ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যালে অ্যাওয়ার্ড জিতলো ফরিদপুরের তরুণ নির্মাতা দেবাঞ্জন ভট্টাচার্য্যের নির্মিত ফিল্ম- “হাভানা”

Page Visited: 211
68 Views

Festival Internazionale del Cinema Patologico – তে বিজয়ী হলো ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী -দেবাঞ্জন ভট্টাচার্য্য নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র  – “হাভানা”।

উক্ত সিনেমার অন্য কলাকুশলীরা হচ্ছেন –

অরণ্য মন্ডল- নটরডেম কলেজ, ঢাকা।

ধ্রুব শিকদার তন্ময় (ভয়েস ওভার),

তিতাস আসিফ।

ইতালির ফেস্টিভ্যালটিতে দেবাঞ্জন ভট্টাচার্য্য এর চলচ্চিত্রটি প্রথমে নির্বাচিত হয়, এবং পরবর্তীতে চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয় চলচ্চিত্রটি । এবং বিচারকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অন্যান্য সকল সাবমিশনসমুহের মাঝে অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হয় ফরিদপুরের ১৮ বছর বয়সি তরুণ নির্মাতা  দেবাঞ্জনের নির্মিত সিনেমা “হাভানা”।

এছাড়াও পূর্বে “হাভানা” Pinewood Studios পরিচালিত গ্লোবাল লিফ্ট নেটওয়ার্ক ফেস্টিভ্যালের জন্যও নির্বাচিত হয়েছিলো।

দেবাঞ্জন জানান আমরা জিলা স্কুলের ২০২০ এর ব্যাচ, আমরা ভেবেছিলাম কিছু একটা তৈরী করার চেষ্টা করবো যেহেতু লকডাউনে তখন অলস সময় কাটাতে হচ্ছিলো। তখন আমি কাস্ট- অরণ্যকে বললাম একটা সিনেমা বানানোর কথা, ও যেহেতু ফ্রী ছিলো তাই ও রাজিও হয়ে গেলো। প্রধান প্রতিবন্ধকতা ছিলো ও যেহেতু নটরডেমে পড়ে তাই ওর ঢাকা যাওয়ার ডেট কাছে চলে আসছিলো। যেহেতু ফিল্মের ডিউরেশন এপ্রক্সিমেইটলি ৬ মিনিট তাই আমাদের শ্যুট তাড়াতাড়ি হয়ে গেলেও, আমার স্ক্রিপ্ট ভাবতে, স্ক্রিণপ্লে বানাতে কিছুটা বাড়তি সময় লেগে গিয়েছিলো। তবে শ্যুট তাড়াতাড়িই শেষ হয়ে গিয়েছিলো। লোকেশন ছিলো বাজার, এবং মধ্য আলিপুরের কিছু অংশ। ইনডোর শ্যুট করতে আমরা আমাদের এক বন্ধুর বাসাকে ব্যাবহার করেছিলাম।

 
 
তিনি আরও জানান আমার এক্সপেক্টেশনে ছিলো কোথাও না কোথাও সিলেকশন হতে পারে, তবে অ্যাওয়ার্ড উইনিং এর এক্সপেক্টশন ছিলোনা “হাভানা” নিয়ে।
পরবর্তীতে ভয়েস ওভারের জন্য তন্ময়’দা, এবং নোয়াখালিতে থাকা আমার এক বন্ধু তিতাসকে অনুরোধ করি এবং তারা পর্যাপ্ত সাহায্য করে আমাকে।
ইডিটিং এর ক্ষেত্রে প্রধান বাঁধা ছিলো আমার ডিভাইস উন্নত মানের না। খুব কম র‍্যামের একটা পিসিতে এডিট করতে হয়েছে, তবে আমি আমার সেরা টা দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম এই ছিলো দেবাঞ্জন ভট্টাচার্য্য এর কিছু অজানা গল্প।
উদীয়মান এই নির্মাতার জন্য শুভকামনা রইলো ফরিদপুরবাসীর পক্ষ থেকে।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *