২১ প্রজাতির আম চাষে তাক লাগালো ফরিদপুরের মাফি

২১ প্রজাতির আম চাষ করে তাক লাগিয়েছেন ফরিদপুর সদর উপজেলার হাট গোবিন্দপুরের মফিজুর রহমান মাফি।
এসব আম দেখতে যেমন লোভনীয় তেমনি স্বাদে অনন্য। ব্রুনাই কিং,থাইল্যান্ড এর চিয়াংমাই, বা জাপানের মিয়াজাকি বা সূর্যডিম যাকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে দামি আম, এছাড়াও আপেল ম্যাংগো,কাটিমন,বারি ৪,বারি ১১,গৌরমতি, ব্যানানা ম্যাংগো, আমেরিকার পালমারসহ মোট ২১ প্রজাতির আম গাছ রয়েছে তার বাগানে।

৯ বিঘা জমিতে আমের চাষ করছেন তিনি জানান,তার এই বাগানের বয়স ৪ বছর। এসব আমের চারা তিনি দেশ বিদেশ থেকে সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন। আমাদের দেশেও এমন উন্নত জাতের আমের চাষ সম্ভব তিনি প্রমাণ করেছেন। তার বাগানে গিয়ে দেখা গেলো প্রতিটি গাছেই ঝুলে আছে বিভিন্ন প্রজাতির হরেক রকমের আম। একই স্থানে এতো রকমের আম দেখতে সত্যিই অসাধারণ লাগছিলো। বিভিন্ন প্রজাতির আমের সাইজও বিভিন্ন রকমের যেমন ব্রুনাই কিং জাতের আম একটির ওজন প্রায় ৩-৪ কেজি পর্যন্ত। এছাড়াও সূর্য ডিম বা মিয়া জাকি,চিয়াংমাই প্রজাতির আমগুলো দেখতে ভীষণ ভালো লাগছিলো। রং বে রং এর নজরকাড়া এই আমগুলো দেখতে ভীষণ সুন্দর দেখে মনে হতে পারে আমগুল্প হয়তো পেকেছে কিন্তু না আমের রংটাই এমন তবে যখন পেকে যায় তখন রংটা আরও গাড়ো হয়।

এছাড়াও তিনি ১৪ বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের চাষ করেছেন, গতবছর তিনি স্থানীয় বাজারে ২০০ মন ড্রাগন ফল বিক্রিও করেছেন। রয়েছে পেয়ারা,চায়না কমলা,পেপে,কয়েক প্রজাতির বরই।
এখন মিশ্র ফলের বাগান হলেও ২০১৯ সালে বরই দিয়ে মফিজুর রহমান মাফির কৃষিতে যাত্রা শুরু । ১ম বছরেই তিনি সফলতা পান। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। প্রবাস জীবন ত্যাগ করে তিনি নিজ উদ্যোগে হয়ে উঠেছেন একজন সফল উদ্যোক্তা।তার বাগানে স্থানীয় অনেকেই কাজ করে হয়েছেন সাবলম্বি। দেশের বিভিন্ন স্থান হতে তার এই ফলের বাগানে আসছেন চারা সংগ্রহ করতে,কেউ ফল কিনতে কেউ কৃষি পরামর্শ গ্রহণ করতে কেউ এই উদ্যোক্তার বাগান স্বচক্ষে দেখে অনুপ্রেরণা নিতেও আসেন। তার এই সফলতা অসংখ্য শিক্ষিত বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহ যোগাচ্ছে।

কৃষি পরামর্শ গ্রহণ করতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন
01861818182 (মোফিজুর রহমান মাফি) হাট গোবিন্দপুর,ফরিদপুর সদর।

নাম: জাওয়াদ আবীরমূল বাড়ি মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ। পড়ালেখার সূত্রে ফরিদপুরে থাকছেন তিনি। H.S.C ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে উত্তির্ণ হয়েছেন বর্তমানে তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজে অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র (নিউ) বাংলা বিষয় নিয়ে পড়ছেন। গত ২০১৫ সালে পরিবারসহ ফরিদপুরে আসা। তাই বাগানে বড় ছোট সব গাছই ছিলো। হঠাৎ করে তার বাবা ঢাকা চলে যান কর্মসূত্রে, ভাইও ভিন্ন স্থানে এজন্য তার মা বাড়িতে চলে যায়। যেহেতু মেসে থাকেন তিনি তাই বাগান করাটা একটু চ্যালেন্জ তার জন্য। তার বাসার বাড়িওয়ালা আন্টি এগুলো একদমই পছন্দ করে না, তাই বড় গাছ আর রাখা হয়না। অল্প হলেও আলহামদুলিল্লাহ তিনি শখ মেটানোর পাশাপাশি বিক্রিও হচ্ছে, তিনি গাছ সংগ্রহ করে এবং পরিচর্যা করেন। তবে সবগাছই এক্সট্রা রাখে এতে করে তার বাগান করার শখটাও মিটে যায়।বাড়িওয়ালা রাখতেই দিতে চায় না, অনেক বুঝিয়ে রেখেছেন তিনি তারপরও মাঝেমাঝেই সেটা নিয়ে কথা শুনতে হয় তাকে। হয়তো খুব শীঘ্রই এখান থেকে শিফট হতে হবে তাকে তার নতুন ঠিকানায়। তিনি জানান তিনি নতুন নতুন বাগানি তৈরি করেছে ফরিদপুর শহরে মিনিমাম ৩০/৪০ জনকে। তার পরিকল্পনা নতুন নতুন বাগানি তৈরি করা, তাই রিজনেবল প্রাইসে শিক্ষার্থীদেরকে গাছ দেয় এটা অব্যাহত থাকবে, তাছাড়া ইচ্ছা আছে ভার্টিক্যাল নার্সারি বা ডিজিটাল নার্সারি করার। কারন ফ্লাটবাসায় চাইলেই বড় গাছ রোপন করা সম্ভব না। ২০১৬ সাল থেকে কাজ শুরু করে তিলে তিলে সাজিয়েছেন এই ছাদ বাগান । এই বাগান করার সময় তাকে তার সসহপাঠী , বন্ধুবান্ধব সহ সকলেই এ কাজে তাকে সহায়তা করেছেন। তিনি যেখানে যে প্রজাতির গাছ পেয়েছেন তাই সংগ্রহ করেছেন। বিভিন্নস্থানের বন-জঙ্গল থেকে তুলে এনেছে অনেক গাছ। অনেকেই এই এসব কাজ দেখে প্রথমে হেসেছেন। কিন্তু তিনি থেমে থাকেনি। সে তার নিজের করেই কাজ চালিয়ে গেছে। আমরা চাইলে প্রত্যেকেই আমাদের ছাদগুলোকে এভাবে সাজাতে পারি। তাতে প্রাকৃতিকভাবে যেমন আমরা হবো সবল, তেমন অর্থনৈতিকভাবে তৈরি করতে পারি সফলতা। আমার চাইলে আমাদের নিজের বাড়িতে ছোট ছোট করে বাগান তৈরি করতে পারি।
সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার ফরিদপুরবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা। মরক্কোর কাসাব্লাংকা শহরে হয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। মরক্কোর প্রাচীন শহর কাসাব্লাংকায় অবস্থিত দ্বিতীয় হাসান ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হয় ৩৫তম নাট্যোৎসব। এতে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, মরক্কো, তিউনিসিয়া ও সৌদি আরবের শিল্পীদের পাশাপাশি অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের শিল্পীরা।


তিনি জানান ফরিদপুর লাইভ গ্রুপের অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অনেক পোস্ট শেয়ার করেন তা দেখে তিনি সত্যিই উৎসাহিত হয় !তাই ভাবলাম আমার ফ্রিল্যান্সিং জার্নি টা শেয়ার করি,যদি কেউ অনুপ্রেরণা পায়।কি ভাবে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হলেন?আমি শাওন মীর, মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির বড় ছেলে।বাসাঃ ফরিদপুর সদর উপজেলা । পড়ালেখায় খুব একটা ভালো ছিলাম না,কোনো রকম এসএসসি পাশ করে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হলাম সাবজেক্ট পেলাম কম্পিউটার! কম্পিউটার কিভাবে চালু করতে হয় জানতাম না, প্রথমবার এর মতো মা,ভাই কে ছেড়ে হোস্টেলে যাওয়া! অত:পর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং এর পড়া শুরু! একটা সময় বুঝতে পারলাম, কম্পিউটার কেনার দরকার আমি আমার বাবাকে বলি কম্পিউটারের কথা, অহ বলতে ভুলে গেছি আমার আব্বু সৌদি আরব থাকেন তার কিডনিতে প্রব্লেম ছিল, তাকে বলার পর ৫ মাস পর একটা কম্পিউটার পাঠায় HP।২০১৭ সালে আমি যখন ডিপ্লোমায় ৪র্থ সেমিস্টারে উঠি তখন ফেসবুক হ্যাকিং নিয়ে আমার মাথায় অনেক প্রশ্ন আসে এবং হ্যাক করার চেষ্টা করি, সেখান থেকে হ্যাকার হওয়ার সপ্ন মুভি দেখা শুরু করলাম হ্যাকিং এর মুভির মত হ্যাকার হবো। কলেজের সবাই হ্যাকার নামে ডাকাও শুরু করলো। তখন সোশ্যাল মিডিয়া এ ঘাটতে ঘাটতে এক ভাইয়া এর সাথে পরিচিত হয়ে যায় তার কাছ থেকে হাতেখড়ি।( নাম বলা বারণ আছে )।২০২০ সালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষের দিকে, বড় ছেলে হওয়ার সুবাদে প্রেশার আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে । এজন্য চাকরির চেষ্টা শুরু করি এবং নানা জায়গায় সিভি জমা দেই। একই বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে আমি ফ্রিলান্সিং মার্কেট প্লেস আপওয়ার্কে একাউন্ট খুলে ফেলি কারন আমি এত দিন শিখেছি। তার কিছুদিন পর কাজ পাই একটা ,আমার প্রথম ইনকাম ছিল ৩০ ডলার ফ্রিলান্সিং করে.তারপর, আর একটি কাজ পাই ৭০০ ডলারের ।এর পর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয় নাই।এভাবে ৩ মাসে ৬ হাজার ডলার আর্ন করে ফেলি ।৫ মাসে ১০,০০০ হাজার ডলার আর্নিং করে ফেলি ,৮ মাসে ২০ হাজার ছুঁয়ে ফেলি ,১০ মাসে ৩০ হাজার ডলারের মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলি ।তারপর ২০২১ এ ৫০ হাজারের মাইল ফলক ছুঁয়ে ফেলি ।এ পর্যন্ত আপওয়ার্ক,ফাইবার এবং মার্কেট প্লেসের বাইরে থেকে ১,০০,০০০ ডলার এর বেশি আর্ন করেছি ফ্রিল্যান্সিং করে.এবং এর পাশাপাশি আলহামদুলিল্লাহ্ ক্যারিয়ার আইটি নামে নিজের একটা আইটি প্রতিষ্ঠান দাড় করিয়েছি ।সেখানে আমি নিজেই ট্রেইনার হিসাবে সাইবার সিকিউরিটি শেখাচ্ছি ।ইনশাল্লাহ, আমার হাত ধরে যদি কেউ সাইবার সিকুউরিটি জগতে আসতে পারে সেটাই আমার পাপ্তি হবে।আমার মা এর হাতে প্রথম টাকা দিয়েছলাম আহ তার হাসি এখনো আমার মনে পড়ে, টাকা নিয়ে চুমু দিয়েছিল টাকায়! এবং বাবাকে বলি বি.এস.সি এর জন্য তোমার জমি বিক্রি করতে হবে না আমি নিজের টাকা দিয়ে করবো!শাওন মির আমাদের ফরিদপুর তথা বাংলাদেশের গর্ব তার এই পথচলার গল্প কিছুটা তুলে ধরা হলো। তার মতো হাজারও তরুণ তরুণীরা হতাশায় ঘুরে বেরায় কিছু না পাওয়ার আশায় অথচ তার মতো এমন প্রশিক্ষণ গ্রহন করে নিজের ভাগ্য বদলে ফেলতে পারেন আপনিও। ইতিমধ্যে তার প্রতিষ্ঠান https://careerit.net/ তে আবেদন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।তার ইউটিউব চ্যানেল থেকেও ঘুরে আসতে পারেন https://www.youtube.com/Learnwithshawon
তার নাম ফরিদপুরের নুর মোহাম্মদ ভালোবাসে সাইকেল চালাতে সাইকেল চালিয়ে ভ্রমন করতে । সাইকেল চালিয়ে তিনি ঘুরে বেড়ান ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ছড়িয়ে দিতে থাকেন সাইকের চালোনোর উপকারিতা এবং সুবিধা সম্পর্কে । ফরিদপুর এর গন্ডি পেরিয়ে তিনি ঢাকা,মাগুরা ভ্রমন করেন এর পর থেকে তার ইচ্ছা জাগে বাংলাদেশ ভ্রমনের যেমন ইচ্ছা তেমন কাজ ফরিদপুরের সেচ্ছাসেবী সংগছন অনুপ্রয়াসের সহযোগীতায় তিনি 8/12/19 তারিখ রাতে ফরিদপুর ত্যাগ করেন ।এর আগে তিনি ফরিদপুর জেলা প্রশাসক এর কাছ থেকে অনুমতি গ্রহন করেন এবং ফরিদপুর পুলিশ সুপারের অনুমতি গ্রহন করেন।12 ঘন্টা জার্নি করে 9/12/19 তারিখ সকালে বাংলা বান্ধা ভ্রমন করেন এর পরের দিন তেতুলিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে যাত্রা শুরু করেন
তার সাথে তখন তার সঙ্গি ছিলো পিরোজপুরের সাইক্লিস্ট ।ফরিদপুরের সেচ্ছাসেবী সংগঠন অনুপ্রয়াসের সহযোগীতায় CYCLING FOR CLIMATE JUSTICE এই শ্লোগানকে সঙ্গে নিয়ে নুর মোহাম্মদ তার এই সাইকেল যাত্রা শুরু করেন। প্রতিদিন তিনি দিনের বেলায় সাইকেল চালাতো এবং রাতে বিশ্রাম নিতো। প্রথম দিন তিনি 90 কিলোমিটার সাইক্লিং করেন দিত্বীয় দিন 130 কিঃমিঃ সাইক্লিং করেন দিনাজপুর ঠাকুরগাহ ভ্রমন করেন
11 তারিখ তিনি 140 কিঃমিঃ সাইক্লিং করেন পৌছান বগুড়া সকালে বগুড়া থেকে যাত্রা শুরু করেন বগুড়ার দর্শণীয় স্থান পরিদর্শন করেন এরপর টাঙ্গাইলপৌছান সেখানে রাত্রীযাপন করে সকালে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হোউন তিনি, তারপর তিনি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম পৌছান 145 কিঃমিঃ সাইক্লিং করেন ঐদিন।রাতে বিশ্রাম নিয়ে পরের দিন সকালে চট্টগ্রাম থেকে তিনি 160 কিঃমিঃ সাইক্লিং করে পৌছান কক্সবাজার পরের দিন 18/12/19 তারিখ সকালে টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা হোউন তিনি মোট 84 কিঃমিঃ সাইক্লিং করে পৌছান টেকনাফ জিরো পয়েন্টে
টেকনাফে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করে তার সাইক্লিং শেষ করেন।আজ 18/12/19 তারিখে তিনি টেকনাফে বিশ্রাম শেষে বাসযোগে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন বলে জানিয়েছেন নুর মোহাম্মদ ।তিনি ফরিদপুরবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন যেনো সুস্থভাবে তিনি ফরিদপুরে পৌছাতে পারেন।
Recent Comments