়া, পাবনা,  বরগুনা,  গাজীপুর, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর এসব জেলাতে তার বাগানের গাছ পৌছে গেছে। নিরবের বাগান করা দেখে এলাকার লোক এবং বন্ধু, পরিবারের সদস্যরা অনুপ্রাণিত হয়ে বাগান করছে।

0

আবিরের ছাদ বাগান

ছাদ বাগান পরিচিত পর্ব (৩)

নাম: জাওয়াদ আবীরমূল বাড়ি মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ। পড়ালেখার সূত্রে ফরিদপুরে থাকছেন তিনি। H.S.C ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে উত্তির্ণ হয়েছেন বর্তমানে তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র (নিউ) বাংলা বিষয় নিয়ে পড়ছেন। গত ২০১৫ সালে পরিবারসহ ফরিদপুরে আসা। তাই বাগানে বড় ছোট সব গাছই ছিলো। হঠাৎ করে তার বাবা ঢাকা চলে যান কর্মসূত্রে, ভাইও ভিন্ন স্থানে  এজন্য তার মা বাড়িতে চলে যায়। যেহেতু মেসে থাকেন তিনি তাই বাগান করাটা একটু চ্যালেন্জ তার জন্য। তার বাসার বাড়িওয়ালা আন্টি এগুলো একদমই পছন্দ করে না, তাই বড় গাছ আর রাখা হয়না। অল্প হলেও আলহামদুলিল্লাহ তিনি শখ মেটানোর পাশাপাশি বিক্রিও হচ্ছে, তিনি গাছ সংগ্রহ করে এবং পরিচর্যা করেন। তবে সবগাছই এক্সট্রা রাখে এতে করে তার বাগান করার শখটাও মিটে যায়।বাড়িওয়ালা রাখতেই দিতে চায় না, অনেক বুঝিয়ে রেখেছেন তিনি তারপরও মাঝেমাঝেই সেটা নিয়ে কথা শুনতে হয় তাকে। হয়তো খুব শীঘ্রই এখান থেকে শিফট হতে হবে তাকে তার নতুন ঠিকানায়। তিনি জানান তিনি নতুন নতুন বাগানি তৈরি করেছে ফরিদপুর শহরে মিনিমাম ৩০/৪০ জনকে। তার পরিকল্পনা নতুন নতুন বাগানি তৈরি করা, তাই রিজনেবল প্রাইসে শিক্ষার্থীদেরকে গাছ দেয় এটা অব্যাহত থাকবে, তাছাড়া ইচ্ছা আছে ভার্টিক্যাল নার্সারি বা ডিজিটাল নার্সারি করার। কারন ফ্লাটবাসায় চাইলেই বড় গাছ রোপন করা সম্ভব না। ২০১৬ সাল থেকে কাজ শুরু করে তিলে তিলে সাজিয়েছেন  এই ছাদ বাগান । এই বাগান করার সময় তাকে তার সসহপাঠী , বন্ধুবান্ধব সহ সকলেই এ কাজে তাকে সহায়তা করেছেন। তিনি যেখানে যে প্রজাতির গাছ পেয়েছেন তাই সংগ্রহ করেছেন। বিভিন্নস্থানের বন-জঙ্গল থেকে তুলে এনেছে অনেক গাছ। অনেকেই এই  এসব কাজ দেখে প্রথমে হেসেছেন। কিন্তু তিনি  থেমে থাকেনি। সে তার নিজের করেই  কাজ চালিয়ে গেছে। আমরা চাইলে প্রত্যেকেই আমাদের ছাদগুলোকে এভাবে সাজাতে পারি। তাতে প্রাকৃতিকভাবে যেমন আমরা হবো সবল, তেমন অর্থনৈতিকভাবে তৈরি করতে পারি সফলতা। আমার চাইলে আমাদের নিজের বাড়িতে ছোট ছোট করে বাগান তৈরি করতে পারি।

0

আরোগ্য সদন প্রাইভেট হাসপাতালের ছাদে গড়ে তুলেছে ছাদ বাগান

আজ ফরিদপুর পৌর এলাকায় অবস্থিত আরোগ্য সদন প্রাইভেট হাসপাতালের ছাদ বাগান পরিদর্শন করে এলো আমাদের টিম।আরোগ্য সদন হাসপাতালের ব্যাতিক্রমী এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই । পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন আরোগ্য সদন হাসপাতালের পক্ষ থেকে জনাব মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন ইমন, এবং দিদার হোসেন, আমরা সাধারনত বাসা বাড়ির ছাদেই ছাদ কৃষি বা ছাদ বাগান করতে দেখি তবে ফরিদপুর এর এই হাসপাতালে এই প্রথম একটি ছাদ বাগান দেখে খুবই ভালো লাগলো। আমাদের মডারেটর রাসেল মৃধা কিছুদিন আগে ছাদ বাগানটির ছবি এবং ভিডিও আমাদের গ্রুপ ফরিদপুর লাইভে প্রকাশ করেছিলো অনেকেই সেই ছাদ বাগান দেখে প্রসংশা করেছিলো ব্যাতিক্রম উদ্যোগকে, পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের টিমকে তাদের ছাদ বাগান দেখার আমন্ত্রন জানালে আজ আমাদের টিম ছাদ বাগানটি পরিদর্শনে যায়।ছাদ বাগানে শতাধিক ফলজ গাছের সমাহার দেখে ভীষন ভালো লাগলো প্রায় গাছেই ঝুলে আছে ফল, আরোগ্য সদন হাসপাতালের ইলেকট্রিশিয়ান জনাব আব্দুল কাদের মুলত তিনিই ছাদ বাগান দেখাশোনা ও পরিচর্যা করে থাকেন। তিনি জানালেন কয়েক প্রজাতির আম গাছ রয়েছে এছাড়াও আমড়া ,চায়না লেবু,চায়না কমলা ,কাগজি লেবু ,হাড়ি ভাঙ্গা আম গাছ ,জামবুরা বা সেলম গাছ ,ছফেদা ,দেশি পেয়ারা,আম্রপালী আম গাছ,কদবেল,চায়না মালটা,কলাগাছও রোপন করেছে এবং বেশ বড়োও হয়েছে, আপেল কুল,ডালিম,সবজীর মধ্যে আছে বেগুন,ডাটা,ধনে পাতা, আব্দুল কাদের জানান গাছের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিলে ভাজনডাঙ্গা হর্টিকালচার সেন্টার থেকেও সহায়তা পেয়ে থাকেন, এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমেও অনেক সমস্যার সমাধান দেখে দেখে গাছের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পেয়ে থাকেন। জনাব দিদার হোসেন জানান পরিচালক পর্ষদ এর সকলেই প্রকৃতি ভালোবাসেন সেই ভালোবাসা থেকেই মুলত ছাদ বাগানটি করা,পরিচালক পর্ষদ এর ডাক্তার মুস্তাফিজুর রহমান শামীম এবং ডাক্তার জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটু সহ মেনেজিং ডিরেক্টর এর সমন্বিত উদ্যোগেই গড়ে উঠেছে এই ছাদ বাগানটি।ছাদ বাগান পরিদর্শন শেষে আমরাও মনে করি তাদের মতো অন্যান্য বাসার ছাদ বা হাসপাতালের ছাদ,অফিসের ছাদ, বিশেষ করে শহরের মধ্যে যেসব অট্টালিকা রয়েছে সকলে যদি এভাবে একটি ছাদ বাগান গড়ে তুলতে পারি তাহলে নিজেদের পরিবারের তাজা সজবী এবং বিষমুক্ত ফল এর চাহিদাও পুরন করা সম্ভব।ছাদ বাগান পরিদর্শনে ফরিদপুর সিটি টিম এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলো ফরিদপুর সদর উপজেলার মডারেটর ফয়সাল তন্ময়,আবির হাসান হৃদয়,মোঃ রোকন উদ্দীন, মোঃ মেহেদী হাসান হৃদয়,তানভীর আহমেদ,সদরপুর উপজেলার মডারেটর মোঃ রাসেল মৃধা,বোয়ালমারী উপজেলার মডারেটর মোঃ রাকিবুল ইসলাম, মোঃ সারফিন নাওয়াজ শুভ, নগরকান্দা উপজেলার মডারেটর বিপ্লব মন্ডল