FaridpurCity a social community & nonprofit organization

0

ভাঙ্গা ফরিদপুর মহাসড়ক ৪লেন দ্রুত বাস্তবায়ন এর আশ্বাস,সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত।

ভাঙ্গা ফরিদপুর মহাসড়ক ৪লেন দ্রুত বাস্তবায়ন এর আশ্বাস,সড়ক অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

ভাঙ্গা-ফরিদপুর চার লেন বাস্তবায়ন আন্দোলন প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর যৌথভাবে একটা আলোচনা সভার আয়োজন করে যেখানে আন্দোলনের কয়েকজন প্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত আলোচনা সভা থেকে যে সব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে…

১. যথাসাধ্য ন্যূনতম সময়ের মধ্যেই জেলা প্রশাসন ভাঙ্গা-ফরিদপুর সড়কের ভূমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করবে।

২. ভূমি অধিগ্রহণ, রাস্তা সংস্কার ও সম্প্রসারণের মাঠপর্যায়ের কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে “ভাঙ্গা-ফরিদপুর চার লেন বাস্তবায়ন আন্দোলন” থেকে প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকবে।

৩. এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্যে প্রতি মাসে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পর্যালোচনা সভার আয়োজন হবে যেখানে আন্দোলনের প্রতিনিধি সহ স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবে।

৪. আবহাওয়া অনুকূল হলেই রাস্তাটির চলনসই করার লক্ষ্যে মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম পুরোদমে চলমান থাকবে।

এ সকল সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে প্রশাসনের আন্তরিকতা বিবেচনায় আগামী ২৩ জুলাইয়ের রোড ব্লকেড কর্মসূচী পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।

তবে উল্লেখ থাকে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন রকম অবহেলা বা দীর্ঘসূত্রিতা মেনে নেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে আন্দোলন কমিটি  কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।

0

ফরিদপুর-ভাঙ্গা মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ফরিদপুর, ১৩ জুলাই ২০২৫:
ফরিদপুর-ভাঙ্গা মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত করার দাবিতে আজ সকালে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনের আয়োজন করে স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। দুই ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “ফরিদপুর-ভাঙ্গা মহাসড়কটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, খানা-খন্দ তৈরি হয়েছে, যা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” তাঁরা আরও জানান, এই রুট দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ও যানবাহন চলাচল করে, কিন্তু রাস্তাটি অপ্রশস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

বক্তারা আরো বলেন, “ফরিদপুরের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই সড়কটি চার লেনে উন্নীত করাই সময়ের দাবি। এতে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলা গুলোর যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।”

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন। তাঁদের বক্তব্য, “প্রতিদিন স্কুলে ও কলেজে যাওয়া-আসার সময় দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকতে হয়। অনিরাপদ সড়ক ও ধীরগতির যান চলাচল আমাদের শিক্ষাজীবনে প্রভাব ফেলছে।”

মানববন্ধন থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাসড়কটি সংস্কার ও চার লেনে উন্নীত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দাবি পূরণ না হলে তারা আগামীতে সড়ক অবরোধ, অবস্থান কর্মসূচিসহ আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।

প্রসঙ্গত, প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে মহাসড়কের এ অংশে দীর্ঘদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে। সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে সেটি একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরে এই পথে যানচলাচল বহুগুণ বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় মহাসড়কটির এই অংশ চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। তবে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতায় ওই কাজ থেমে আছে। অন্যদিকে, চার লেনের প্রকল্প গ্রহণের পর সড়ক সংস্কারের কাজও তেমন হয়নি। ফলে পদ্মা সেতুর সুফল পাচ্ছে না এ অঞ্চলের মানুষ। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, বৃষ্টি কমে গেলে তারা দ্রুতই প্রয়োজনীয় মেরামত কাজ শুরু করবেন।

উল্লেখ্য, ফরিদপুর-ভাঙ্গা মহাসড়কটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত, যা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি, কৃষি ও শিল্পখাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

উক্ত মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী সামাজিক সংগঠনসমুহঃ

বাংলাদেশ সমাজ কল্যাণ ফোরাম,  Faridpur City Organisation,  ফরিদপুর ট্রাভেলার্স,  ঘুরি-ফিরি ফরিদপুর , ফরিদপুর ট্যুর গ্রুপ, উৎস সোসাল অরগানাইজেশান,  Yamaha Riders Club, ফরিদপুর ট্যুরিস্ট স্কোয়াড, ফরিদপুরিয়ান গ্রুপ ,Student Forum Of Bangladesh, ফরিদপুর ট্যুর এন্ড ট্রাভেল্স, স্টার কাবাব রেস্টুরেন্ট পরিবার,  তুলা গ্রাম স্পোর্টিং ক্লাব, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ফরিদপুর, মানুষ মানুষের জন্য, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ, ফরিদপুর জেলা, Volunteer for Bangladesh Faridpur District,  চলো পাল্টাই, ফরিদপুর,  কনজিউমার ভয়েজ বাংলাদেশ, Faridpur Cyclists Community, আসিফ ফাউন্ডেশন, আমরা করবো জয়, বাইসো ফরিদপুর জেলা শাখা, ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদ, ছায়ানীড় পরিবার, কারু শিখা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, এসোসিয়েশন অফ বিল্ডিং ডিজাইন কনসালটেন্ট ফরিদপুর, ফোব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

0

ফরিদপুর টু ভাঙ্গা মহাসড়ক ৪লেন এর দাবি ফরিদপুরবাসীর

মৃত্যুকূপ ফরিদপুর-ভাঙ্গা মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত করার দাবিতে ০৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

উক্ত সভায় জনদূর্ভোগপূর্ণ এই মহাসড়কের টেকসই উন্নয়ন লক্ষে ৪লেনে উন্নতি এবং সড়কের বেহাল অবস্থা থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রী, অসুস্থ রোগী সকলের জীবনই এখন ঝুকিপূর্ণ। প্রতিনিয়তই ঘটছে দূর্ঘটনা এবং প্রানহানীর মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটছে যা মোটেও কাম্য না। দ্রুত এই দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী সমাধান প্রত্যাশা সবার। উক্ত সভায় দাবি আদায়ে ধাপে ধাপে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।প্রাথমিকভাবে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এক শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে!📍 স্থান: ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে📅 তারিখ: ১৩ জুলাই ২০২৫, রবিবার🕘 সময়: সকাল ১১:০০ টা থেকেপদ্মাসেতুর পূর্ণ সুফল পেতে ভাঙ্গা/ফরিদপুর মহাসড়ক ৪লেনে উন্নতি অতি জরুরী হয়ে পরেছে।আমরা চাই এই মহাসড়কে আর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেনো না ঘটে,সেজন্য প্রয়োজন স্থায়ী টেকসই উন্নয়ন।এই যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠই পারে এই দূর্ভোগ হতে পরিত্রাণ দিতে । তাই সবাইকে মানববন্ধনে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”ফরিদপুর-ভাঙ্গা ৪ লেন চাই”

0

সাল অনুযায়ী ফরিদপুর জেলা

সাল অনুযায়ী ফরিদপুর জেলা


১৪৯৩-১৫১৯ পাতরাইল মসজিদ
১৪১৫-১৪৩৩ সালে সুলতান জালালুদ্দীন মুহম্মদ শাহ এর  শাসনামলে টাকশাল শহর হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি গড়ে ওঠে।
১৪৩৬ খ্রিষ্টাব্দে ফতেহাবাদ টাকশাল হতে প্রথম মুদ্রা তৈরি হয়।
১৫১৯-৩২ ফতেহাবাদ টাকশাল
১৫১৯- সাতৈর মসজিদ
১৫৬০-১৭৭৫ দৌলত উজির বাহরাম খানের লাইলী-মজনু  কাব্যে ফতেহাবাদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
১৫৭৪- মুগল সেনাপতি মুরাদ খান  ফতেহাবাদে বাস করতেন এবং এখানেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। আধুনিক ফরিদপুর শহর থেকে প্রায় ১৬ কিমি দূরে, খানখানাপুর নামে যে গ্রাম ও রেলস্টেশন রয়েছে সম্ভবত সেখানেই তাঁর বাসস্থান ছিল।
১৬০৪ খ্রিস্টাব্দ ১০১৩ হিজরি গেরদা মসজিদ,
১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত ফতেহাবাদ পরগণার জালালপুরে মহাকবি আলাউলের জন্ম। ফরিদপুরের ফতেহাবাদে এখন আর আলাউলের স্মৃতিচিহ্ন পাওয়া যায় না। তিনি ‘তোহফা’ আর ‘পদ্মাবতী’
কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন।
১৬৭৩ সালে কবি আলাউল মারা যান।

১৭১৭ পিপরুল জামে মসজিদ (তালমা)

১৭৮৬ খ্রিষ্টাব্দে ফরিদপুর এর নাম ছিল জালালপুর
১৮০৭ সালে -‘ঢাকা জালালপুর জেলার’ সদর দপ্তর ( হেড অফিস) ঢাকা থেকে ফরিদপুর শহরে স্থানান্তরিত করার সরকারি আদেশ জারি।

১৮১১ সালে -ফরিদপুর শহরে কাছারি নির্মাণ করা হয়।
১৮১৩ পুরাতন কালি মন্দির (মুজিব সড়ক)

১৮১৪ সালে – একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কালেক্টরের অধীনে ফরিদপুর শহরে একটি কালেক্টরেট অফিস স্থাপিত হয়।

১৮১৫ সালে – ফরিদপুর কালেক্টরেটকে ঢাকা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে পূর্ণাঙ্গ কালেক্টরেটে পরিণত করা হয় ।তবে জেলার নাম তখনও ঢাকা জালালপুরই থেকে যায়।
১৮১৫ ফরিদপুর জেলার নামকরন
১৮১৯ দুদু মিয়ার জন্ম
১৮২৫ ফরিদপুর জেলা কারাগার নির্মিত।
১৮২৬ ফরিদপুর জেলা প্রশাসক এর বাংলো নির্মিত হয়েছে।

১৮৩৩ সালে – জেলা ফরিদপুর’ হিসাবে জেলার নামকরণ করা হয় এবং ঢাকা জালালপুর জেলাকে বিলুপ্ত করা হয়।
১৮৩৮-৪৭ ফরায়েজি আন্দোলন
১৮৪০ জিলা স্কুল
১৮৫০ ভাংগা চৌকি আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়
১৮৬০ দুদু মিয়া ইন্তেকাল করেন ২৪ সেপ্টেম্বর
১৮৬৯ ফরিদপুর পৌরসভা
১৮৭৩ টাউন থিয়েটার
১৮৭৫-১৮৭৯  ফরিদপুর জজ কোর্ট নির্মিত হয়েছে।
১৮৮০ সাল হতে এক্সিবিশন মেলা হতো ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নাম মেলার মাঠ।
১৮৮৩ ময়েজ মঞ্জিল জামে মসজিদ,ফরিদপুর সদর উপজেলা।
১৮৮৫ ময়েজ মঞ্জিল নির্মান হয়েছে,ফরিদপুর সদর উপজেলা।
১৮৮৫ জেলা আইনজীবী সমিতি
১৮৮৫ ঈশান ইনস্টিটিউশন ইংরেজী বিদ্যালয়
১৮৮৮ ফরিদপুর প্রধান ডাকঘর
১৮৮৯ ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়
১৮৯০ চৌধুরী বাড়ি দুর্গা মন্দির প্রতিষ্ঠিত
১৮৯০ পারচর স্কুল
১৮৯৪ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানা
১৮৯৭ ধনমনি চৌধুরানী ফিলটার (ধনমনি ঈশানচন্দ্র রায়ের বোন)
১৮৯৯ ভাঙ্গা মুনসেফ কোর্ট
১৮৯৯ ফরিদপুর রেলস্টেশন ( গুহ লক্ষিপুর)
১৯০৪ “জয় কিশোরী দাতব্য চিকিৎসালয়”ডাক্তার বাজার বাইশরশি
১৯০৫ চকবাজার জামে মসজিদ
১৯০৭ ঈশান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
১৯১০ সরকারি বালিকা উচ্চ উচ্চবিদ্যালয়
১৯১২ সদরপুরের বাইশরশিতে জয় কিশোরী চৌধুরাণীর মঠ নির্মাণ ৮ হাজার টাকা ব্যায়ে
১৯১৪ শিব সুন্দরী একাডেমি প্রতিষ্ঠিত (প্রতিষ্ঠাতা মহেন্দ্র নারায়ন চৌধুরী)
১৯১৭ জেনারেল হাসপাতাল ফরিদপুর
১৯১৮ মহাকালি পাঠশালা
১৯১৮ সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ স্থাপিত
১৯১৮ গোয়ালচামট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
১৯২১ রামকৃষ্ণ মিশন ফরিদপুর
১৯২৮ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ
১৯৩২ কহিনুর লাইব্রেরী স্থাপিত,টেপাখোলা।
১৯৩৫ আলীমুজ্জামান হল নির্মিত
১৯৩৫ আলীমুজ্জামান বেইলী ব্রিজ
১৯৩৮ পুরাতন কোর্ট জামে মসজিদ
১৯৫০ মিশন স্কুল
১৯৫০ খোকা মিয়ার মিষ্টি তেতুলতলা
১৯৫০  উপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী দেহত্যাগ করেন
১৯৫২ ভাজনডাংগা গোরস্থান
১৯৬৫ প্রেসক্লাব ফরিদপুর
১৯৫৩ পাট গবেষণা
১৯৭৮ পদ্মা হোটেল স্থাপিত
১৯৭৯ ফরিদপুর সুপার মার্কেট
১৯৮১ পৌর বিপনী বিতান শ্যামলী মার্কেট
১৯৮৮ গুচ্ছ গ্রাম
১৯৮৯ সুপার স্টার ক্লাব স্থানঃ গোপালপুর
১৯৯২ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
টেপাখোলা,ফরিদপুর সদর।

0

স্থায়ী ক্যালেন্ডার ফরিদপুর জেলা

১২ মাসের স্থায়ী ক্যালেন্ডার ফরিদপুর জেলা।

জানুয়ারি
• ১লা জানুয়ারি (১৯৩৯)- পল্লী কবি জসীমউদ্দীন এর জন্মবার্ষিকী,
• ৬ই জানুয়ারি (১৮৫১) অম্বিকাচরণ মজুমদারের জন্মবার্ষিকী
* ১০ জানুয়ারি চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকার এর জন্মবার্ষিকী।
• ২৩শে জানুয়ারি, (২০১২) অভিনেতা অমল বোস এর মৃত্যুবার্ষিকী,
• ৩০শে জানুয়ারি (১৯১৬) নরেন্দ্রনাথ মিত্র এর জন্মবার্ষিকী।
• বিশেষ চিত্তাকর্ষক: জসীম পল্লী মেলা,  সূর্যমুখির বাগান

ফেব্রুয়ারি
• ২রা ফেব্রুয়ারিতে ১৯৬৬ সালে হেলিকপ্টার বিধস্ত হয়েছে গোয়ালচামট চকে।
• ৪ ফেব্রুয়ারি (২০২৩) মাষ্টার মশাই  শ্রী করুনাময় অধিকারীর (৯১) মৃত্যুবর্ষিকী ।
• ১৬ ফেব্রুয়ারি (১৯৯০) নাট্যগুরু নুরুল মোমেন এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ২১শে ফেব্রুয়ারি গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর এর জন্মবার্ষিকী,
• ২২ শে ফেব্রুয়ারি ১৯০৬ সালে কবি হুমায়ুন কবির এর জন্মবার্ষিকী
২১শে ফেব্রুয়ারী বই মেলা, স্থান কোর্ট চত্বর
• বিশেষ আয়োজন (আটরশির উরশ)

মার্চ
• ১লা মার্চ  (১৯২৮) ডাক্তার মোঃ জাহেদ এর জন্মবার্ষিকী ।
• ১লা মার্চ (১৯৫৪)  কবি ও ছড়াকার এনায়েত হোসেন এর জন্মবার্ষিকী
• ১১ই মার্চ (১৯০১) সোমবার ২৬ ফাল্গুন (১৩০৭) রাজেন্দ্র চন্দ্র রায় চৌধুরীর  মৃত্যুবার্ষিকী
• ১৪ই মার্চ (১৯৭৬) পল্লী কবি জসীমউদ্দীন এর মৃত্যুবার্ষিকী
• কালো সোনা (পেয়াজ ফুল)  এর মৌসুম।
• বিশেষ চিত্তাকর্ষক-কাটাগরের মেলা

এপ্রিল
• ২রা এপ্রিল জগদীশ চন্দ্রঘোষ (তারাপদ) স্যারের মৃত্যুবার্ষিকী
• ৮ই এপ্রিল – বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এর শাহাদাতবার্ষিকী
• ২০শে এপ্রিল ১৮৪০ ইংরেজী রায় সাহেব ঈশান চন্দ্র সরকার এর জন্মবার্ষিকী
• ২১শে এপ্রিল ফরিদপুর শ্রী অঙ্গন গণহত্যা দিবস।
• ২৮শে এপ্রিল  ঈশানচন্দ্র সরকার ১৯১৫ (বাংলা ১৩২২ খ্রিঃ ১৫ই বৈশাখ) বুধবার  মৃত্যুবরণ করেন
• বিশেষ চিত্তাকর্ষক- • বৈশাখী মেলা স্থানঃ ফরিদপুর সদর কোর্ট চত্বরে  ১৪ই এপ্রিল থেকে ৭ দিন,আংগিনার মেলা

মে
• ১লা মে বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এর জন্মবার্ষিকী
• ২রা মে ঈশান গোপালপুর গণহত্যা দিবস
১২ মে (১৯৪৫) এ এফ মুজিবুর রহমান এর মৃত্যুবার্ষীকি
• ১৪ই মে (১৯২৩)চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃণাল সেন এর জন্মবার্ষিকী

জুন
• ১লা জুন  (১৯১৮) সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
• ১৮ই জুন শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাহ উদ্দিন নৌফেল এর জন্মবার্ষিকী। (১৯৫৪)
২১ ই জুন ছায়াবিহীন দৃশ্য মান মন্দীরে

জুলাই
• ১০ জুলাই, (১৮৯৩) নবাব আব্দুল লতিফ এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ১০ জুলাই (২০২১)  কবি ও ছড়াকার এনায়েত হোসেন এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ২০শে জুলাই, ১৮৯৫,কানাইলাল শীল এর জন্মবার্ষিকী।
• ২৩শে জুলাই ফকির আলমগীর এর মৃতুবার্ষিকী।

আগস্ট

  • ৬ই আগস্ট (১৯২৯) জগদীশ চন্দ্রঘোষ (তারাপদ) স্যারের জন্মবার্ষিকী।
  • ৯ ই আগস্ট ডা: ননী গোপাল সাহার মৃত্যুবার্ষীকি
  • ১২ই আগস্ট (বৃক্ষপ্রেমিক) আব্দুস সামাদ শেখ এর মৃত্যুবার্ষিকী।
  • ১৩ই আগস্ট তারেক মাসুদ এর মৃত্যুবার্ষিকী।
  • ১৮ই আগস্ট, (১৯৬৯/১৯৬৭) কবি হুমায়ুন কবির এর মৃত্যুবার্ষিকী।
  • ২০ (১৯৭৫ )আগস্ট সনেট কবি সুফি মোতাহার হোসেন মৃত্যুবার্ষিকী
  • ২২ শে আগস্ট জাতীয় দলের ক্রিকেট প্লেয়ার মোহাম্মদ নাইম শেখ এর জন্মবার্ষিকী ।
  • ২২শে আগস্ট অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবুর জন্মবার্ষিকী ।
  • ২৩শে আগস্ট নিবির আদনান নাহিদ এর জন্মদিন (আন্তর্জাতিক মডেল)
    পাটের মৌসুম,
    বিশেষ চিত্তাকর্ষক -নৌকা বাইচ,চাপাই বিলে পদ্মফুলের দেখা।

সেপ্টেম্বর:
২রা সেপ্টেম্বর (১৯৯০) ডাঃ মোহাম্মদ জাহেদ এর মৃত্যুবার্ষিকী।

• ০৫ই সেপ্টেম্বর, (১৯৭৬) কানাইলাল শীল এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ৯ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ ফিরোজা বেগম এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ১১ সেপ্টেম্বর কবি সুফি মোতাহার হোসেন এর জন্মবার্ষিকী
• ১৪ই সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ নরেন্দ্রনাথ মিত্র এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ২৩শে সেপ্টেম্বর ১৮৯৭ এ এফ মুজিবুর রহমান এর জন্মবার্ষিকী।
• বিশেষ চিত্তাকর্ষক -দিঘলিয়া পদ্মবিল ।

অক্টোবর
•১৮ অক্টোবর (২০১৯) চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকার এর মৃত্যুবার্ষিকী
• ১৯ অক্টোবর ১৯২৪ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এর জন্মবার্ষিকী।
২১ অক্টোবর ১৯৭১ সালে বাখুন্ডা ব্রিজ ধ্বংস
বিশেষ চিত্তাকর্ষক-কাশফুল, চাপাইবিল।

নভেম্বর
• ৯ নভেম্বর নগরকান্দা শত্রুমুক্ত দিবস
১৫ নভেম্বর আলিমুজ্জামান চৌধুরীর মৃত্যু
.২৩ নভেম্বর কবি নাজমুল হক নজীরের মৃত্যুবার্ষিকী
• ২৫ নভেম্বর (১৯০৮) নাট্যগুরু নুরুল মোমেন এর জন্মবার্ষিকী।
বিশেষ চিত্তাকর্ষক লাল শাপলা মধুখালি

ডিসেম্বর
১লা ডিসেম্বর ডা: ননী গোপাল সাহার জন্মবার্ষিকী (১৯৯৩)
• ৬ই ডিসেম্বর (১৯৫৬) চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এর জন্মবার্ষিকী।
• ৮ ডিসেম্বর (১৯৮৬) আবু নঈম মোহাম্মদ (আ.ন.ম) বজলুর রশিদ এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ৯ই ডিসেম্বর করিমপুর দিবস।
• ১৪ ডিসেম্বর (১৯৫৪) বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম এর জন্মবার্ষিকী
• ১৭ই ডিসেম্বর ফরিদপুর মুক্তদিবস।
• ২০ ডিসেম্বর (২০১৪) মাকসুদুল আলম এর মৃত্যুবার্ষিকী।
২৩ শে ডিসেম্বর ১৯২৩ ময়েজউদ্দিন বিশ্বাস এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ২৫ ডিসেম্বর (২০১৮) নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• ২৯শে ডিসেম্বর (১৯২২) অম্বিকাচরণ মজুমদারের মৃত্যুবার্ষিকী।
• ৩০শে ডিসেম্বর (২০১৮) মৃনাল সেন এর মৃত্যুবার্ষিকী।
• বিশেষ চিত্তাকর্ষক-সরিষা ফুলের ক্ষেত

0

অনুষ্ঠিত হলো ১যুগপূর্তি উৎসব ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশন এর

১২ই জুন ছোট পরিসরে হয়ে গেলো ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশন এর ১ যুগপূর্তি অনুষ্ঠান।

স্থান জেলা পরিষদ সভা কক্ষ ফরিদপুর সদর। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশন এর উপদেষ্টা মন্ডলী এবং ফরিদপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর সদস্যবৃন্দ,লেখক,সাংস্কৃতিক কর্মী এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। উক্ত অনুষ্ঠানে ফরিদপুর সিটি ফেসবুক পেজ এবং ফরিদপুর লাইভ গ্রুপ প্লাটফর্ম ব্যাবহার করে সদস্যগন সমাজে অবদান রেখেছে তাদেরকে সু নাগরিক সম্মাননা প্রদান করা হয়।ফরিদপুরকে দেখুন ফরিদপুরকে জানুন এই প্রত্যয়ে দীর্ঘ ১২টি বছর অতিক্রম করেছি আমরা। দীর্ঘ এই পথচলায় আমরা অর্জন করেছি ফরিদপুরবাসীর আস্থা এবং ভালোবাসা এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।ফরিদপুর থেকে দূর প্রবাসে থাকা মানুষের ফোনের স্ক্রিনে ছবি, ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে পৌছে দিয়েছি আমরা ফরিদপুর এর গল্প। সংযুক্ত করেছি আমরা লক্ষ্যাধিক ফরিদপুরবাসীকে।ফরিদপুর যেনো পিছিয়ে না থাকে সে লক্ষ্যেফরিদপুরকে উপস্থাপনার পাশাপাশি একটা সময় মনে হলো আমরা সমাজের জন্য জনকল্যাণমূলক কাজও করতে পারি এভাবেই সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক কাজের এক মেলবন্ধন ঘটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। বিশ্বাসযোগ্য তথ্যসেবার পাশাপাশি আমরা গড়ে তুলেছি ফরিদপুর আর্কাইভ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তো চলুন বন্ধুরা দীর্ঘ ১২ বছরের এই পথচলার কিছুটা স্মৃতি চারণ করা যাক।২০১২ সালে ফরিদপুর সিটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ওয়েবসাইট ফরিদপুর সিটি ডটকম, ফরিদপুর সিটি মোবাইল app, ইউটিউব চ্যানেল সহ অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ফরিদপুর এর দর্শনীয় স্থান ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে নিয়মিত উপস্থাপন করে যাচ্ছি আমরা।ইতিহাস অনুসন্ধান এবং ঐতিহ্যফরিদপুর এর ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে অনেকেরই অজানা তাই আমরা ফরিদপুর এর বিভিন্ন উপজেলা ভ্রমণের মাধ্যমে ফরিদপুর এর অজানা ইতিহাস উপস্থাপন করে চলেছি। কতটা বৈচিত্রময় আমাদের ফরিদপুর ইতিমধ্যে জেনে গেছে সমগ্রদেশবাসী।পদ্মবিল,লাল শাপলা, সাদা শাপলার বিল রয়েছে আমাদের ফরিদপুরে, সূর্যমুখীর বাগান,দিগন্তজুড়ে হলুদের রাজ্যের শরশে ক্ষেত, আকোটের চর কাশবন এর অপার সৌন্দর্যকে আমাদের মাধ্যমেই সমগ্রদেশবাসী দেখেছিলো সবার আগে।এসব সৌন্দর্য আগে থেকেই ছিলো শুধু সঠিক প্রচারণার অভাবে এতোদিন ছিলো আড়ালেই।ঐতিহ্য:ভেলা বাইচ,নৌকা বাইচ,পলো বাইচ,লোকজও উৎসব, আমাদের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য তুলে ধরছি বর্তমান প্রজন্মের মাঝে।বর্ষা,শরত,হেমন্ত,শীত বসন্তের প্রকৃতিতে কেমন দেখায় প্রিয় ফরিদপুর জেলাকে সেই দৃশ্য ধারনের জন্য টিম ফরিদপুর সিটি ছুটে বেরিয়েছে ফরিদপুর এর প্রত্যন্ত অঞ্চলে।স্বাধিনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ফরিদপুরে আলপনা উৎসব ছিলো একমাত্র আয়োজন যা স্মৃতি হয়ে থাকবে।কৃষি প্রতিবেদন:ফরিদপুর এর সম্ভাবনাময় কৃষিখামার পরিদর্শন এবং ছাদ বাগান পরিদর্শন এর মাধ্যমে শিক্ষিত তরুন সমাজকে উদ্ভুদ্ধ করে যাই যেনো আত্মকর্মসংস্থানমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করে সফলতা লাভ করে। কখন পেয়াজের দানা চাষাবাদ, লিচু বাগান পরিদর্শন, কখনও মধুচাষ,কখনও মিশ্র ফলের আবাদ আমাদের তথ্যচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরেছি।বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুস ছামাদ শেখ এর স্মরনে প্রতি বছর বৃক্ষ রোপন ককর্মসূচি গ্রহন করার মাধ্যেম মনে করিয়ে দেই মহান ব্যক্তির অবদানের কথা।নিমন্ত্রণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা ফরিদপুর এর প্রতিভাবান,এবং গূণি ব্যক্তিদের গল্প তুলে ধরছি।ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের সদস্যবন্ধুদের অংশগ্রহণে ঈদ আয়োজন ছিলো আমাদের ব্যতিক্রমী আয়োজন যার মাধ্যমে প্রতিভাবানদের বিকাশলাভ করেছে।বর্ষবরণ সাইকেল র‍্যালী:ফরিদপুরে ব্যতিক্রমী আয়োজন করার লক্ষে বর্ষবরণ সাইকেল র‍্যালীর আয়োজন যা আজও মনে করিয়ে দেয় তারুণ্যের স্মৃতি কথা।আমরা রাইজিংঃআমরা রাইজিং এওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখা সংগঠন এবং ব্যক্তিদের সম্মানিত করছি যেনো তারা উৎসাহিত হয়।সামাজিক আন্দোলন:আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় আমরাও ছিলাম সোচ্চার বাইশরশি জমিদার বাড়ি রক্ষা আন্দোলন, সালথার সিংহ বাড়ি রক্ষার আন্দোলন ছাড়াও রেল আন্দোলন, ফরিদপুর বিভাগ চাই আন্দোলনে ছিলো আমাদের সতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ।সামাজিক কার্যক্রম:একটা সাধারণ পোস্ট যখন একজন মানুষের ঘর নির্মাণের ভূমিকা রাখতে পারে এবং নতুন একটি ঘর ফিরে পাওয়ার যে আনন্দ তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমাদের পোস্ট এর কারনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং ব্যক্তি এসব পরিবারের ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন। চরভদ্রাসন,বোয়ালমারী নগরকান্দা,কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন ফরিদপুর সদর।মানবতার দেয়াল:বিভিন্ন উপজেলায় মানবতার দেয়ালের মাধ্যমে দুস্থদের বস্ত্র প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি,হারানো বিজ্ঞপ্তি:হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রচার এর মাধ্যমে ব্যক্তি এবং বস্তু উদ্ধার হলে আমরা আনন্দিত হই সেই সাথে যারা ফিরে পেতে সহযোগিতা করছেন তাদেরকে আমরা সু নাগরিক সম্মাননা প্রদান করছি। যেনো তারা ভালো কাজে আরও উৎসাহিত হয়।বন্যা:দুর্যোগকালোন সময়ে আমরা ফরিদপুরবাসীর সহায়তায় ছুটে গিয়েছি ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। আমরা স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টিম এবং খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিয়েছি প্রত্যন্ত অঞ্চলে।লকডাউন:সারা দেশের মতো ফরিদপুরেও যখন শুরু হলো লকডাউন তখন ঘরে বসে কিভাবে ফরিদপুরবাসীর পাশে থাকা যায় সে চেষ্টাও ছিলো আমাদের।চিকিৎসক এর ভিডিও বার্তার মাধ্যেম সচেতনতা তৈরি। ঘরে বসেই টেলিমেডিসিন সেবা গ্রহণ এর সুযোগ তৈরী। বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা প্রদান।মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম। সেই সাথে অভুক্ত প্রানীদের জন্যও ছিলো খাবারের ব্যবস্থা।রক্তদান কর্মসূচি:সংগঠন এর সদস্যদের রক্তদান কর্মসূচি এবং আমাদের গ্রুপ blood bank Faridpur , ফেসবুক পেজ এবং ফরিদপুর সিটি app এর মাধ্যমে হাজার হাজার ব্যক্তি উপকৃত হচ্ছেন।নির্বাচনী পোস্টার দিয়ে খাতা তৈরী করে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে বিতরণ কার্যক্রম সবার সাধুবাদ এবং সহাযোগিতা আমাদের উৎসাহিত করেছিলো।ঘুড়ি উৎসব:অনেকেই মনে করেন এই ঘুড়ি উৎসব ছাড়া হয়তো আর কোনো কাজই নেই আমাদের। তাদের জ্ঞাতার্থেই এই বার্তা আমাদের এই ঘুড়ি উৎসবটি যেমন ফরিদপুরবাসীর জন্য ভালোবাসার প্রতিফল তেমনি এই উৎসবের লভ্যাংশ দিয়ে আমরা ফরিদপুরবাসীর জন্যই ব্যয় করে থাকি।তবে এতো কিছুর মাঝে যে স্বেচ্ছাসেবীরা ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশনকে দীর্ঘ ১২টি বছর সুনামের সাথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তারাও যথেষ্ট ত্যাগ স্বিকার করে চলেছে। বিনামূল্যে এতো সেবা প্রদান এই যুগে আর কোনো জেলায় পাওয়া যায় কি না জানা নেই। সবটাই করি আমাদের ফরিদপুরের প্রতি ভালোবাসা থেকে। তো এই ছিলো ফরিদপুর সিটি অর্গানাইজেশনের ১যুগের ক্ষুদ্র প্রয়াস।ফরিদপুরকে দেখুন ফরিদপুরকে জানুন।

0

২১ প্রজাতির আম চাষে তাক লাগালো ফরিদপুরের মাফি

২১ প্রজাতির আম চাষ করে তাক লাগিয়েছেন ফরিদপুর সদর উপজেলার হাট গোবিন্দপুরের মফিজুর রহমান মাফি।
এসব আম দেখতে যেমন লোভনীয় তেমনি স্বাদে অনন্য। ব্রুনাই কিং,থাইল্যান্ড এর চিয়াংমাই, বা জাপানের মিয়াজাকি বা সূর্যডিম যাকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দামি আম, এছাড়াও আপেল ম্যাংগো,কাটিমন,বারি ৪,বারি ১১,গৌরমতি, ব্যানানা ম্যাংগো, আমেরিকার পালমারসহ মোট ২১ প্রজাতির আম গাছ রয়েছে তার বাগানে।


৯ বিঘা জমিতে আমের চাষ করছেন তিনি জানান,তার এই বাগানের বয়স ৪ বছর। এসব আমের চারা তিনি দেশ বিদেশ থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন। আমাদের দেশেও এমন উন্নত জাতের আমের চাষ সম্ভব তিনি প্রমাণ করেছেন। তার বাগানে গিয়ে দেখা গেলো প্রতিটি গাছেই ঝুলে আছে বিভিন্ন প্রজাতির হরেক রকমের আম। একই স্থানে এতো রকমের আম দেখতে সত্যিই অসাধারণ লাগছিলো। বিভিন্ন প্রজাতির আমের সাইজও বিভিন্ন রকমের যেমন ব্রুনাই কিং জাতের আম একটির ওজন প্রায় ৩-৪ কেজি পর্যন্ত। এছাড়াও সূর্য ডিম বা মিয়া জাকি,চিয়াংমাই প্রজাতির আমগুলো দেখতে ভীষণ ভালো লাগছিলো। রং বে রং এর নজরকাড়া এই আমগুলো দেখতে ভীষণ সুন্দর দেখে মনে হতে পারে আমগুল্প হয়তো পেকেছে কিন্তু না আমের রংটাই এমন তবে যখন পেকে যায় তখন রংটা আরও গাড়ো হয়।


এছাড়াও তিনি ১৪ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করেছেন, গতবছর তিনি স্থানীয় বাজারে ২০০ মন ড্রাগন ফল বিক্রিও করেছেন।  রয়েছে পেয়ারা,চায়না কমলা,পেপে,কয়েক প্রজাতির বরই।
এখন মিশ্র ফলের বাগান হলেও ২০১৯ সালে বরই দিয়ে মফিজুর রহমান মাফির কৃষিতে যাত্রা শুরু । ১ম বছরেই তিনি সফলতা পান। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রবাস জীবন ত্যাগ করে তিনি নিজ উদ্যোগে হয়ে উঠেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা।তার বাগানে স্থানীয় অনেকেই কাজ করে হয়েছেন সাবলম্বি। দেশের বিভিন্ন স্থান হতে তার এই ফলের বাগানে আসছেন চারা সংগ্রহ করতে,কেউ ফল কিনতে কেউ কৃষি পরামর্শ গ্রহণ করতে কেউ এই উদ্যোক্তার বাগান স্বচক্ষে দেখে অনুপ্রেরণা নিতেও আসেন। তার এই সফলতা অসংখ্য শিক্ষিত বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহ যোগাচ্ছে।

কৃষি পরামর্শ গ্রহণ করতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন
01861818182 (মোফিজুর রহমান মাফি) হাট গোবিন্দপুর,ফরিদপুর সদর।

 

0

ফরিদপুরে কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ফরিদপুর শহরে ৫বার এসেছিলেন ।

কবি কাজী নজরুলের ইসলামের ফরিদপুর সফরের কথা সবার জানা। তবুও সংক্ষেপে বলছি। বলার আর একটি কারণ হলো একবারের সফরের কবি জসিমউদ্দিন নজরুলকে নিয়ে চক বাজারের গিয়েছিল দুপুরের খাবার খেতে। আমার বিষয়বস্থু হলো সেই ‘হোটেল’, যেখানে দুজনে লাঞ্চ সেরেছিলেম।

নজরুল অন্তত সাতবার বৃহত্তর ফরিদপুরে আসেন – পাঁচবার ফরিদপুর শহরে, একবার মাদারীপুরে এবং একবার পাংশায়। শহরের তিনবারের সফরের বর্ণানা জসিমউদ্দিনের ‘যাঁদের দেখেছি’ বইতে লেখা আছে।একবারের বর্ণনা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনিতে লেখা আছে।

কবি নজরুল প্রথম আসেন ১৯২৫ সালে বাংলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে, অনুষ্ঠিত হয় ফরিদপুরে। অল বেঙ্গল কংগ্রেস কনফারেন্স, অল বেঙ্গল স্টুডেন্ট কংগ্রেস কনফারেন্স এবং অল বেঙ্গল মুসলিম কংগ্রেস কনফারেন্স।

ওই সম্মেলন তিনটিতে উভয় বাংলার ব্রিটিশ বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহের নেতা-কর্মী ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বঙ্গীয় কংগ্রেসের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ফরিদপুর টেপাকোলা মাঠে। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ওই সম্মেলনে যোগ দিয়ে তার বিখ্যাত গান ও কবিতা পরিবেশন করেন। পল্লীকবি জসীম উদ্দীন এতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সম্মেলনে এসে কবি নজরুল একজন বামপন্থী নেতাসহ চারজনের একটি দল পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের বাড়িতে ওঠেন। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের (৫.১১.১৮৭০-১৬.৬.১৯২৫) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনে মহাত্মাগান্ধী (১৮৬৯-১৯৪৮), নেতাজী সুভাস চন্দ্র বসু (২৩.১.১৮৯৭-১৯.৮১৯৪৫), সরোজিনী নাইডু (১৮৭৯-১৯৪৯), মওলানা আবুল কালাম আজাদ (১৮৮৮-২২.২.১৯৫৮) যোগ দিয়ে বক্তৃতা করেন।সম্মেলনটি স্থায়ী হয়েছিল তিন দিন, বাইরে থেকে আসা নেতা ও কর্মীরা তাবুতে অবস্থান করেছিল।

ভারতবর্ষের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে ইংরেজ শাষন আমলে এত বড় একটা সম্মেলন ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হওয়া ফরিদপুরের জন্য গর্ব ও সম্মানের ব্যাপার। এই সম্মেলন এটাই প্রমান করে যে সেই সময় ফরিদপুরের ব্রিটিশ বিরোধী রাজনৈতিক চিন্তা, চেতনা ও কর্মকান্ড তৎকালিন ভারতবর্ষে সমাদ্রিত ছিল।

দ্বিতীয় সফর – নির্বাচনী প্রচারনা।
১৯২৬ সালে যখন ‘ভারতীয় কেন্দ্রীয় আইনসভা’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কবি কাজী নজরুল ইসলাম তখন সারা বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি।নির্বাচনে কংগ্রেস-সমর্থিত অর্থাৎ স্বরাজ পার্টির প্রার্থী ছিলেন কবি নজরুল। নির্বাচনী এলাকা (Constituency) – ঢাকা , ফরিদপুর, ময়মনসিংহ ও বরিশাল। এ প্রসঙ্গে পরে আসছি।

তৃতীয় সফর – সনটা আমার জানা নেই, ১৯২৭ সন হবার সম্ভাবনা বেশী। ঐ সফরে কবি জসিম উদ্দিনের লেখার অংশবিশেষ নীচে তুলে ধরলাম ,

“একবার পরলোকগত সরোজিনী নাইডুর সঙ্গে কবি আর হেমন্তকুমার সরকার আমাদের ফরিদপুরে আসিলেন। সরোজিনী নাইডু একদিন পরেই চলিয়া গেলেন। কবিকে আমরা কয়েকদিন রাখিয়া দিলাম।আমি তখন ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজে পড়ি। আমরা সকল ছাত্র মিলিয়া কবিকে কলেজে আনিয়া অভিনন্দন দিব, স্থির করিলাম। আমাদের প্রিন্সিপ্যাল কামাখ্যাচরণ মিত্র মহাশয় খুশী হইয়া আমাদের প্রস্তাবে রাজি হইলেন।

খবর পাইয়া ফরিদপুরের পুলিশ-সাহেব আমাদের প্রিন্সিপ্যাল মহাশয়ের নিকট পত্র লিখিলেন, নজরুলের মতিগতি গভর্নমেন্টের বিরুদ্ধে; তিনি তাঁহার বক্তৃতায় সরলমতি ছাত্রদিগকে গভর্নমেন্টের বিরুদ্ধে ক্ষেপাইয়া তুলিবেন। নজরুলকে যদি কলেজে বক্ততা করিতে দেওয়া হয়, তবে সি. আই. ডি. পুলিশদেরও কলেজের সভায় উপস্থিত থাকিতে দিতে হইবে। আমাদের প্রিন্সিপ্যাল কামাখ্যা বাবুর প্রতিও গভর্নমেন্টের মুনজর ছিল না। বহু বৎসর আগে তিনি পুলিশের কোপদৃষ্টিতে অন্তরীণ ছিলেন। নজরুলকে দিয়া বক্ততা করাইলে পরিণামে কলেজের ক্ষতি হইতে পারে বিবেচনা করিয়া তিনি আমাদিগকে ডাকিয়া বলিয়া দিলেন, ‘নজরুলকে লইয়া কলেজে যে সভা করার অনুমতি দিয়েছিলাম, তাহা প্রত্যাহার করলাম।’

আমরা মুষড়িয়া পড়িলাম। সবাই মুখ মলিন করিয়া কবির কাছে গিয়া উপস্থিত হইলাম। আমাদের অবস্থা দেখিয়া কবি বলিলেন, ‘কুছ পরওয়া নেই। উন্মুক্ত মাঠের মধ্যে সভা কর। আমি সেইখানে বক্তৃতা দেব।’

তখন আমাদিগকে আর পায় কে! দশ-বিশটা কেরোসিনের টিন বাজাইতে বাজাইতে সমস্ত শহর ভরিয়া কবির বক্তৃতা দেওয়ার কথা প্রচার করিলাম। সন্ধ্যাবেলা অম্বিকা-হলের ময়দান লোকে লোকারণ্য। হাজার হাজার নর-নারী আসিয়া জমায়েত হইলেন কবি-কণ্ঠের বাণী শুনিবার জন্য।

সেই সভায় কবিকে নূতনরূপে পাইলাম। এতদিন কবি শুধু দেশাত্মবোধের কথাই বলিতেন। আজ কবি বলিলেন সাম্যবাদের বাণী। কবি যখন ‘উঠ রে চাষী জগৎবাসী, ধর কষে লাঙ্গল’ অথবা ‘আমরা শ্রমিকদল, ওরে আমরা শ্রমিকদল’ —প্রভৃতি গান গাহিতেছিলেন, তখন সমবেত জনতা কবির ভাব-তরঙ্গের সঙ্গে উদ্বেলিত হইতেছিল। সর্বশেষে কবি তাহার বিখ্যাত ‘সাম্যবাদী’ কবিতা আবৃত্তি করিলেন। সে কী আবৃত্তি, প্রতিটি কথা কবির কণ্ঠের অপূর্ব ভাবচ্ছটায় উদ্বেলিত হইয়া সমবেত শ্রোতৃমণ্ডলীর হৃদয়ে গিয়া ধ্বনিতপ্রতিধ্বনিত হইয়া উঠিতেছিল। মাঝে মাঝে মনে হইতেছিল, কবিকণ্ঠ হইতে যেন অগ্নি-বর্ষণ হইতেছে। সেই আগুনে যাহা কিছু ন্যায়ের বিরোধী, সমস্ত পুড়িয়া ধ্বংস হইয়া যাইবে।”(যাঁদের দেখেছি – জসিম উদ্দিন )

অম্বিকা ময়দানে কাজী নজরুল ইসলাম ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানসহ বহু নেতা মিটিং করে বক্তৃতা দিয়েছে। ১৯৬৯ সন পযন্ত শহরের প্রায় সব রাজনৈতিক মিটিং হতো অম্বিকা ময়দানে। অম্বিকা ময়দানে জনসভা লোকে লোকারণ্য বা কানায় কানায় ভর্তি যে না দেখেছে তাকে বর্ণনা দিয়ে বোঝানো খুব কঠিন। তবুও আমি চেষ্টা করে দেখছি, অম্বিকা হলের বারান্দার সামনে একটি ইট-সিমেন্টর তৈরি ষ্টেজ ছিল বক্তৃতা দেবার জন্য।ষ্টেজটা পরে হয়েছে, আগে বক্তারা অম্বিকা হলের বারান্দায় বসতো।ভালো জনসভায় পুরো মাট ভরে যেত ,মাঠের লোকেরা খাসের উপর বসে বক্তৃতা শুনতো, (মাঠের তিন দিকে সীমানা প্রাচীরের কাছ দিয়ে আট/ নয়টি ইট-সিমেন্টের উপর নিট ফিনিষ্ট আস্তরের(Towel finished plaster) সুন্দর পিছনে হেলান দিয়ে বসার আসন ছিল, তিনজনে আরামে বসা যেত), যারা আগে আসতো তারা এ আসলগুলো দখলে নিতো, কিছু লোক আসন ও আড়াই ফুট উঁচু মোগল স্থপতির আদলে গড়া প্রচীরের ফাঁকা যায়গায় দাড়িয়ে যেত, ঊত্তর ও পূবের রাস্তায় ভর্তিলোক দাড়িয়ে বক্তৃতা শুনতে, সব চাইতে আকর্ষনীয় ছিল চৌরঙ্গি বিল্ডিং( যা এখন নেই, মনে হলে এক ধরনের কষ্ট অনুভব করি।) -এর দুই ও তিনতলার ছুলন্ত টানা বারান্দায় দাড়িয়ে বারান্দা ভর্তি লোকের উপস্থিতি। বড় যাত্রীবাহী জাহাজ নুতন বন্দরে নোঙ্গর করার সময় যাত্রীরা ডেকের রেলিং ধরে দাডিয়ে থাকা দৃশ্যের মত।মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তা সামনে তাকিয়ে চার স্তরের শ্রোতাদের দেখা মাত্র তার বক্তৃতার মান বেড়ে যেত।

নজরুলের দ্বিতীয় সফর, ১৯২৬ সন (নির্বাচনী প্রচারনা)। নজরুলের নির্বাচনী প্রচারনা সফরের বর্ণনা কবি জসিম উদ্দিনের লেখায়:

“একদিন গ্রীষ্মকালে হঠাৎ কবি আমার পদ্মাতীরের বাড়ি আসিয়া উপস্থিত। তিনি কেন্দ্রীয়-আইন সভার সভ্য হইবার জন্য দাঁড়াইয়াছেন। এই উপলক্ষে ফরিদপুরে আসিয়াছেন প্রচারের জন্য। আমি হাসিয়া অস্থির : ‘কবিভাই, বলেন কি? আপনার বিরুদ্ধে এদেশে গোঁড়া মুসলিম-সমাজ কাফের বলে ফতোয়া দিয়েছেন। ভোটযুদ্ধে তারাই হলেন সব চাইতে বড় সৈন্যসামন্ত। আমাদের সমাজ কিছুতেই আপনাকে সমর্থন করবে না।’
কবি তখন তার সুটকেস হইতে এক বাণ্ডিল কাগজ বাহির করিয়া আমার হাতে দিয়া বলিলেন, ‘এই দেখ, পীর বাদশা মিঞা আমাকে সমর্থন করে ফতোয়া দিয়েছেন। পূর্ববঙ্গের এত বড় বিখ্যাত পীর যা বলবেন, মুসলিম-সমাজ তা মাথা নিচু করে মেনে নেবে। জসীম, তুমি ভেবো না। নিশ্চয় সবাই আমাকে ভোট দেবে। ঢাকায় আমি শতকরা নিরানব্বই ভাগ ভোট পাব। তোমাদের ফরিদপুরের ভোট যদি আমি কিছু পাই, তা হলেই কেল্লা ফতে। যদি নির্বাচিত হয়ে যাই—আর নির্বাচিত আমি তো হবই, মাঝে মাঝে আমাকে দিল্লী যেতে হবে। তখন তোমরা কেউ কেউ আমার সঙ্গে যাবে।‘
রাতের অন্ধকারে আকাশে অসংখ্য তারা উঠিয়াছে। আমরা দুই কবিতে মিলিয়া তাদেরই সঙ্গে বুঝি প্রতিযোগিতা করিয়া মনের আকাশে অসংখ্য তারা ফুটাইয়া তুলিতেছিলাম।
কেন্দ্রীয় সভার ভোট-গ্রহণের আর মাত্র দুইদিন বাকী। ভোর হইলেই আমরা দুইজনে উঠিয়া ফরিদপুর শহরে মৌলভী তমিজউদ্দিন খানের বাড়ি আসিয়া উপস্থিত হইলাম। তমিজউদ্দিন সাহেব আইনসভার নিম্ন-পরিষদের সভ্য পদের প্রার্থী ছিলেন। তাঁহার প্রতিদ্বন্দ্বী ফরিদপুরের তরুণ জমিদার বন্ধুবর লাল মিঞা সাহেব। আমরা লাল মিঞা সাহেবের সমর্থক ছিলাম। বাদশা মিঞা তমিজউদ্দিন সাহেবকে সমর্থন করিয়া ফতোয়া দিয়াছিলেন। সেইজন্য আমাদের বিশ্বাস ছিল, তমিজউদ্দিন সাহেবের দল নিশ্চয়ই কবিকে সর্মথন করিবেন। কারণ বাদশা মিঞাও কবিকে সমর্থন করিয়া ইতিপুর্বে ফতোয়া দিয়াছেন। আর, লাল মিঞার দলে তো আমরা আছিই। সুতরাং সবাই কবিকে সমর্থন করিবে।
কবিকে সঙ্গে লইয়া যখন তমিজউদ্দিন সাহেবের বাসায় গিয়া উপস্থিত হইলাম, তমিজউদ্দিন সাহেব তাঁহার সমর্থক গুণগ্রাহীদের দ্বারা পরিবৃত হইয়া দরবার সাজাইয়া বসিয়াছিলেন। কবিকে দেখিয়া তাঁহারা সবাই আশ্চর্য হইয়া গেলেন। কবি যখন তাঁহার ভোটঅভিযানের কথা বলিলেন, তখন তমিজউদ্দিন সাহেবের একজন সভাসদ বলিয়া উঠিলেন, ‘তুমি কাফের। তোমাকে কোন মুসলমান ভোট দিবে না।’
তমিজউদ্দিন সাহেবের সঙ্গে আমাদের শত মতভেদ থাকিলেও তিনি বড়ই ভদ্রলোক। কবিকে এরূপ কথা বলায় তিনি বড়ই মনঃক্ষুণ্ণ হইলেন। কবি কিন্তু একটুও চটিলেন না। তিনি হাসিয়া বলিলেন, ‘আপনারা আমাকে কাফের বলছেন, এর চাইতে কঠিন কথাও আমাকে শুনতে হয়। আমার গায়ের চামড়া এত পুরু যে আপনাদের তীক্ষ্ণ কথার বাণ তা ভেদ করতে পারে না। তবে আমি বড়ই সুখী হব, আপনারা যদি আমার রচিত দু-একটি কবিতা শোনেন।’
সবাই তখন কবিকে ঘিরিয়া বসিলেন। কবি আবৃত্তি করিয়া চলিলেন। কবি যখন তাহার ‘মহরম’ কবিতাটি আবৃত্তি করিলেন, তখন যে ভদ্রলোক কবিকে কাফের বলিয়াছিলেন তারই চোখে সকলের আগে অশ্রুধারা দেখা দিল। কবি আবৃত্তি করিয়াই চলিয়াছেন—যে কাজে আমরা আসিয়াছি, সে দিকে তাঁর দৃষ্টি নাই। আমি কবির কানে কানে বলিলাম, ‘এইবার আপনার ইলেকসনের কথা ওঁদের বলুন।’
কিন্তু কে কাহার কথা শোনে! কবি আবৃত্তি করিয়াই চলিয়াছেন। তখন আমি মরিয়া হইয়া সবাইকে শুনাইয়া বলিলাম, ‘আপনারা কবির কবিতা শুনছেন—এ অতি উত্তম কথা। কিন্তু কবি একটি বড় কাজে এখানে এসেছেন। আসন্ন ভোট-সংগ্রামে কবি আপনাদের সমর্থন আশা করেন। এই বিষয়ে কিছু আলোচনা করুন।’
তমিজউদ্দিন সাহেব চালাক লোক। কবিতা আবৃত্তি করিয়া কবি তাঁহার সমর্থক ও ভক্তমণ্ডলীর মধ্যে কিঞ্চিৎ প্রভাব বিস্তার করিয়াছেন। তিনি যে কবিকে সমর্থন করিবেন না, এই আলোচনা তিনি তাঁহাদের সকলের সামনে করিলেন না। কবিকে তিনি আড়ালে ডাকিয়া লইয়া গেলেন। পাঁচ-ছয় মিনিট পরে হাসিমুখেই তাহারা দুইজনে আসরে ফিরিয়া আসিলেন। আসিয়া কবি আবার পূর্ববৎ কবিতা আবৃত্তি করিয়া চলিলেন। আমি ভাবিলাম, কেল্লা ফতে! কবির হাসিমুখ দেখিয়া এবং আবার আসিয়া তাহাকে কবিতা আবৃত্তি করিতে দেখিয়া ভাবিলাম, নিশ্চয়ই তমিজউদ্দিন সাহেবের দল কবিকে সমর্থন করিবে।
কবি আবৃত্তি করিয়াই চলিয়াছেন। বেলা দুইটা বাজিল। কবির সে দিকে হুঁশ নাই। কবির শ্রোতারাই এ বিষয়ে কবিকে সজাগ করিয়া দিলেন। কবি তাহার কাগজপত্র কুড়াইয়া লইয়া বিদায় হইলেন। তাদের মধ্য হইতে একটি লোকও বলিলেন না, এত বেলায় আপনি কোথায় যাইবেন, আমাদের এখান হইতে খাইয়া যান।
আমার নিজের জেলা ফরিদপুরের এই কলঙ্ক-কথা বলিতে লজ্জায় আমার মাথা নত হইয়া পড়িতেছে। কিন্তু এ কথা না বলিলে, সেই যুগে আমাদের সমাজ এত বড় একজন কবিকে কি ভাবে অবহেলা করিতেন, তাহা জানা যাইবে না। অথচ এদেরই দেখিয়াছি, আলেম-সমাজের প্রতি কী গভীর শ্রদ্ধা! কত গরীব ছাত্রকে তমিজউদ্দিন সাহেব অন্নদান করিয়াছেন!
দুইটার সময় তমিজউদ্দিন সাহেবের বাড়ি হইতে বাহির হইয়া ভাবিলাম, এখন কোথায় যাই। আমার বাড়ি শহর হইতে দুই মাইলের পথ; হাঁটিয়া যাইতে পঁয়তাল্লিশ মিনিট লাগিবে। পৌঁছিতে তিনটা বাজিবে। খাওয়া-দাওয়া শেষ করিয়া আজ আর শহরে ফিরিয়া কাজকর্ম করা যাইবে না। স্থির করিলাম, বাজারে কোন হোটলে খাওয়া সারিয়া অন্যান্য স্থানে ভোট-সংগ্রহের কাজে মনোনিবেশ করিব।
পথে আসিতে আসিতে কবিকে জিজ্ঞাসা করিলাম, ‘তমিজউদ্দিন সাহেবের দল আমাদের সমর্থন করিবে। এবার তবে কেল্লা ফতে!’
কবি উত্তর করিলেন, ‘না রে, ওঁরা বাইরে ডেকে নিয়ে আমাকে আগেই খুলে বলে দিয়েছেন, আমাকে সমর্থন করবেন না। ওঁরা সমর্থন করবেন বরিশালের জমিদার ইসমাইল সাহেবকে।’
তখন রাগে দুঃখে কাঁদিতে ইচ্ছা হইতেছিল। রাগ করিয়াই কবিকে বলিলাম, ‘আচ্ছা কবিভাই, এই যদি আপনি জানলেন, তবে ওঁদের কবিতা শুনিয়ে সারাটা দিন নষ্ট করলেন কেন?’
কবি হাসিয়া বলিলেন, ‘ওরা শুনতে চাইলে, শুনিয়ে দিলুম।’
এ কথার কী আর উত্তর দিব? কবিকে লইয়া হোটলের সন্ধানে বাহির হইলাম। তখনকার দিনে ফরিদপুর শহরে ভাল হোটেল ছিল না। যে হোটেলে যাই, দেখি মাছি ভনভন করিতেছে। ময়লা বিছানা-বালিশ হইতে নোংরা গন্ধ বাহির হইতেছে। তারই মধ্যে অপেক্ষাকৃত একটি পরিষ্কার হোটেল বাছিয়া লইয়া কোন রকমে ভোজনপর্ব সমাধা করিলাম।”(যাঁদের দেখেছি – জসিম উদ্দিন )

আমার জিজ্ঞাসা, কোন হোটেলে খেয়েছিল ? ১৯২৬ সনতো আমি দেখিনি তবে ১৯৬০ সনের চকবাজার দেখেছি। খুব বড় ধরনের কোন পরিবর্তন হয়নি।১৯৬০ সনে শহরে হাতে গোনা অল্প কয়েকটি খাবার হোটেল ( রেষ্টুরেন্ট) ছিল।কিন্তু ১৯২৬ সনে শহরে কোন খাবার হোটেল(রেষ্টুরেন্ট) ছিল না নিশ্চিত।

[উপনিবেশিক শাষন আমলের সেই সময়ে ফরিদপুরের মত ছোট শহরে রেষ্টুরেন্টে খাওয়া বাতুলতার(Vanity)সামিল।তখন লোকেরা কাজে বের হবার আগে সকালে পেটপুরে বাসা থেকে ভাত খেয়ে যেত আর সন্ধায় খেয়ে গল্প গুঝব সেরে রাত আটটার মধ্যে ঘুমিয়ে পরতো। আমরাইতো সকাল দশটায় পেটপুরে খেয়ে স্কুলে চলে যেতাম চারটায় বাড়ী ফেরা মাত্রই মা,”সারাদিন কিছু খাসনাই”বলে খাবার থালা রেডি করে নিয়ে আসতো। প্রায়ই স্কুল থেকে ফিরে খেলার টানে বই রেখে দিতাম দৌড় খেলার মাঠে, মা পিছ পিছ আসতো খাবার থালা নিয়ে “ এই খেয়ে যা, খেয়ে যা “ বলে চিৎকার করতে করতে,কিন্তু নিরুপায় তখন মায়েদের বাইরে যাবার নিয়ম ছিল না।এই সুযোগটি কাজে লাগাতাম, এখন মনে হলে খারাপ লাগে মাকে কষ্ট দেয়ায়।শহরের এক শ্রেণীর খেটে খাওয়া মানুষ এক বেলার বেশী খাবার যোগাড় করতে পারতো না, কালকে কি খাবে জানা ছিল না।বহু মানুষ শুধু ভাতের ভ্যান খেয়ে দিন কাটিয়ে দিত। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাটির গামলা রেখে বলতো,”খালাম্মা /মাসীমা গামলাটা রাইখ্যা গেলাম,ভ্যানটা পরে আইসা নিয়া যাব”।হয়তো ওটা ওর বাচ্চাদের জন্য। সেই তুলনায় আমরা এখন অনেক ভালো আছি,স্বাধীনতার সুফল ও আল্লার রহমত। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ভালো রাখে।]

জসিম উদ্দিনের হোটেলের বর্ণনায় ময়লা বিছানা – বালিশের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ এটি একটি আবাসিক হোটেল ছিল এর কোন ভূল নেই। আবাসিক হোটেল মানে যেখানে থাকা,খাওয়া, নাওয়ার(স্নানের) বন্দবস্ত রয়েছ। হ্যা, নজরুল ও জসিমউদ্দিন ঐদিন কোন আবাসিক হোটেলেই খেয়েছিল। সেটি কোথায় অবস্থিত ছিল এবং দেখতে কেমন ছিল ? জসিমউদ্দিন আরো উল্লখ করেন অনেকগুলি হোটেল দেখে অপেক্ষাকৃত একটি ভালো হোটেলে দুপুরের ভোজন সম্পন্ন করেন। এটা বোঝা গেল যে ওখানে একসাথে একজায়গায় অনেকগুলো আবাসিক হোটেল ছিল( A cluster of hotels) – ফরিদপুরের ভাষায় ‘আবাসিক হোটেল পর্টি’।গুগল ম্যাপে এর অবস্থান দেখিয়ে একটি স্নাপসট যুক্ত করলাম। ম্যাপে আরো অন্য পর্টিও দেখানো আছে, যেগুলো নিয়ে পরবর্তী পোষ্টে লিখব। তখনকার ফরিদপুর বাজারের বিরল বৈশিষ্ট (Unique characteristic) হলো- ব্যবসার প্রকৃতি ভেদে নিজ নিজ cluster বা পার্টিতে সাজানো। স্বর্ণকার পর্টি, গুর পর্টি, দুধ পর্টি, আবাসিক হোটেল পর্টি, জুতা পর্টি,বই পর্টি,কুমোরপর্টি, ময়রা পর্টি ইত্যাদি।

লিখেছেন জনাব কামরুল বারী কামাল।

0

কবি হুমায়ুন কবির

হুমায়ুন কবির (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৬ – ১৮ আগস্ট ১৯৬৯) ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, লেখক ও দার্শনিক। তাঁর জন্ম অবিভক্ত বাংলার (বর্তমান বাংলাদেশের) ফরিদপুরের কোমরপুর গ্রামে। তিনি দুই দফায় ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্পালন করেন। প্রথম দফায় জহোরলালনেহেরুর মন্ত্রীসভায় এবং এর পরবর্তীকালে আরেকবার। এছাড়া তিনি বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

জন্ম শিক্ষা

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খান বাহাদুর কবিরুদ্দিন আহমদ তাঁর পিতা। নওগাঁ কে.ডি. সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে লেটারসহ প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন (১৯২২) পাশ। অতঃপর কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে ভরতি। এই কলেজ থেকে ইংরেজিতে লেটারসহ প্রথম বিভাগে তৃতীয় স্থান অধিকার করে আই. এ. (১৯২৪), ইংরেজিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে বি.এ. অনার্স (১৯২৬) এবং ইংরেজিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে এম. এ. (১৯২৮) ডিগ্রি লাভ। সরকারি বৃত্তি পেয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য ইংল্যান্ড গমন (১৯২৮)। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সেটার কলেজে ভর্তি। অক্সফোর্ড ইউনিয়নের সেক্রেটারি নির্বাচিত। অক্সফোর্ড থেকে দর্শন, ইতিহাস ও অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে বি. এ. অনার্স ডিগ্রি লাভ (১৯৩১)।

কর্মজীবন

হুমায়ুন কবির চতুরঙ্গ সাহিত্য পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। মার্কসবাদ ও শরৎচন্দ্র সম্পর্কেও তার মূল্যবান রচনা আছে। দর্শন ও সমাজতত্ত্ব সম্পর্কে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় তিনি বহু গ্রন্থ ও গবেষণামূলক প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

নির্বাচিত রচনাবলি

  • স্বপ্নসাধ (কবিতা)
  • সাথী (কবিতা)
  • নদী নারী (উপন্যাস)
  • ইমানুয়েল কান্ট (১৯৩৬)
  • শরৎ সাহিত্যের মূলতত্ত্ব (১৯৪২)
  • বাংলার কাব্য (১৯৪৫) (সমালোচনা গ্রন্থ)
  • মার্ক্সবাদ (১৯৫১)
  • মীর্জা আবু তালিব খান (১৯৬১)
  • Poetry, Monads and Society (1941)
  • Muslim Politics in Bengal (1943)
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯৪৫)
  • ” শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ” ( প্রবন্ধ)

তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

0

আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায় স্বর্ণ জয় বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জয় বাংলাদেশের কারাতে দলের।

কিং কারাতে বাংলাদেশ (ফরিদপুর)নেপালের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে অনুষ্ঠিত ১১ তম মাউন্ট এভারেস্ট আন্তর্জাতিক কারাতে প্রতিযোগিতা ২০২৫ এ (১৬ থেকে ১৯ মে তারিখ) কারাতে প্রশিক্ষক মো: জহিরুল ইসলাম আলীর নেতৃত্বে, কিং কারাতে বাংলাদেশ সংগঠনের, বাংলাদেশ কারাতে দলের ৪ জন কারাতে খেলোয়ার অংশগ্রহণ করে, ১ টি স্বর্ন পদক ও ৪ টি তাম্র পদক অর্জন১. দেবব্রত চক্রবর্তী তনয়, একক কাতা ইভেন্টে স্বর্ন পদক ও -৫৫ কেজি কুমিতে ইভেন্টে তাম্র পদক।২. আবু হানিফা সিয়াম, -৪০ কেজি কুমিতে ইভেন্টে তাম্র পদক।৩. মুস্তাফিজুর রহমান লিখন, +৭৫ কেজি কুমিতে ইভেন্টে তাম্র পদক।৪. এম কে আনোয়ার হোসেন, -৬০ কেজি কুমিতে ইভেন্টে তাম্র পদক অর্জন করে,অভিনন্দন সবাইকেঅসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা Bangladesh School Sports Association কে কিং কারাতে বাংলাদেশকে পাশে থেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য