সাতৈর শাহী মসজিদ

প্রায় ৫শত বছর পুরনো সাতৈর মসজিদটি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি উপজেলার সাতৈর গ্রামে অবস্থিত। আনুমানিক ১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি গায়েবী মসজিদ নামেও সুপরিচিত যদিও তার কোনও ভিত্তিই নেই স্থানীয়দের ভাষ্য এটা। এই মসজিদটি নিয়ে এলাকায় নানা ধরনের লোককথাও প্রচলিত আছে। সাতৈর মসজিদটির অজানা গল্প থাকছে এই তথ্যচিত্রে ।

ফরিদপুর শহর থেকে ২৭ কিলোমিটার দুরে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর বাজারে অবস্থিত এই সাতৈর মসজিদ।মোঘল আমলে স্বাধীন বাংলার সুলতান ছিলেন আলাউদ্দিন হুসাইন শাহ তিনি সাতৈর এলাকায় শায়খ শাহ ছতুরী (রা:)  নামক এক পীরের মুরীদ ছিলেন বলে জানায় যায়  আলাউদ্দিন হুসাইন শাহ্  তার এই পীরের সম্মানে এই মসজিদটি নির্মান করেন । ঐতিহাসিক মসজিদটির পাশ ঘেঁষেই গেছে ঐতিহাসিক গ্রান্ড ট্রাংক রোড বা শের শাহ সড়ক। কেউ কেউ মনে করেন এই মসজিদটি শের শাহ্  এর আমলের কির্তী ।

সাতৈর মসজিদের রয়েছে ৯টি গম্বুজ ৪টি মিনার দৈর্ঘ্য ৬২টি ফুট এবং প্রস্থ ৬২ ফুট উচ্চতা ৩০ফুট । আশ্চর্যজনক ঘঁটনা হচ্ছে এই মসজিদে কোনও লোহা বা কাঠের বর্গা বা ভীম নেই । সম্পুর্ন শূন্যের উপর ছাদ বা গম্বুজটি আজও অক্ষত অবস্থায় আছে। মসজিদের গম্বুজ নির্মানে পেন্ডেন্টিভ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। মসজিদের অভ্যন্তরে পশ্চিম দিকে তিনটি মেহরাব আছে মাঝেরটি তুলনামুলকভাবে বড়।

মসজিদের ভেতরে চোখে পরবে নান্দনিক নকশা, নকশায় মুঘল আমকলের ছাপ সু স্পষ্ট ,মসজিদের ভেতরে পাথরের ৪টি স্তম্ভ রয়েছে। এছাড়াও দেয়ালে এবং দেয়াল সংলগ্ন আরও ১২টি পিলার রয়েছে। মসজিদের পশ্চিমে ৩টি মেহরাব আছে মাঝের মেহরাবটি তলনামুলক বড়। সাতৈর শাহি মসজিদটি পর্যটকদের কাছে অন্যতম পর্যটন এর স্থান হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ  করেছে।

তো এই ছিলো ঐতিহাসিক সাতৈর মসজিদের কিছু অজানা তথ্য সাতৈর মসজিদ নিয়ে পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত তথ্যমুলক ভিডিও প্রকাশিত হবে ফরিদপুর সিটি পেজে। আজ এ পর্য্যন্তই পরবর্তীতে ফরিদপুরকে দেখতে এবং জানতে ফরিদপুর সিটি পেজ এবং ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের সাথেই থাকুন। 

https://www.youtube.com/watch?v=Rq0HOiB8J4Q

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *