FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

আলফাডাঙ্গায় হয়ে গেলো মুজিব শতবর্ষ ভলিবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট

আলফাডাঙ্গা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে মুজিব শতবর্ষ ভলিবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টকে ঘিরে প্রিয় আলফাডাঙ্গাবাসীর উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখে অভিভূত। সারাদিনব্যাপী ভলিবল টুর্নামেন্ট ও রাতব্যাপী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে হাজার হাজার দর্শকের ঢল দেখে বোঝা যায় সুস্থ বিনোদন এর জন্য তারা কতটা ক্ষুধার্ত।

খেলেছেন দেশের জাতীয় ভলিভল ও ব্যাডমিন্টন দলের অধিনায়ক, সাবেক অধিনায়ক, বর্তমানের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়েরা। উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সর্বদাই আপনাদের যে কোন সুস্থ বিনোদন এর ব্যাবস্থা করতে সচেষ্ট থাকবে। করোনা পরবর্তীকালে ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনকে এ আয়োজন নতুন করে জাগিয়ে তুলবে বিশ্বাস করি। মাদক ও অন্যান্য অপশক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন আরো বেগবান হবে। ব্যাক্তি ইমেজ ও রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সকলে এক কাতারে দাঁড়িয়ে এ টুর্নামেন্টকে সফল করার জন্য সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের সম্মানিত নেতৃবৃন্দের প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা।ধন্যবাদ জানাই আলফাডাঙ্গা উপজেলার সকল ক্রীড়াসংগঠক, ক্রীড়ামোদী রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ, মিডিয়া সর্বোপরি খেলাপাগল আলফাডাংগাবাসীকে।আপনাদের নিজেদের যেকোন আয়োজনে উপজেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থা সবসময় পাশে থাকবে। প্রিয় আলফাডাংগাবাসী, ভালোবাসা আপনাদের জন্য।

0

রাজশাহী টু ভাঙ্গা মধুমতি এক্সপ্রেসের আদ্যপান্ত

৭৫৫/৭৬৫ আন্তঃনগর মধুমতী এক্সপ্রেস।।
রাজশাহী টু ভাঙ্গা।।
স্টপেজঃ রাজশাহী- ঈশ্বরদী-পাকশী-ভেড়ামারা- মিরপুর-পোড়াদহ-কুষ্টিয়া কোর্ট-কুমারখালি-খোকশা -পাংশা-কালুখালি-রাজবাড়ী-পাচুরিয়া-আমিরাবাদ – ফরিদপুর-তালমা-পুখুরিয়া-ভাঙ্গা।।

সাপ্তাহিক বন্ধঃ- বৃহস্পতিবার।।

কোচ বিন্যাসঃ-
জঃ শোভন
ছঃ শোভন
চঃ শোভন
ঙঃ শোভন
ঘঃ খাবার গাড়ি+ শোভন
কঃ গার্ড ব্রেক+ লাগেজ ভ্যান+ নামাজ ঘর+ শোভন
গঃ পাওয়ার কার+ শোভন
খঃ প্রথম+ শোভন চেয়ার
( ‘ছ’ কোচ রিপেয়ারে থাকায় বর্তমানে ৭টি কোচ নিয়ে চলছে)

রাজশাহী টু ভাঙ্গা ৭৫৬ ডাউন “মধুমতী এক্সপ্রেস” এর সময়সূচিঃ-
রাজশাহী ৮ঃ০০
ঈশ্বরদী ৯ঃ৩০
পাকশী ৯ঃ৪৩
ভেড়ামারা ৯ঃ৫৮
মিরপুর ১০ঃ১০
পোড়াদহ ১০ঃ৫০
কুষ্টিয়া কোর্ট ১১ঃ০৬
কুমারখালি ১১ঃ২৬
খোকশা ১১ঃ৩৭
পাংশা ১১ঃ৫৩
কালুখালি ১২ঃ০৫
রাজবাড়ী ১২ঃ৩৫
পাচুরিয়া ১২ঃ৪৬
আমিরাবাদ ১৩ঃ০২
ফরিদপুর ১৩ঃ১৮
তালমা ১৩ঃ৩৬
পুখুরিয়া ১৩ঃ৪৮
ভাঙ্গা ১৪ঃ০০(পৌছায়)।।

ভাঙ্গা টু রাজবাড়ী ৭৫৫ আপ “মধুমতী এক্সপ্রেস” এর
সময়সূচিঃ-

ভাঙ্গা ১৪ঃ২৫
পুখুরিয়া ১৪ঃ৩৫
তালমা ১৪ঃ৪৫
ফরিদপুর ১৪ঃ৫৬
আমিরাবাদ ১৫ঃ১৩
পাচুরিয়া ১৫ঃ২৯
রাজবাড়ী ১৫ঃ৪৩
কালুখালি ১৬ঃ০৩
পাংশা ১৬ঃ১৫
খোকশা ১৬ঃ৩২
কুমারখালি ১৬ঃ৪৪
কুষ্টিয়া কোর্ট ১৭ঃ০৬
পোড়াদহ ১৭ঃ৫০
মিরপুর ১৮ঃ০৩
ভেড়ামারা ১৮ঃ১৬
পাকশী ১৮ঃ৩০
ঈশ্বরদী ১৯ঃ১০
রাজশাহী ২০ঃ২০(পৌছায়)।।

ফরিদপুর থেকে রাজশাহী এবং মধ্যবর্তী সকল স্টেশনের ভাড়ার তালিকাঃ-

স্টেশনঃ শোভনঃ – শোঃচেঃ – প্রঃশ্রেণীঃচেঃ
আমিরাবাদ- ৪৫৳ – ৫০৳ – ৯০৳
পাচুরিয়া- ৪৫৳ – ৫০৳ – ৯০৳
রাজবাড়ী- ৪৫৳ – ৫০৳ – ৯০৳
কালুখালী- ৫০৳ – ৬০৳ – ৯০৳
পাংশা- ৬০৳ – ৭০৳ – ৯৫৳
খোকসা- ৭৫৳ – ৮৫৳ – ১১৫৳
কুমারখালী- ৮৫৳ – ১০৫৳ – ১৩৫৳
কুষ্টিয়াকোর্ট- ৯৫৳ – ১১০৳ – ১৫০৳
পোড়াদহ- ১০৫৳ – ১২৫৳ – ১৫৫৳
মিরপুর- ১১০৳ – ১৩৫৳ – ১৭৫৳
ভেড়ামাড়া- ১২০৳ – ১৪০৳ – ১৯০৳
পাকশী- ১৫৫৳ – ১৮৫৳ – ২৫০৳
ইশ্বরদী জং- ১৬০৳ – ১৯৫৳ – ২৬০৳
রাজশাহী- ২১০৳ – ২৫০৳ – ৩৩৫৳

ভাঙ্গা হতে রাজশাহী এবং মধ্যবর্তী সকল স্টেশনের ভাড়ার তালিকাঃ-
স্টেশনঃ শোভনঃ – শোঃচেঃ
পুখুরিয়া- ৪৫৳ – ৫০৳
তালমা- ৪৫৳ – ৫০৳
ফরিদপুর – ৪৫৳ – ৫০৳
আমিরাবাদ ৪৫৳ – ৫৫৳
পাচুরিয়া- ৬০৳ – ৭০৳
রাজবাড়ী- ৬৫৳ – ৭৫৳
কালুখালীজং- ৮০৳ – ১০০৳
পাংশা- ৯০৳ – ১১০৳
খোকসা- ১০০৳ – ১২০৳
কুমারখালী- ১১৫৳ – ১৩৫৳
কুষ্টিয়াকোর্ট- ১২০৳ – ১৪০৳
পোড়াদহ জং ১২৫৳ – ১৫০৳
মিরপুর- ১৩৫৳ – ১৬০৳
ভেড়ামাড়া- ১৪৫৳ – ১৭০৳
পাকশী- ১৮০৳ – ২১৫৳
ইশ্বরদী জং – ১৮৫৳ – ২২৫৳
রাজশাহী- ২৩০৳ – ২৮০৳

0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত। শিক্ষা মন্ত্রনালয় অনার্স শেষ বর্ষ এবং তৃতীয় বর্ষের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারী সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার বিকেল ৪টার দিকে রাজধানী ঢাকার নিউমার্কেট নীলক্ষেত মোড় থেকে অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

স্থগিত কর্মসূচি শেষে তারা আনন্দ মিছিল বের করে উল্লাস করে। সমস্যা সমাধানে আজ দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে ভার্চুয়াল বৈঠক হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সাথে। বৈঠক শেষে বিকালে সিদ্ধান্ত জানানো হয় পরীক্ষা নেয়ার ,স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে তবে পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে খোলা হবে না ছাত্রাবাস।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এএসএম মাকসুদ কামাল জানান আজ যে পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিলো সেটি কবে হবে তা পরে জানিয়ে দেয়া হবে ।এ সভায় আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন প্রমুখ।শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারনে তীব্র যানযটের কবলে পরেন রাজধানীবাসী ভোগান্তিতে পরতে হয় যাত্রীদের । পরে অবরোধ প্রত্যাহার করায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

0

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে সব পরীক্ষা । ২২ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা বন্ধের কথা জানিয়েছেন। এরপরই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রাতে এই সিদ্ধান্ত জানায়

প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ২৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সরাসরি পাঠদান শুরু হবে ২৪ মে পর্যন্ত কোনও ধরনের কোনও পরীক্ষা হবে না। এবং হল খুলে দেওয়া হবে ১৭ মে। এই সিদ্ধান্ত দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা চলমান ও সূচি ঘোষণার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পরীক্ষা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। অর্থাৎ ২৪ মে’র আগে কেউ কোনও ধরনের পরীক্ষা নিতে পারবে না।

এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৯ সালের দ্বিতীয় বর্ষ ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে একসাথে সারাদেশেই শুরু হয়। পরীক্ষা চলার কথা ছিল ২৩ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স চূড়ান্ত পরীক্ষা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলমান ছিল।

0

রক্তাক্ত ফাগুন একটি বসন্তের কবিতা

 “রক্তাক্ত ফাগুন”
           মোঃ উজ্জল হোসেন

জলচৌকিতে বসে পুব উঠানে,
শীতের রাত্রি গুণছি আপন মনে,
ভোরের আলো যখন ফুটে উঠে,
অন্ধকারের নীরবতা শিশিরঘাসে লুটে,
দেখতে দেখতে শীত গিয়েছে চলে,
ফাগুন বুঝি আসছে শিমুল ডালে,
আমের বোলে ছেয়ে গেছে বাড়ি,
কঁচিপাতায় ঘন সবুজ শাড়ী,
নরম রৌদ্রে শালিক ডাকে বাঁশে,
বুনোঘাসের গন্ধ নাকে ভাসে,
ফাগুন হাওয়া লাগলো যখন গায়,
অমনে কি আর বসে থাকা যায় ?

ফাগুন আমার রক্তগোলাপ মাস,
অগ্নিঝরা মুক্তমনে নীরব দীর্ঘশ্বাস,
বুকের ভিতর ঢুকে ঢুকে উঠে,
স্মৃতির পাতায় রক্তজবা ফোটে,
এ যে আমার সুদূর অতীত আপন,
হৃতপিণ্ডের রক্তশিরার কাঁপন,
বুকের মাঝে শহীদ মিনার গেঁথে,
বাংলা ভাষায় সবাই উঠছি মেতে৷

মাঝে মাঝে কলম কেঁপে উঠে,
বিদ্রোহেতে আঙ্গুল দিয়ে স্ফুর্লিঙ্গ ছুটে,
বখতিয়ারের ঘোড়ার উপর বসে,
শুকুনিদের চাবুক মারি বেদম কষে কষে,
দিবাস্বপ্নে ঝিমনি আসে চোখে,
ফাগুন হাওয়ায় ধূলোবালি নাকে মুখে ঢোকে৷

আমি না হয় অলস কবি হয়ে,
চার দেয়ালে আটকে আছি রয়ে,
রফিক,শফিক, বরকতের ওই বুকে,
ফুলের তোড়া পৌছে দিছি ঝুকে,
আজও আমায় শিশুর মত টানে
একুশের ওই মধুর সুরের গানে,
তোমরা যাঁরা আছো প্রবাস জনে,
আমার মত পাঠিয়ে দিও মনে৷

0

নির্বাচনী পোস্টার যখন লেখার খাতা

আপনাদের সহযোগিতায় নির্বাচনের পোস্টার দিয়ে তৈরী খাতা আজ ফরিদপুর সদর উপজেলা রেল স্টেশন সংলগ্ন শিক্ষা সহায়তা কেন্দ্র “ইশকুল”এ বিতরন করা হয়েছে। আজ ২৮০ টি খাতা এই বাচ্চাদের দেয়া হয়। এবং পরবর্তীতে আরো কিছু খাতা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসা হয়ছে। একঝাঁক উদ্যোমী তরুণ তরুণী এই প্রতিষ্ঠানটিকে চালু করেছেন তাদের প্রতি অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। কৃতজ্ঞতা প্রত্যেকটি মানুষের প্রতি যারা এই কাজে আমাদের সার্বিকভাবে সহায়তা করেছেন।

ছবি ফরিদপুর সিটি ডট কম

এই খাতাগুলো পেয়ে ইশকুলের ছোট্ট ছেলে মেয়েরা নতুন বই হাতে পাওয়ার মতো আনন্দে মেতে উঠেছিলো। তাদের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে তাদের জিজ্ঞাসা করতেই তারা বলে কেউ ডাক্তার হবে কেউ পাইলোট হবে কেউ ইঞ্জিনিয়ার হবে। তবে সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে যখন তারা সবাই এক সাথে বলে উঠলো তারা ভারো মানুষ হবে। তারাই আগামীদিনের ভবিষ্যত তারা একটু সঠিক পথের সন্ধান পেলে হয়তো কেউ দেশের উচ্চ পদে কর্মরত হবে। তাই এই অবহেলিত জনগষ্ঠীর দিকে সকলের সু দৃষ্টি কামনা করেন ইশকুলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আবরাব নাদিম ইতু। ইতু এবং তার সহকর্মী অঙ্কুর,শুভ,মেহেদী, সাথী, দিবা, অনামিকা,অরবিন্দু, সুমন এই শিক্ষা সহায়তা কেন্দ্রটি পরিচালনা করে যাচ্ছে । যে কক্ষে তারা শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে তা একেবারেই জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে তারা সকলের সহযোগীতা কামনা করছে। সকলে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে হয়তো ইশকুল নামের এই শিক্ষা সহায়তা কেন্দ্রটি একদিন আলো ছড়াবে।

ইতু সকলের সহযোগীতা কামনা করছে আজ ফরিদপুর লাইভ গ্রুপ ও ফরিদপুর সিটি পেজ এর পক্ষ থেকে কিছু খাতা পেয়ে তারা দারুন খুশি। ফরিদপুর সিটি টিমকে তারা ধন্যবাদ জানান তাদের এই ইশকুলের কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য। স্থানীয় কেউ কেউ দাবি জানান শিশু শিক্ষার পাশাপাশি যেনো বয়স্ক শিক্ষাও চালু করা হয় অনেকে লিখতে পারেন না তারা আগ্রহী শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য। যেখানে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া একটু কষ্ট হচ্ছে তাদের তাই বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম চালু হতে সময় লাগতে পারে তবে যদি সমাজের উদার মানসিকতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা একটু সু দৃষ্টি প্রদান করে তাহলে হয়তো সবই সম্ভব হবে। মহৎ এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই আমরা আজ ২৮০টি খাতা প্রদান করে একটু হলেও অংশ গ্রহণ করার সুযোগ পেলাম এভাবে একটু একটু করে সবাই সহযোগীতা করলেই ইশকুলটি বহুদুর হেটে যেতে পারবে।

0

বাইশরশি জমিদার বাড়ি সংস্কার ও সংরক্ষণের দাবিতে গণস্বাক্ষর শুরু

২১শে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফরিদপুরের সকল সেচ্ছাসেবী সংগঠন,সাংস্কৃতিক সংগঠন,বিভিন্ন ওরগানাইজেশন এর সমন্বয়ে শুরু হলো ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী বাইশরশি জমিদার বাড়ি সংস্কার ও সংরক্ষণ এর দাবিতে দেশব্যাপী গণস্বাক্ষার কার্যক্রম। ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলাতে বাইশরশি নাম স্থানে অবস্থিত বাইশরশি জমিদার বাড়ি স্থানীয়রা যকে বাবু বাড়ি বলেও চিনে ।

জমিদার বাড়িটি আমাদের দেশের জন্য ঐতিহ্যবাহী একটি জমিদার বাড়ি । সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ যার নামে নামকরণ করা হয়েছে এটা তারই বাড়ি জমিদার রাজেন্দ্র রায় চৌধুরীর বাড়ি এটি। বাড়িটি রক্ষা করতে পারলে ফরিদপুর জেলার জন্য একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হওয়ার সুযোগ পাবে। যা আমাদের সকলের জন্য গর্বের জমিদার বাড়ির গল্প বইয়ের পাতায় শুধু থেকে না যায় বাস্তবেও যেনো বিরাজমান থাকে ভবিষ্যত প্রজন্মও যেনো দেখার সুযোগ পায় এজন্য বাড়িটি রক্ষা করা খুবই গুরত্বপূর্র্ণ। বাড়িটি ধবংস হেয়ে গেলে ফরিদপুরবাসী তথা সমগ্র দেশবাসী ফরিদপুরের ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত হবে আজীবনের জন্য। তাই আসুন বাইশরশি জমিদার বাড়িটি সংস্কর এবং সংরক্ষণে গণস্বাক্ষর কার্যক্রমে সকলেই অংশগ্রহন করি। ইতিহাস রক্ষায়  একযোগে অংশগ্রহন করি।

0

বিদায় এটিএম শামসুজ্জামান,এবার আর গুজব নয়

চলে গেলেন বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান ,রাজধাণীর সুত্রাপুরে নিজ বাসভবনে তিনি মারা যান। গত ১৭ই ফেব্রুয়ারী তিনি অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে পুরান ঢাকার আজগরআলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আজ সকাল ৮টায় ইন্তেকাল করেন তিনি। বরেণ্য এই অভিনেতাকে জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো আশি বছর, ৫ ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনিই ছিলেন সবার বড় ১৯৪১ সালে নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানা বাড়ি জন্মগ্রহন করেন তিনি। লাইট ক্যামেরার সামনে নতুন কোনও স্যুটিং ফ্লোর আর মাতিয়ে রাখবেন না তিনি।

আজ শনিবার সকালে ৮০ বছর বয়সে জীবনাবসান হলো তার এর আগে বহুবার তার মৃত্যুর গুজব ছরিয়েছিলো তবে এবার সব কিছুকে পেছনে ফেলে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তার সম্পুর্ন নাম আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান তবে  এটিএম শামসুজ্জামান নামেই অধিক পরিচিত তিনি । ১৯৭৬ সালে নয়নমনি সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি ১৯৮৭ সালে কাজি হায়াতের দায়ি কে? সিনেমায় অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ১মবার জাতীয় চলচ্চীত্র পুরস্কার পান। তার উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে নয়নমনি অনন্ত প্রেম,দোলনা,অচেনা, মোল্লা বাড়ির বৌ, হাজার বছর ধরে,চোরাবালি,গোলাপি এখন ট্রেনে ,পদ্মা মেঘনা,যমুনা,স্বপ্নের নায়ক। ২০০৯  সালে পরিচালক হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন বরেণ্য এই অভিনেতা, টিভি নাটকেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। অভিনয় জীবনে তিনি ৫বার জাতীয় চলচ্চীত্র পুরস্কার লাভ করেন ৪২তম জাতীয় চলচ্চীত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মানায় ভূষিত হন তিনি। শিল্পকলায় অসামান্ন অবদান রাখায় ২০১৫ সালে তিনি দেশের  ২য় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকে ভুষিত হন

0

ফরিদপুরে শকুন উদ্ধার

আজ সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার ১নয় ওয়ার্ডের দক্ষিণ শোভারামপুর রেল লাইনের পাশে অসুস্থ অবস্থায় একটি শকুনের দেখা পান স্থানীয় যুবক পারভেজ আহমেদ,সোহেল আহমেদ, নাফিজ মাহমুদ,সজিবুল ইসলাম, ও রিফাত হাসান পরবর্তীতে তারা বিষয়টি স্থানীয় যুবক ফরিদপুর সাইক্লিস্ট কমিউনিটির এডমিন বায়েজিদ হোসাইনকে অবহিত করেন বায়েজিদ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফরিদপুর লাইভ গ্রুপে লাইভের মাধ্যমে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের  দৃষ্টিতে আনতে প্রচেষ্টা চালায়।

নিজেরা স্থানীয় পশু চিকিৎসকের সাহায্য নিতে ফোন করেন তারা পশু হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দেয়। এদিকে ফরিদপুর সিটি পেজের পক্ষ থেকে বায়েজিদের সাথে যোগাযোগ করা হয় । ফরিদপুর সিটি পেজের পক্ষ থেকে একজন প্রতিনিধি স্থানটিতে যান এবং শকুনটিকে একটি খাচার মধ্যে দেখতে পান। জানা যায় পারভেজ,সোহেল সকলে মিলে শকুনটিকে উদ্ধার করে খাচায় রেখে দেয় যেনো তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়। পরবর্তীতে ফরিদপুর সাইকেলিস্ট কমিউনিটির এডমিন বায়েজিদ হোসেইন এবং পারভেজ,নাফিস,সোহেল এর সহযোগীতায় ফরিদপুর সিটি পেজের প্রতিনিধি শকুনটিকে একটি অটোতে করে খাচাসহ টেপাখোলায় অবস্থিত পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক প্রদান করেন এবং ফরিদপুর সিটি পেজ এর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ঔষধ কিনে দেয়া হয় শকুনটির চিকিৎসার জন্য। কর্তব্যরত চিকিৎসক ঔষধ সেবন করান শকুনটিকে এবং আঘাত প্রাপ্ত স্থানেও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রয়োগ করেন।

পরবর্তীতে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছে শকুনটিকে রেখে আসতে চাইলে তাদের কাছে রাখার খাচা না থাকায় তারা তাদের আরেকটি কার্যালয়ে স্থানান্তর করে দেয়। তবে অবাক লাগার বিষয় হচ্ছে তাদের কাছ থেকে যেমন সহযোগীতা কামনা করেছিলাম তেমন পাইনি। পরবর্তীতে তারা তাদের একজন কর্মকর্তাকে শকুনটিকে তাদের গঙ্গাবর্দীতে অবস্থিত কার্যালয়ে স্থানান্তর করেন আমরা শকুনটিকে ইজিবাইকে খাচাসহ নিয়ে যাই । সেখানে পাখিটিকে একটি কক্ষে কাচা থেকে রেখে নামিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। শকুনটি খুবই দুর্বল তার সু চিকিৎসার জন্য নিয়মিত ঔষধগুলো খাওয়ানো প্রয়োজন আমরা তাদের কাছে ঔষধ এবং ব্যবস্থাপত্র দিয়ে এসেছি। ঔষধের পাশাপাশি খাবারের প্রয়োজন শকুনটি অভুক্ত একারনে বেশি দুর্বল।

মনে করা হচ্ছে অনেক দুর থেকে পাখিটি বাংলাদেশে এসেছে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে আসার কারনে দুর্বল হয়ে গেছে সেই সাথে ক্ষুধার্ত জানা গেছে এমন শকুন সদরপুরেও দেখা গিয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে। ফরিদপুর বনবিভাগের কার্যালয় থেকে খুলনায় অবস্থিত বিভাগীয় বন বিভাগে যোগাযোগ করা হয়েছে রবিবার খুলনা থেকে এসে শকুনটিকে নিয়ে যাবে বলে জানা গেছে। রবিবার পর্যন্ত শকুনটি সুস্থ থাকলে হয়তো পরবর্তীতে আরও ভালো ব্যবস্থা হবে শকুনটির জন্য। সুস্থ হলে পাখিটি আবারও আকাশে উড়ে বেড়াবে।

0

ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের বন্ধুদের ১ম ভ্রমণ হাজারবিঘা বনে

শুক্রবার ৮ই জানুয়ারী ফরিদপুর সিটি পেইজের অন্যতম গ্রুপ ফরিদপুর লাইভ এর সদস্য বন্ধুদের নিয়ে হয়ে গেলো ১ম বনভোজন স্থান হাজারবিঘা বন চরভদ্রাসন উপজেলা এবং ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল । মাত্র ৩দিনের ঘোষণায় ৬২জন বন্ধুদের নিয়ে এই ভ্রমণ এর আয়োজন করা হয়েছিলো। এতো অল্পসময়ের সবার এতো সারা পেয়ে সত্যিই অবিভূত ফরিদপুর সিটি এডমিন প্যানেল।

ফরিদপুরের দুর্গম এই স্থানে সকলের যাওয়ার সুযোগ নেই তার একমাত্র কারন যাতায়াত ব্যবস্থা এবং নিরিবিল স্থান । তবে আগের চেয়ে এখন যাতায়াত ব্যবস্থা কিছুটা উন্নত হয়েছে আশা করা যাচ্ছে আরও উন্নত হবে। গ্রুপের সদস্য বন্ধুদের নিয়ে সকাল ১০টা ১০মিনিটে সি এন্ড বি ঘাট থেকে যাত্রা শুরু করা হয় যেতে যেতে সকলে পদ্মার দুপাড়ের সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে থাকে তবে শুরুতে অনেক রোদ ছিলো শীতকালে এমন রোদ কেউ ভাবতেও পারিনি। ১ঘন্টার নৌ ভ্রমণ শেষে পৌছে যাই ঘাটে সেখানে আমাদের সকলে জন্য অপেক্ষা করছিলো ৬টি ঘোড়ার গাড়ি সকলে ঘোড়ার গাড়িতে উঠে পরে। অনেকেই ১ম ঘোড়ার গাড়িতে উঠতে পেরে ভীষন আনন্দীত তাদের এই আনন্দ টিম ফরিদপুর সিটির জন্য উৎসাহ হিসেবে কাজ করবে। এরপর ১ম গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হই সবাই ইটের রাস্তা দিয়ে এবরোথেবরো রাস্তা পার হয়ে পাকা রাস্তায় উঠে যায় ঘোড়ার গাড়ি। রোদের সাথে তখন বাতাস ছিলো যার জন্য তখন রোদটা উপভোগ্য ছিলো। চরে অপস্থিত এমপি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর দৃষ্টি নন্দন বাড়িতে পৌছে যাই সবাই সেখানে সকলে নেমে ঘুরে দেখি । এরপর আমরা সবাই হাজারবিঘা বনের উদ্দেশ্যে রওনা হই যেতে যেতে আমরা নর্থ চ্যানেল ৩৮ দাগে প্রবেশ করি আর দুপাশের গ্রামীন পরিবেশ উপভোগ করতে থাকে সবাই।

পাকা রাস্তা শেষ হতেই আবারও মেঠো পথ শুরু হেলে দুলে চলতে থাকে ঘোড়ার গাড়ি যেতে যেতে পৌছে যাই সবাই হাজারবিঘা বনে যা ফরিদপুরের আমাজন নামে পরিচিত। এই নাম করণ এর পেছনের গল্পটা অন্যরকম ফরিদপুরের এই স্থানকে সবার দৃষ্টিতে আনার জন্যই মুলত এই নাম দেয়া তবে স্থানীয় নামেই পরিচিত পাক এই স্থান এটিই টিম ফরিদপুর সিটি চায়। বনের মধ্যেই সকলে বসে একসাথে দুপুরের খাবার খাওয়া হয় যাকে বলা প্রকৃত বনভোজন। দুপুরের খাবার খেয়ে আমরা ২য় বনের মধ্যে প্রবেশ করি ১ম বনে সাপের উপোদ্রব বেশি থাকায় ২য় বনে সকলকে নিয়ে যাওয়া হয়। ২য় বনটি এবার গিয়ে দেখতে পেলাম পরিস্কার করে ফেলেছে সাপের উপোদ্রোব এর কারনে তাই বেশ পরিস্কার লাগলো দেখে। বনের ভেতর দিয়ে সকলে হেটে হেটে যেতে হয় তবে বিকেলবেলাটা যেনো সবার বেশি ভালো লাগছিলো মন চাচ্ছিলো না চলে আসি কেউ বা আবার সবুজ ঘাসে শুয়ে ছিলো একাকি মনে।

বেশি কিছুদুর হাটার পরে সকলে আবারও ঘোড়ার গাড়িতে উঠে বসি চলে যাই শেষ গন্তব্যের দিকে যেখানে রয়েছে ৫ হাজার নারিকেল গাছ। সেখানে খুব বেশি সময় থাকতে পারিনি কারন শুরুতে ১ ঘন্টা আমাদের বিলম্ব হয়েছিলো সেজন্য আন্তরিকভাবে দুক্ষিত সকলে কাছে। তবুও সকলকে আমরা সকল স্থান ঘুরে দেখিয়েছি নারিকেল বাগানেই লটারির পুরস্কার দেয়া হয় । এরপর ট্রলারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হয় সেখান থেকে। সকলের নিকট আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি টিম ফরিদপুর সিটির পক্ষ থেকে । আশাকরি ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন থাকবে ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের সকল বন্ধুদের জন্য। এই আয়োজনে যেসকল বন্ধুরা গিয়েছিলো তারা হচ্ছেন

বিপ্লব মন্ডল মডারেটর
মেহেদী হাসান
প্রিন্স
আসিফ
শিশির
সজল সাহা
জিত সিনহা
আবির হাসান হৃদয় মডারেটর
সুমন আহমেদ
রমজান এর পরিবার
তানভির আহমেদ মডারেটর
মিঠুন
নাসিম
সোহান
হিমাদ্রি
জুবায়ের মাডারেটর এর পরিবার
জুবায়ের হোসেন
রোকন উদ্দিন মডারেটর
শ্রাবনী মজুমদার মডারেটর
অভিষেক মডারেটর
সম্পদ সাহা
রাসেল মৃধা মডারেটর
মোঃ এমদাদুল হাসান
ফারিয়া দীপ্ত স্রোত
প্রলয় মজুমদার
ইব্রাহীম
সোয়াদ
অমিত মনোয়ার ভাইয়ার পরিবার
মেহেদী হাসান হৃদয় মডারেটর
অলিন
অথৈ
সালমান রহমান পিয়াল মডারেটর
বায়েজিদ
সবুজ
কাউসার
মনির
সাদিক
তালহা
হৃদয়
দুর্জয়
দুর্জয়ের বন্ধু ১জন
অমৃত
হাসান আলী
রাবিবুল্লাহ রাকিব
নাইম
আনোয়ার
মনিরুল
হেমায়েত
লিয়ন
জাওয়াদ আবির
নাজমুল কবির
জুনায়েদ বিন সুলতান সজীব
তালমা থেকে সোহান মুন্সি